• শিরোনাম

    জেলায় ভোটার সংখ্যা ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ২০৪ জন

    আগামিকাল একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

    শহীদুল্লাহ্ কায়সার | ২৯ ডিসেম্বর ২০১৮ | ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ

    আগামিকাল একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

    আগামিকাল ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’১৮। নির্বাচনে কক্সবাজার জেলার ৪টি আসনে এবার ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ২০৪ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। যাদের মধ্যে পুুরুষ ভোটারের সংখ্যা ৭ লাখ ৭ হাজার ৮৩১ জন এবং নারী ভোটার রয়েছেন ৬ লাখ ৫৭ হাজার ৩৭৩ জন। সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪ টার মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন তাঁরা।
    জেলার ৪টি পৌরসভা এবং ৭১টি ইউনিয়নে একযোগে চলবে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম। অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে জেলার ৪টি আসনে ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে ১২ টি রাজনৈতিক দল মনোনীত ২৫ জন প্রার্থীর সঙ্গে রয়েছেন নির্দলীয় ৩ প্রার্থী। উল্লেখিতদের মধ্যে প্রার্থিনী রয়েছেন ৩ জন। তাদের মধ্যে দুই জন দেশের দুইটি বড় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি মনোনীত।
    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার জেলায় রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন কক্সবাজারের জেলাপ্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন। তিনি ভোটগ্রহণ পরবর্তীতে কেন্দ্র থেকে আসা ফলাফলের ভিত্তিতে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করবেন।
    ভোটদানের জন্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলায় স্থাপন করা হচ্ছে ৫১৩টি কেন্দ্র। একজন করে প্রিসাইডিং অফিসার প্রত্যেক কেন্দ্রের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়া কক্ষ স্থাপন করা হবে ২ হাজার ৭৩৮টি। প্রত্যেক কক্ষে থাকবেন ১ জন করে পোলিং অফিসার। ভোট গ্রহণ কার্যক্রম তদারকের পাশাপাশি সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন তাঁরা।
    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার চারটি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোটার রয়েছেন কক্সবাজার-৩ (কক্সবাজার সদর-রামু) আসনে। এই আসনের ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৩৬ জন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম ভোটার রয়েছেন কক্সবাজার – ৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে। এই আসনের ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৬৪ হাজার ৪০৬ জন।
    জেলার ৪ টি আসনের মধ্যে কক্সবাজার -১ আসনটি চকরিয়া এবং পেকুয়া উপজেলার সমন্বয়ে গঠন করা হয়। এই আসনের ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৯০ হাজার ৬৮১ জন। যাঁদের মধ্যে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ২ লাখ ৪ হাজার ৪২৫ জন এবং নারী ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ৮৬ হাজার ২৫৬ জন।
    উল্লিখিত ভোটারদের মধ্যে চকরিয়া উপজেলার ১ টি পৌরসভা ১৮ টি ইউনিয়নে পুরুষ ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮০৫ জন এবং নারী ভোটারের সংখ্যা ১ লাখ ৩৫ হাজার ৬০৬ জন। এই উপজেলার কেন্দ্র স্থাপন করা হবে ৯৯টি কেন্দ্র। উল্লেখিত সংখ্যক কেন্দ্রে থাকবে ৬০১ টি কক্ষ।
    অন্যদিকে ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত পেকুয়া উপজেলার পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ৫৫ হাজার ৬২০ এবং নারী ভোটার রয়েছেন ৫০ হাজার ৬৫০ জন। উপজেলায় স্থাপন করা হবে ৪০ টি কেন্দ্র। উল্লেখিত সংখ্যক কেন্দ্রে থাকবে ২০০টি কক্ষ।
    কক্সবাজার- ২ আসন গঠন করা হয় মহেশখালী এবং কুতুবদিয়া উপজেলার সমন্বয়ে। এই আসনে ভোটার রয়েছেন ২ লাখ ৯৬ হাজার ৮১ জন। যাঁদের মধ্যে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৭২ জন পুরুষ এবং ১ লাখ ৪২ হাজার ১০৯ জন নারী।
    উল্লিখিত ভোটারদের মধ্যে ১ টি পৌরসভা এবং ৮ টি ইউনিয়নের নিয়ে গঠিত মহেশখালী উপজেলায় পুরুষ ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৯৪৯ এবং নারী ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৬৬৭ জন। এই উপজেলার কেন্দ্র স্থাপন করা হবে ৬৮ টি। কক্ষ সংখ্যা হবে ৩৮২।
    অন্যদিকে ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত কুতুবদিয়া উপজেলায় ৪৪ হাজার ২৩ জন পুরুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। নারীদের মধ্যে ৪০ হাজার ৪৪২ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। উপজেলায় স্থাপন করা হবে ৩৭টি কেন্দ্র। কক্ষ সংখ্যা হবে ১৬০।
    কক্সবাজার-৩ আসন গঠন করা হয় কক্সবাজার সদর এবং রামু উপজেলার সমন্বয়ে। এই আসনের মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৪ হাজার ৩৬ জন। যাঁদের মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ৪২৪ জন। নারী ভোটারের সংখ্যা ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬১২।
    উলিখিত ভোটারদের মধ্যে ১টি পৌরসভা এবং ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত কক্সবাজার সদর উপজেলায় পুরুষ ভোটার রয়েছেন, ১ লাখ ৩৫ হাজার ১৪ জন। নারী ভোটার রয়েছেন, ১ লাখ ২১ হাজার ৪ জন। তাঁদের জন্য কেন্দ্র স্থাপন করা হবে ১০৮টি। কক্ষ স্থাপন করা হবে ৫৪৭টি।
    অন্যদিকে ১১ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত রামু উপজেলায় পুরুষ ভোটার রয়েছেন ৮১ হাজার ৪১০ জন। নারী ভোটার রয়েছেন ৭৬ হাজার ৬০৮ জন। তাদের জন্য ৬১ টি কেন্দ্র স্থাপন করা হবে । কক্ষ স্থাপন করা হবে ৩১৮ টি।
    কক্সবাজার -৪ আসনটি গঠন করা হয় উখিয়া এবং টেকনাফ উপজেলার সমন্বয়ে। এই আসনে ভোটার রয়েছেন ২ লাখ ৬৪ হাজার ৪০৬ জন। যাঁদের মধ্যে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ১ লাখ ৩৩ হাজার ১০ জন এবং নারী ভোটারের সংখ্যা ১ লাখ ৩১ হাজার ৩৯৬ জন।
    উল্লিখিত ভোটারদের মধ্যে ৫ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত উখিয়া উপজেলায় পুরুষ ভোটার রয়েছেন ৬০ হাজার ৪ ৮৮ জন। নারী ভোটার রয়েছেন ৫৮ হাজার ২৯৭ জন। তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য স্থাপন করা হচ্ছে ৪৫ টি কেন্দ্র। যার কক্ষ সংখ্যা হবে ২৩৮।
    অন্যদিকে ১ টি পৌরসভা এবং ৬ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত টেকনাফ উপজেলার পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ১ লাখ ৩৩ হাজার ১০ এবং নারী ভোটারের সংখ্যা ১ লাখ ৩১ হাজার ৩৯৬। তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য স্থাপন করা হবে ১১০ টি কেন্দ্র। যার কক্ষ সংখ্যা হবে ৫৩০টি।
    এদিকে, সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলাগুলোতে পৌঁছে গেছে ব্যালট পেপার, ব্যালট বক্সসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী। সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ৩০ ডিসেম্বর এসব সামগ্রী প্রতিটি কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়া হবে। আইন-শৃঙ্খলার অবনতি রোধেও নেয়া হয়েছে বিভিন্ন পদক্ষেপ। সেনাবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা সার্বক্ষণিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতও পরিচালনা করা হবে। ৪০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচালনা করবেন এসব ভ্রাম্যমাণ আদালত।
    দেশবিদেশ /29 ডিসেম্বর ২০১৮/নেছার

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ