• শিরোনাম

    উখিয়া সৈকত সড়কের বেহাল দশা

    রফিক উদ্দিন বাবুল, উখিয়া | ২০ আগস্ট ২০২০ | ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ

    উখিয়া সৈকত সড়কের বেহাল দশা

    দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের ইনানী বীচে আসা যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম সৈকত সড়কটি খানা খন্দকে একাকার হয়ে পড়েছে। ফলে পর্যটকসহ অসংখ্য যাত্রী সাধারণকে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসন বলছেন, যেহেতু এ সড়ক দিয়ে দেশী বিদেশী পর্যটক ইনানী বীচ ও তৎসংলগ্ন হোটেল মোটেল গেষ্ট হাউসে অবকাশ যাপনের জন্য আসা যাওয়া করছে। তাই এ সড়কটিকে অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে দৃশ্যমান উন্নয়নের জন্য সড়ক ও জনপদ বিভাগ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
    সরেজমিন ঘটনাস্থল কোটবাজার হয়ে ইনানী মেরিন ড্রাইভ পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার সড়ক ঘুরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও পরিবহন শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কটি সংস্কারের আওতায় উন্নয়ন কাজ চলছে বিধায় যাবতীয় পরিবহন বাইপাস সড়ক কোর্টবাজার-সোনারপাড়া হয়ে মেরিন ড্রাইভ সংযোগ সড়ক ব্যবহার করে কক্সবাজার সহ বিভিন্ন এলাকায় যাওয়া আসা করছে। তাছাড়া দেশি বিদেশী পর্যটক এ সড়ক ব্যবহার করে সীমান্ত শহর টেকনাফ পাড়ি জমাচ্ছে।
    এমতাবস্থায় সড়কটির বিভিন্ন স্থানে খানা খন্দকে একাকার হয়ে পড়ার কারণে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে বলে দাবী করছেন সড়ক পরিবহন সংশ্লিস্ট বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও বৃহত্তর যাত্রী সাধারণ।
    কোর্টবাজার ট্রাক-মালিক শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি মোঃ শাহজাহান তার মতামত ব্যক্ত করতে গিয়ে সাংবাদিকদের জানান, বর্তমান সময়ের জন্য কোর্টবাজার সোনারপাড়া সৈকত সড়কটি অসম্ভব গুরুত্ব বহন করছে। যেহেতু এ সড়ক দিয়ে ইনানী সহ কক্সবাজার হয়ে বিভিন্ন এলাকায় প্রতিনিয়ত অসংখ্য যাত্রী সাধারণ আসা যাওয়া করছে।
    ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে সড়কটি বিভিন্ন স্থানে খানা খন্দকের সৃষ্টি হয়েছে। এ সড়কটি অবিলম্বে সংস্কারের আওতায় আনা না হলে মনির মার্কেট এলাকায় রেজুখালের ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে যেতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।
    কক্সবাজার জেলা আ’লীগের সদস্য ও অভিলাষ খেলাঘর আসরের সভাপতি কবি আদিল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, মিয়ানমার সামরিক জান্তার অত্যাচার উৎপীড়ন নিপীড়নের শিকার হাজার হাজার রোহিঙ্গা এদেশে আশ্রয় নেওয়ার পর এদেরকে সেবা প্রদানের নামে এনজিওদের ব্যবহৃত হাজার হাজার গাড়ী এ সড়কটি ব্যবহার করে আসছে।
    প্রথম দিকে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গন দেখা দিলে স্থানীয়রা ভারী যানবাহন চলাচলে বাধাঁ প্রদান করেও কোন কাজ হয়নি। ফলে সড়কটি ভারসাম্যহীন হয়ে খানা খন্দ ও ছোটবড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। পর্যটন সড়ক হিসেবে এ সড়কটিকে যতদ্রæত সম্ভব সংস্কার ও সড়কের প্রশস্থতা বাড়ানো একান্ত প্রয়োজন।
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নিকারুজ্জামান চৌধুরী জানান, এ সড়কটি দ্রæত মেরামতের জন্য সড়ক ও জনপদ বিভাগ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য কক্সবাজার সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমার ফোনে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
    তবে স্থানীয় চেয়ারম্যান নুরুল আমিন চৌধুরী জানান, সড়কটির বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ার কারণে যানবাহন চলাচল করছে ঝুঁকি নিয়ে। সড়কটি দ্রæত মেরামতের আওতায় আনার জন্য তিনি সড়ক ও জনপদ বিভাগের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ