শুক্রবার ২২শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

অধ্যক্ষ হামিদ ‘সভাপতি’ ছেড়ে এখন ‘চেয়ারম্যান’

উখিয়ায় চেয়ারম্যান পদে সমঝোতা নিয়ে দলে কোন্দল

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বৃহস্পতিবার, ০৭ মার্চ ২০১৯

উখিয়ায় চেয়ারম্যান পদে সমঝোতা নিয়ে দলে কোন্দল

উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে শেষ পর্যন্ত ক্ষমতার রাজনীতি নিয়ে প্রকাশ্যে শুরু হয়েছে অর্ন্তদ্বন্ধ। গত মঙ্গলবার অনুষ্টিত বিশেষ বর্ধিত সভায় উপজেলা নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাহমুদুল হক চৌধুরীকে দলের সিনিয়র সহ সভাপতি এবং গতকাল আরো এক দফায় তাকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ঘোষণার পর পরই কোন্দল রুপ নেয় একদম প্রকাশ্যে।
মূলত সাবেক সংসদ-সদস্য আবদুর রহমান বদি নেপথ্যে থেকে শুরু করেন এই প্রক্রিয়া। যার অংশ হিসেবে হামিদুল হক চৌধুরীকে উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ থেকে গতকাল পদত্যাগ করানো হয়। আগের দিন সিনিয়র সহ-সভাপতি আলাউদ্দিনও পদত্যাগ করেন। তাদের স্থলে মাহমুদুল হক চৌধুরীকে প্রথমে সিনিয়র সহ সভাপতি এবং গতকাল ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করা হয়।
আগের দিন অনুষ্টিত উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় নেয়া পদক্ষেপের অংশ স্বরুপ মাহমুদুল হক চৌধুরীকে গতকাল উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির পদ দেয়ার পর পরই তিনি এবং তার পুত্র ইমরুল কায়েস চৌধুরী নিজ নিজ মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন দাখিল করেন রিটার্নিং অফিসারের নিকট। নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোয় উখিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী এখন বিনাপ্রতিদ্বন্ধিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন বেসরকারিভাবে।
এর আগে উখিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য উখিয়া বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ্যের পদ থেকেও পদত্যাগ করেন তিনি। অভিযোগ উঠেছে, অধ্যক্ষ্যের পদ থেকে পদত্যাগের পর হামিদুল হক চৌধুরী রিতীমত জ্যেষ্টতা লংঘন পুর্বক তাঁরই আপন ভাতিজা অধ্যাপক হুমায়ূন কবির চৌধুরীকে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ্যের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন। অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী সর্বশেষ উপজেলা চেয়ারম্যানের চেয়ারটির জন্য সমঝোতার অংশ স্বরুপ উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সভাপতির পদটিও ছাড়লেন।
গত মঙ্গলবার থেকে গতকাল বুধবার পর্যন্ত উখিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদের নির্বাচন ও উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ক্ষমতা নিয়ে একের পর এক নাটকীয় ঘটনা নিয়ে আলাপ-আলোচনারও যেন শেষ নেই। এমনকি বিষয়টি এখন শুধু উখিয়া নয়, পুরো জেলার ‘টক অব দ্য ডিসকাসন’ এ পরিণত হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও শুরু হয়েছে তোলপাড়। মকবুল মোর্শেদ নামে এক ফেসবুক ইউজার নিজ আইডিতে লিখেছেন, “ উখিয়া উপজেলা নির্বাচন চৌধুরীদের নির্লজ্জ কাজ। টাকাই সব; ভোট নয়।’ যুবলীগ নেতা আবুল হোসেন আবু ফেসবুকে লিখেছেন, -‘টেকনাফ শিকারীর হাতে গুলি, মুরব্বির কাঁধে বন্দুকের নলি। হরিণ আদর্শের নির্ভেজাল আওয়ামী লীগ। ফায়দা লুটতে কি সিন্ডিকেট ও বাবা’ ??
এদিকে মাহমুদুল হক চৌধুরীকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও রাজাপালং ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী। সংগঠনের নেতা-কর্মীদের তিনি বলেছেন, যে প্রক্রিয়ায় মাহমুদুল হক চৌধুরীকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করা হয়েছে তা অগঠনতান্ত্রিক। উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। ####

Comments

comments

Posted ১:৪০ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৭ মার্চ ২০১৯

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক : তাহা ইয়াহিয়া কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
০১৮১২-৫৮৬২৩৭
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com