সোমবার ১৯শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

ইন্দোনেশিয়ায় পাচারকারীচক্রের হাত থেকে ১৯৩ বাংলাদেশি উদ্ধার

দেশবিদেশ অনলাইন ডেস্ক   |   বৃহস্পতিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ইন্দোনেশিয়ায় পাচারকারীচক্রের হাত থেকে ১৯৩ বাংলাদেশি উদ্ধার

সুমাত্রা দ্বীপের মেইডেনে মানব পাচারকারীচক্রের হাত থেকে ১৯৩ বাংলাদেশিকে উদ্ধার করেছে ইন্দোনেশিয়ার পুলিশ। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেখানকার এক দোকান ভবনে গিয়ে তাদের বন্দি অবস্থায় পাওয়া যায়। অভিবাসন কর্তৃপক্ষকে উদ্ধৃত করে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়ায় পাঠানোর লোভ দেখানো হয়েছিল এসব বাংলাদেশিকে। এখন তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হতে পারে।
উত্তর সুমাত্রার অভিবাসন প্রধান রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ওই বাংলাদেশিরা পর্যটকের ভিসা নিয়ে ইয়োগিয়াকার্তা ও বালি হয়ে ইন্দোনেশিয়ায় প্রবেশ করতে সমর্থ হয়। কাজের খোঁজে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার আশা ছিল তাদের। ‘তারা মানবপাচারের শিকার, এখানে এসে ফাঁদে পড়েছিল’- বলেছেন ফেরি মোনাং সিহিতে নামের ওই কর্মকর্তা।
সিহিতে টেলিফোনে রয়টার্সকে জানান, সুমাত্রা দ্বীপের মেইডেনে তাদের বন্দি করে রাখা হয়েছিল। মঙ্গলবার রাতে তাদের সন্ধান পাওয়ার পর সবাইকে সুস্থ অবস্থায় অভিবাসী আটক কেন্দ্রে নেওয়া হয়। আটককৃতদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন সিহিতে।
রয়টার্স এখনও স্বতন্ত্রভাবে আটককৃতদের সঙ্গে যোগাযোগে সমর্থ হয়নি। পুলিশের সঙ্গে এখনও কথা বলতে সক্ষম হয়নি তারা। তবে আটক হওয়া ৩৯ বছর বয়সী মাহবুবকে উদ্ধৃত করে ইন্দোনেশিয়ার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ট্রিবান মেইডান জানিয়েছে, কাউকে কাউকে ৩ মাস ধরে বন্দি রাখা হয়েছিল। মাহবুব ওই সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের সবাইকে জাহাজে তোলা হয়েছিল। ধরেই নিয়েছিলাম আমাদের মালয়েশিয়ায় নিয়ে যাওয়া হবে। বাংলাদেশ থেকে বালি পৌঁছানোর পর বাসে করে চারদিনে এখানে এসে পৌঁছেছি।’
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, যে দোকানে তাদের আটকে রাখা হয়েছিল, তার আশপাশের বাসিন্দাদের কাছে তথ্য পেয়েই ওই বাংলাদেশিদের উদ্ধারে সমর্থ হয় কর্তৃপক্ষ। ওই ভবনে সন্দেহজনক চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়েছিল।
২০১২ সালের রাখাইন সহিংসতার পর থেকেই মিয়ানমারের রোহিঙ্গারা অবৈধ পথে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ শুরু করে। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সাম্প্রতিক জাতিগত নিধন ও গণহত্যার শিকার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ৭ লাখেরও বেশি মানুষ। অপেক্ষাকৃত ভালো জীবনের লক্ষ্যে এদের কেউ কেউ মালয়েশিয়ায় প্রবেশের চেষ্টা করে। তবে অভিবাসন কর্মকর্তা সিহিতের দাবি, মঙ্গলবারের আটককৃতরা রোহিঙ্গা নয়।

Comments

comments

Posted ৮:৫৩ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক : তাহা ইয়াহিয়া কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
০১৮১২-৫৮৬২৩৭
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com