• শিরোনাম

    ইসলামপুর সড়কে বড় বড় গর্ত, লবণ রপ্তানি বন্ধের আশংকা!

    সেলিম উদ্দীন,ঈদগাঁহ | ১৭ জুলাই ২০২০ | ১০:৩৯ অপরাহ্ণ

    ইসলামপুর সড়কে বড় বড় গর্ত, লবণ রপ্তানি বন্ধের আশংকা!

    কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁহ থানার শিল্প এলাকা ইসলামপুর ইউনিয়নে এক কিলোমিটার অংশ চরম বেহাল অবস্থায় রয়েছে।

    এর মধ্যে আরকান সড়কের বটতলী স্টেশন থেকে ইসলামপুর বাজার পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

    সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের গর্তে থাকা পানিতে ছোট-বড় যানবাহন উল্টে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।

    ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম বলেন, বটতলী স্টেশন থেকে ইসলামপুর বাজার পর্যন্ত রাস্তার অবস্থা একেবারেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
    ১০/১২ দিন আগে টানা বৃষ্টির ফলে সড়কটির বিভিন্ন অংশে খানাখন্দে পরিনত হয়।
    সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অবহেলায় সড়কটি দিনদিন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বটতলী স্টেশন থেকে চৌফলদন্ডী ব্রীজ পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার সড়ক কার্পেটিং করার জন্য টেন্ডার হয় প্রায় ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে।

    কাজটি পান মেসার্স চকরিয়া ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। উন্নয়ন প্রকল্পের কয়েকটি কাজ শেষ হলেও কার্পেটিং শুরু হয়নি অধ্যবধী।

    স্থানীয় লবন মিল মালিক মোহাম্মদ শরীফ কোম্পানি জানান, সড়কটি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। তাছাড়া শিল্প নগরী হিসেবে প্রতিদিন লবণ বোঝাই ট্রাক প্রবেশ করে৷ সড়কের ২ কিলোমিটার জুড়ে খানাখন্দে ভরপুর হওয়া চালকরা এই সড়কে প্রবেশ করতে চাইনা৷

    ট্রাক প্রবেশ করতে না পারলে লবণ রপ্তানি ও আমদানি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। লবণ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে এখানকার শতাধিক লবণ মিল বন্ধ রাখতে হবে। বিষয়টি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন শরীফ কোম্পানি৷

    নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা ট্রাক চালক আবুল হোসেন বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাওয়া আসা হয়েছে, এই সড়কটির মত অকেজো রোড কোথাও দেখিনি।
    বৃষ্টির পানি জমে থাকলে বুঝা যায় না যে কোনখানে গর্ত আর কোনখানে সমতল। সংকুচিত হওয়ায় অন্য পাশ দিয়েও যাও যায় না। এ রকম হলে বড় ধরনের দূর্ঘটনায় শিকার হবো।

    পথচারী মীর জাফর হিমেশ জানান, চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে আমাদের। এ অবস্থা চলতে থাকলে দূর্ঘটনার কবলে পড়ে মৃত্যুও হতে পারে বলে ধারণ করেন তিনি।

    ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত সাজেদুল করিম সাজু নামের এক ব্যক্তি জানান, বর্ষাকালে কোনভাবেই কাজ শেষ করা সম্ভব না। একদিকে করোনা অন্যদিকে শ্রমিক সংকট ও সরঞ্জাম পাওয়া যাচ্ছে না।
    ফলে কাজটি শেষ করা যাচ্ছে না। বর্ষার পরপরই কাজ শেষ করতে পারবে বলে আশা করেন তিনি।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ