• শিরোনাম

    বৈরি আবাহাওয়া উপেক্ষা করে

    কক্সবাজারে পর্যটকে টইটুম্বর

    দীপক শর্মা দীপু | ০৯ জুন ২০১৯ | ১:৩৭ পূর্বাহ্ণ

    কক্সবাজারে পর্যটকে টইটুম্বর

    বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে ঈদুল ফিতরের ছুটি কাটাতে পর্যটন রাজধানী কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এখন লাখো পর্যটকদের পদভারে মুখরিত। সাগরের নীল জলরাশিতে উচ্ছ্বাসে মেতেছে আগত নানা বয়সী পর্যটকরা। তাদের কেউ সাগরে সাঁতার কাটছেন। হইচই করছেন। কেউ নিজের ছবি তুলেছেন। কেউ আবার প্রিয়জনদের ছবি ক্যামেরাবন্দি করছেন।থেমে থেমে চলা বৃষ্টিতে কেউ সৈকতের বালিয়াড়িতে ঘুরে ঘুরে সাগরের উত্তাল সৌন্দর্য অবোলকন করছেন।
    সরেজমিনে দেখা গেছে,দেশের দূর-দূরান্ত থেকে পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধবসহ নানা বয়সী মানুষ বাস,মাইক্রোবা,বিমান সসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে করে কক্সবাজারে বেড়াতে আসছেনে। এ কারণে পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত ।স্থানীয় দোকানগুলোতে জমজমাট বিকিকিনি হচ্ছে। এতে হাসি ফুটেছে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মুখে।
    হোটেল মালিকেরা বলছেন,৫ জুন থেকে পর্যটকদের আসা শুরু হয়েছে। ১৫ জুন পর্যন্ত টানা ১২দিনের ছুটিতে কক্সবাজারে ভিড় লেগেই থাকবে। বিশেষ করে ৭ থেকে ১০ জুন চার দিনে পর্যটক আসবেন প্রায় দ্ইু লাখ। অবশিষ্ট দিনগুলোতে আসবেন আরও দুই লাখ। তখন হোটেল-রেস্তোরাঁসহ পর্যটন খাতে ব্যবসা হবে ৩০০ কোটি টাকার।
    শুক্রবার বিকালে সৈকত ঘুরে দেখা গেছে, ঈদের ছুটি কাটাতে সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে ভিড় করছেন লাখো পর্যটক। বৈরী আবহাওয়া আর থেমে থেমে বৃষ্টি উপেক্ষা করে সৈকতের সব পয়েন্টে যেন পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়।
    দীর্ঘদিন প্রচন্ড গরম থাকার পর এ বৃষ্টি পর্যটকের তেমন কোন সমস্যা হচ্ছে না। বরং এ বৃষ্টিতে আবার অনেকে বাড়তি আনন্দও পাচ্ছে।সমুদ্র সৈকত ছাড়াও ইনানীর পাথুরে সৈকত,পাহাড়ী ঝর্ণা হিমছড়ি, ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক, রামুর বৌদ্ধ মন্দিরও পর্যটকে মুখরিত।
    নগর জীবনের যান্ত্রিকতা থেকে দূরে নীল সাগরের সুনীল জলরাশিতে অবিরত ঢেউ এর মাঝে বাধভাঙ্গা আনন্দে মেতেছেন ভ্রমণ পিপাসুরা। তাদের উল্লাসে যেন মুখরিত বিশ্বের দ্বীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত।
    কক্সবাজার ঘুরতে আসা কয়েকজন পর্যটক বলেন- ঈদের টানা ছুটিতে কক্সবাজার এসে খুব ভালো লাগছে। বৃষ্টি আর সাগর আমাদের একাকার করে দিচ্ছে। ঈদকে খুব উপভোগ করছি।
    পর্যটকদের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. জিল্লুর রহমান বলেন, ঈদ উপলক্ষে টানা ১২ দিনের ছুটিতে প্রায় ৬ লাখ পর্যটকের আগমন ঘটবে কক্সবাজারে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশের ১০১ সদস্য সমুদ্রসৈকত ছাড়াও টেকনাফ-কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়কের দরিয়ানগর, হিমছড়ি, ইনানী, টেকনাফ, চকরিয়া ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক এলাকায় সার্বক্ষণিক ( দিনরাত ২৪ ঘণ্টা) নিরাপত্তা দিয়ে যাবে। কক্সবাজার শহরসহ জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় এলাকায় পর্যটকদের নিরাপত্তা দেবে জেলা পুলিশ। পর্যটকদের সমুদ্র স্নানে নিরাপত্তা দিতে পুলিশের পাশাপাশি ৩টি বেসরকারি লাইফ গার্ড সংস্থার অর্ধশতাধিক প্রশিক্ষিত লাইফ গার্ড কর্মী নিয়োজিত আছে।
    কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো.কামাল হোসেন বলেন: আগত পর্যটকদের হয়রানি রোধে তিনটি ভ্রাম্যমান আদালতের টিম সৈকত ও আশপাশের এলাকায় কাজ করছে।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ