সোমবার ১৮ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

আত্মগোপনে থাকার মধ্যেই ঢাকায় এসেছিলেন সাহেদ

দেশবিদেশ অনলাইন ডেস্ক   |   বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২০

আত্মগোপনে থাকার মধ্যেই ঢাকায় এসেছিলেন সাহেদ

র‌্যাবের মহাপরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, মামলা হওয়ার পরপরই সাহেদ এক জেলা থেকে অন্য জেলায় আত্মগোপনের চেষ্টা চালান। ঢাকা থেকে তিনি কুমিল্লা, কক্সবাজার ও সাতক্ষীরায় গিয়েছেন। গত সাত–আট দিনের মধ্যে সাহেদ একাধিকবার ঢাকায়ও এসেছেন। কখনো নিজস্ব গাড়িতে যাতায়াত করেছেন, কখনো ভাড়া গাড়ি, কখনো ট্রাকে আবার কখনো পায়ে হেঁটেও এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাতায়াত করেছেন।

বুধবার দুপুরে র‌্যাব সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মহাপরিচালক সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম ভারতে চলে গিয়েছিলেন বলে আলোচনা আছে। এই আলোচনা কতটুকু সত্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে র‌্যাব সাহেদকে খুঁজছিল। যে জায়গায় তাঁর অবস্থান শনাক্ত করা গেছে, সেখান থেকেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মহাপরিচালক বলেন, গতকাল সন্ধ্যায় রিজেন্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ পারভেজকে গাজীপুরের কাপাসিয়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সম্ভাব্য কোন কোন পথে দেশ ছাড়তে পারেন, সে সম্পর্কে র‌্যাবকে ধারণা দেন। ৬ জুলাই রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযানের পর থেকে সাহেদ করিম গা ঢাকা দেন। তাঁর সন্ধানে র‌্যাব ঢাকা ও ঢাকার বাইরে অভিযান চালায়। বুড়িমারি, সাপাহার সীমান্ত ও সাতক্ষীরার সীমান্ত এলাকায়ও র‌্যাব নজরদারি বাড়ায়। এই কাজে র‌্যাবকে সহযোগিতা করে পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ডসহ অন্যান্য বাহিনী।

মহাপরিচালকের কাছে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল, সাহেদের সঙ্গে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির ছবি ও অন্তরঙ্গতার বিষয় সাম্প্রতিক সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। পলাতক অবস্থায় তিনি কার কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন? আলোচনা ছিল তিনি পুলিশের সাবেক একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বাসায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। এই কর্মকর্তা কে? সাহেদের সঙ্গে রাষ্ট্রপতিসহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের এক অনুষ্ঠানে দেখা গেছে। অস্ত্রসহ উদ্ধার এমন একজন প্রতারক রাষ্ট্রপতিসহ অন্যদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পেলেন কী করে?

এমন সব প্রশ্নের জবাবে র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, জিজ্ঞাসাবাদ এখনো শেষ হয়নি। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আরও অনেক তথ্য পাওয়া যাবে।

আজ র‌্যাব সদর দপ্তরে একাধিক ভুক্তভোগী এসেছিলেন। তাঁদের জন্য র‌্যাব কিছু করবে কি না, জানতে চাইলে মহাপরিচালক বলেন, তাঁরা অভিযোগ জানালে আইনগত সহযোগিতা দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে র‌্যাব।
সাতক্ষীরা থেকে ঢাকায় আনার পর র‌্যাব প্রথমে মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে র‌্যাব সদর দপ্তরে নিয়ে যায়। সেখান থেকে উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের ২০ নম্বর সড়কের একটি বাড়িতে অভিযান চালায়। ওই গোপন অফিস থেকে নকল পাঁচ লাখ টাকার নোট উদ্ধার হয়।

মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম উত্তরা পশ্চিম থানায় র‌্যাব–১–এর করা মামলার এক নম্বর আসামি। তাঁর বিরুদ্ধে সনদ ছাড়া হাসপাতাল চালানো, সরকারের সঙ্গে চুক্তি ভেঙে টাকার বিনিময়ে নমুনা সংগ্রহ ও চিকিৎসা এবং পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়।

Comments

comments

Posted ৯:৩৪ অপরাহ্ণ | বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২০

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক : তাহা ইয়াহিয়া কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
০১৮১২-৫৮৬২৩৭
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com