সিরাজুল ইসলাম রাব্বি উখিয়া: | সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট | 43 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
সোমবার (৯ মার্চ) মরিচ্যা ৭১ কনভেনশন হলে সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এ শিক্ষাশিবিরের কার্যক্রম চলে।
শিক্ষাশিবিরে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থেকে “ইসলামী আন্দোলনে নেতৃত্বের গুণাবলী” শীর্ষক বিষয়ে কর্মীদের উদ্দেশ্যে আলোচনা করেন কক্সবাজার জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী।
তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলনের সাফল্যের জন্য সঠিক নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নেতা, কর্মী ও নীতিমালার সমন্বয়ে কোনো সংগঠন পরিচালিত হলে সেটি একটি আদর্শ সংগঠনে পরিণত হয়। তিনি আরও বলেন, উখিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামী একটি বৃহৎ ও নির্ভরযোগ্য সংগঠন, যা সাম্প্রতিক নির্বাচনের মাধ্যমেও প্রমাণিত হয়েছে।
মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী আরো বলেন, জামায়াতে ইসলামী বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। অতীতে মানুষ জামায়াতকে সততা ও ইনসাফের কারণে ভোট দিয়েছে, আর এখন মানুষ নেতৃত্বের গুণাবলী বিবেচনা করেই জামায়াতকে সমর্থন দেবে।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আবুল ফজলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ শিক্ষাশিবিরে বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শাহজালাল চৌধুরী, মাওলানা নুর হোসেন সিদ্দিকী, মাওলানা রফিক বিন সিদ্দিক, মুফতি হাবিব উল্লাহ, অধ্যক্ষ শফিউল হক জিহাদী, উখিয়া উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা নুরুল হক,সেক্রেটারি মাওলানা সুলতান আহমদ, এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রহিম, উপজেলা বায়তুল সম্পাদক মনছুর আলম, উপজেলা সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাওলানা হাফেজ আবুল হুছাইন,উপজেলা অফিস সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
আলোচকবৃন্দ দারসুল কোরআন, বাইয়াতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য, সহিহ কোরআন শিক্ষা এবং দাওয়াতে দ্বীনের গুরুত্ব ও পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে কর্মীদের অংশগ্রহণে বক্তব্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় এবং কর্মীদের রিফ্রেশমেন্ট এর জন্য ফাঁকে ফাঁকে ইসলামী সঙ্গীত অনুষ্ঠান কার্যক্রম চলে । দিনব্যাপী এ শিক্ষাশিবিরের সমাপ্তিতে অংশগ্রহণকারীরা সম্মিলিতভাবে ইফতারে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীলগণ বিভাগভিত্তিক দায়িত্ব পালন করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাওলানা আবুল ফজল ও মাওলানা নুরুল হক। ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাওলানা সুলতান আহমদ। অভ্যর্থনা বিভাগে ছিলেন মাওলানা আব্দুর রহিম ও ডা. কবির আহমদ। খাদ্য বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন মনছুর আলম ও মাওলানা আবুল করিম। ডেকোরেশন বিভাগের দায়িত্ব পালন করেন মাওলানা আবুল হুসাইন। অফিস বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম। পানি ও স্যানিটেশন বিভাগের দায়িত্ব পালন করেন মাস্টার খায়রুল বশর এবং শৃঙ্খলা বিভাগের দায়িত্ব পালন করেন রিদুয়ানুল হক জিসান।