• শিরোনাম

    রোহিঙ্গা শিবির নিয়ে সতর্কতার তাগিদ এনজিও কর্মীদের

    রোহিঙ্গাদের ধর্মান্তর করা যাবে না

    দেশবিদেশ রিপোর্ট | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ

    রোহিঙ্গাদের ধর্মান্তর করা যাবে না

    রোহিঙ্গা শিবির নিয়ে সতর্কতা অবলম্বনের তাগিদ উঠেছে। বলা হয়েছে, রাতের বেলায় রোহিঙ্গা শিবিরের পরিস্থিতি বদলে যায়। শিবিরগুলো চলে যায় এক ভিন্ন জগতে। সেই সাথে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা শিবিরে উদ্বেগজনক ধর্মান্তরের কাজ চলছে। এ ধরণের কাজ চলতে দেয়া যায়না। এজন্যই সবাইকে সতর্ক থাকারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
    গতকাল বুধবার কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে অনুষ্টিত এনজিও (বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা) সমন্বয় সভায় জেলা প্রশাসক সহ অন্যান্য বক্তারা এসব কথা বলেছেন। জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন বলেছেন-‘ রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ মানবিক কারনে জায়গা দিয়েছে। তাদের নিরাপত্তায় যেমনি ব্যাঘাত সৃষ্টি করা যাবে না তেমনি আবার রোহিঙ্গাদের কোন অপরাধও সহ্য করা হবেনা।’
    কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক এনজিও কর্মীদের সতর্ক করে আরো বলেছেন, রোহিঙ্গা শিবিরের পরিস্থিতি অস্তিতিশীল হয় এমন কোন কাজও সেখানে করা যাবে না। এমনকি শিবিরে রোহিঙ্গাদের ধর্মান্তর করার যে অভিযোগ উঠেছে তাও কোন ভাবেই করতে দেয়া হবেনা। কেননা কাউকে প্রলোভন বা জোর-জবরদস্তিমূলক ভাবে ধর্মান্তরের বিধান কোথাও নেই। সভায় শতাধিক এনজিও কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
    অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আশরাফুল আফসারের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সমন্বয় সভায় জেলা প্রশাসক প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। সভায় কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা বলেছেন, রোহিঙ্গা শিবিরে চুরি-ডাকাতি, মাদক কারবার ও যৌন কারবার সমানে চলছে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা শিবির নিয়ে কারো কোন অভিযোগ থাকলে তা জেলা প্রশাসককে জানানোর অনুরুধ জানিয়েছেন।
    সভায় জাসদের জেলা সভাপতি নঈমুল হক চৌধুরী টুটুল বলেছেন, শিবিরে কোন রোহিঙ্গাকে চাকুরিতে নিয়োগ করা যাবেনা। কিন্তু এনজিও কর্মীরা এ প্রসঙ্গে বলেছেন ভিন্ন কথা। এনজিও কর্মীরা জানিয়েছেন, তারা শিবিরে আরআরআরসি অফিসের নির্দ্দেশে রোহিঙ্গাদের শ্রমিক হিসাবে নিয়োগ দিয়েছেন।
    সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আশরাফ হোসেন বলেছেন, এলাকার চাকুরি বঞ্চিত যুবকরা এনজিওর গাড়ী ভাংচুর করছে। তাই এলাকাবাসীকে শান্ত রাখতে এনজিওতে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাবাসীকে চাকুরিতে অগ্রাধিকার দিতে পরামর্শ দেন। তিনি আরো বলেন, শিবিরে বাংলা পড়ানোর বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তারপরেও কোডেক এনজিও তা করে চলেছে।
    তবে এনজিও কর্মীরা বলেছেন, নিবন্ধিত শিবিরে বাংলা পড়ানোর অনুমতি রয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, এক দেশে দুই রকমের নিয়ম নিয়ে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জার্মান সাংবাদিকদের উপর হামলা প্রসঙ্গে বলেছেন, রোহিঙ্গাদের সাথে বেশী ভাব জমাতে নেই। সেই সাথে রোহিঙ্গাদের এনজিও গাড়ীতে না নিতেও তিনি পরামর্শ দেন।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ