• শিরোনাম

    ৬৫ দিন মাছ আহরনে নিষেধাজ্ঞা

    উপকূলে মাছ ধরার দাবিতে জেলেরা আন্দোলনে

    দীপক শর্মা দীপু | ২৭ মে ২০১৯ | ১:৫৩ পূর্বাহ্ণ

    উপকূলে মাছ ধরার দাবিতে জেলেরা আন্দোলনে

    সরকার মৎস্যভান্ডার পরিপূর্ণ রাখার লক্ষ্যে সাগর থেকে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত দীর্ঘ ৬৫ দিন মাছ আহরনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। অন্যদিকে সাগরের কুলে যারা ছোট নৌকা নিয়ে মাছ আহরণ করে তারা মাছ ধরার দাবিতে আন্দোলন করছে।
    সাগরের কুলে এক কিলোমিটারের মধ্যে মাছ ধরার দাবিতে জেলে ও ছোট নৌকার মালিকরা আন্দোলনে নেমেছে। রবিবার ২৬ মে কোর্টবিল্ডিং চত্বরে মানববন্ধন, সংবাদ সম্মেলন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে । অনশনসহ আরো নানা কর্মসূচি দিয়ে আন্দোলনে যাচ্ছে তারা।
    অসহায় জেলে সম্প্রদায় ও টেকনাফ নৌকা মালিক সমিতির নেতারা জানান, ্উপকুলের এককিলোমিটারের মধ্যে সকালে গিয়ে দুপুরে ফিরে আসে এসব ছোট নৌকা দিয়ে লইট্যা মাছ, বাটা মাছ, ফাইস্যা মাছ ও পোয়া মাছ ধরা হয়। এখানে প্রজনন সৃষ্টি করে বা মাছ বৃদ্ধি (বড়) হতে পারে এমন কোন প্রজাতির মাছ ধরা পড়েনা। এসব মাছ দিয়ে যেমন জেলেদের পরিবারের অভাব মেটানো সম্ভব হবে। অন্যদিকে ভোক্তাদের মাছের চাহিদা পূরণও সম্ভব হবে।
    গভীর ‘সমুদ্রে ট্রলিং জাহাজগুলো গভীর সাগরে মৎস্য আহরণ করতে গিয়ে তাদের জালে প্রজনন সৃষ্টিকারি মাছ ও আকারে বড় হয় এমন মাছ ধরা পড়ে। তাই এসব ট্রলারে গভীর সমুদ্র থেকে মাছ আহরণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্থ সঠিক রয়েছে। তাই গভীর সাগরে মাছ আহরনে নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখে ছোট নৌকার মাধ্যমে উপকূলের কাছাকাছি মাছ ধরার সুযোগ দেয়ার জন্য সরকারের নিকট সিদ্ধান্তটি পূণ:বিবেচনার দাবি জানানো হয়েছে। এ জন্য জেলা প্রশাসক, ইউএনও,বিজিবি,কোস্টগার্ড,মৎস্য কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রী বরাবর।
    স্মারকলিপিতে জানানো হয়েছে, রাহিঙ্গা অনুপ্রবেশ এবং মাদক পাচার রোধে প্রায় দইবছর ধরে নাফ নদীতে মাছ আহরণ বন্ধ রয়েছে। এছাড়াও সরকারের নির্দেশে প্রতি বছর ইলিশের প্রজনন মৌসুমে আশ্বিনের প্রথম তারিখ থেকে ২২ দিন ইলিশ শিকার করেনি। এতে তারা ক্ষতিগ্রস্থ হলেও নতুন করে ৬৫ দিন মাছ ধরা বন্ধ রাখায় টেকনাফের জেলেদের জন্য চরম অমানবিক। আর ঈদের আগে হঠাৎ মাছ ধরা বন্ধের সিদ্ধান্তে জেলেদের ঈদ উদযাপনও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে এবং ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি ৪০ হাজার জেলের পরিবার পরিজন অনাহারে থাকার আশংকা করছেন।এছাড়া সরকার জেলেদের বিকল্প কর্মস্ংস্থান বা আয়ের কোন ব্যবস্থা না করায় টেকনাফের জেলেদের সাগরে মাছ আহরণই তাদের শেষ অবলম্বন।
    মানবন্ধন ও স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেন টেকনাফ উপজেলা জেলে সম্প্রদায়ের পক্ষে সভাপতি বেলাল,সহ-সভাপতি আব্দুল গফুর,সাধারণ সম্পাদক ডা: নুর মোহাম্মদ,সহ সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মিয়া,কোষাদক্ষ আব্দুস সালাম,সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ হাশেম,সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নুর মোহাম্মদ,সুলতান আহম্মদ(মেম্বার)।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ