• শিরোনাম

    * মসজিদে এসি ও ফ্যান বন্ধ * মুসল্লিদের প্রচন্ড ক্ষোভ

    তারাবিহ শুরুর দিনে বিদ্যুতের ভেল্কিবাজি

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৭ মে ২০১৯ | ২:০৮ পূর্বাহ্ণ

    তারাবিহ শুরুর দিনে বিদ্যুতের ভেল্কিবাজি

    গতকাল সোমবার ছিলো পহেলা রমজান। মুসলমান ধর্মাবলম্বীরা ধর্মীয় বিধি-বিধান অনুসরণ করে এই দিন থেকে তারাবির নামাজ পড়া শুরু করেন । সারা বৎসরে শুধু একবার এই সুযোগ আসে। এ কারণে ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা এই নামাজ আদায়ের চেষ্টা করেন। মহান আল্লাহ্র সন্তুষ্টি লাভের জন্যই এই নামাজ আদায় করেন তাঁরা।
    মাহে রমজানের শুরুতেই নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে হেঁাঁচট খেয়েছে কক্সবাজার বিদ্যুৎ বিতরন বিভাগ। যার কারণে পবিত্র রহমতের মাসের শুরুর দিনে তারাবিহ নামাজ আদায় করতে গিয়ে কক্সবাজার শহর, শহরতলীসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে তীব্র লোডশেডিংয়ের কবলে পড়েছে মুসুল্লিরা। প্রায় ঘন্টা দেড়েকের এই লোডশেডিংয়ের কবলে পড়ে বৈশাখের রাতের ভ্যাপসা খরতাপে পুড়েছেন মুসুল্লিরা। এতে বিদ্যুৎ খাতে অসাধারন সাফল্য পাওয়া সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে।
    গতকাল সোমবার ৬ মে সন্ধ্যায় পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায়। ফলে প্রথম তারাবিহ’র নামাজ জামাতে আদায় করতে এসির সুবিধায় থাকা কক্সবাজার শহরের ঐতিহ্যবাহী মসজিদ গুলোতে এশার নামাজের আগেই জায়গা করে নেয় শত শত মুসুল্লি। বিশেষ করে কক্সবাজারের অতি পুরনো মসজিদ বদর মোকাম জামে মসজিদে তিল ধরনের জায়গা ছিল না।
    কিন্তু মুসুল্লিদের অতি রহমত ও আরাম-আয়েশের প্রত্যাশাকে ভুল প্রমাণ করে নামাজ শুরুর মুহুর্তেই বিদ্যুৎ চলে যায়। যার ফলে সব এসি বন্ধ হয়ে যায়। মসজিদ কর্তৃপক্ষ অনেক মসজিদে জেনারেটরের সাহায্যে বৈদ্যুতিক লাইট ও ফ্যান চালু রাখলেও ভ্যাসপা গরম সামাল দেয়া যায়নি। আবার অনেক মসজিদে কেবল বাতি জ্বললেও ফ্যান ঘুরেনি। মুসুল্লিরা পুরো নামাজ বিদ্যুতের জন্য হা-পিত্যেস করে কষ্ট সহ্য করে নামাজ আদায় করে বাড়ি ফেরে। তারাবিহ নামাজের শুরুর দিনে এই রকম দৃশ্য ছিল কক্সবাজার শহর ও শহরতলির অনেক স্থানে।
    গতকাল এশার নামাজের সময় হলেই অসংখ্য মুসল্লির জমায়েত ঘটে শহরের ঐতিহ্যবাহী বদর মোকাম জামে মসজিদে। কিন্তু নামাজ আরম্ভ হওয়ার পরই দেখা দেয় বিপত্তি। হঠাৎ করেই অচল হয়ে পড়ে মসজিদের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থা। বিষয়টি নিয়ে মুসল্লিরা জানতে চাইলে মসজিদটির খতিব বলেন, বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে এসি বন্ধ রয়েছে। বিদ্যুৎ এলেই এসি চালু হবে।
    খতিবের কথায় আশ^স্ত হলেও নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত এসির শীতল পরশ পাননি মুসল্লিরা। প্রচ- গরম সহ্য করেই তাঁদের নামাজ আদায় করতে হয়েছে। নামাজ শেষে এ নিয়ে দেখা দিয়েছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া। মসজিদ কমিটির কারণেই কি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অচল ছিলো? নাকি বিদ্যুৎ বিভাগের কারণেই মুসল্লিদের প্রায় দুই ঘন্টা ধরে গরম সহ্য করে নামাজ আদায় করতে হলো। এই প্রশ্ন ছিলো সবার।
    এদিকে কক্সবাজারের সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি কানিজ ফাতেমা আহমদ ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ চৌধুরীর গ্রামের বাড়ি চৌফলদন্ডির সর্বত্র গতকাল এশা ও তারাবিহ নামাজের সময় বিদ্যুতের দেখা পায়নি মুসুল্লিরা। গতরাতে চৌফলদন্ডি থেকে মোবাইলে তাদের কষ্টের কথা জানান দেশবিদেশকে। এ ব্যাপারে টেলিফোন রিসিভ না করায় কক্সবাজার বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ###

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ