শুক্রবার ৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা মরছে মানুষ

কক্সবাজার টেকনাফ সড়কে ভয়াবহ পরিস্থিতি

রফিক উদ্দিন বাবুল, উখিয়া   |   সোমবার, ০৭ অক্টোবর ২০১৯

কক্সবাজার টেকনাফ সড়কে ভয়াবহ পরিস্থিতি

ফাইল ছবি

কক্সবাজারের লিংক রোড থেকে ৭৯ কিলোমিটার দক্ষিন দিকের সড়কে আংশিক সম্প্রসারনের নামে এলোপাথারী খোড়াখুড়ি, গাছ কেঁটে রাস্তার পাশে ফেলে রাখাসহ সময় কালক্ষেপনের ফলে সড়কে তীব্র যানজট লেগেই আছে। যানযটের কারনে প্রতিনিয়ত সড়ক দূঘটনায় প্রাণহানীর সংখ্যা দীর্ঘায়িত হচ্ছে। সর্বশেষ গত শুক্রবার কক্সবাজার সরকারী কলেজের দ্বাদশ শ্রেনির ছাত্রী হুমাইরা নুর সাকী হ্নীলা নিজ বাড়ি যাওয়ার পথে থাইংখালী এলাকায় কার্ভাড ভ্যানের চাপায় পরে ঘটনাস্থলে নিহত হয়। এ ঘটনা নিয়ে অভিভাবক মহোদয়ের মাঝে দেখা দিয়েছে উদ্ধেগ, উৎকন্ঠা। বৃহত্তর যাত্রী সাধারন রাতের বেলায় সড়ক সম্প্রসার রাতের বেলা সড়ক সম্প্রসারনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছেন। কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানায়, ২০১৭ সালে মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা এখানে আশ্রয় নেওয়ার পর ভারী যানবাহন চলাচল বৃদ্ধি পাওয়ার কারনে সড়কের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে পড়ে। এমতবস্থায় উখিয়া ফায়ার ষ্টেশন সার্ভিস থেকে টেকনাফের উংচিপ্রাং পর্যন্ত ২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত সড়ক ১২ ফুট থেকে ২৪ ফুটে উন্নীত করার জন্য গত বছরের আগস্ট মাসের কার্যাদেশ দেওয়া হয় ৪টি স্বনামধন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে। তন্মমধ্যে লিংক রোড থেকে উখিয়া ফায়ার সার্ভিস পর্যন্ত ২৫ কিলোমিটার সড়ক সম্প্রসারনের কাজ পেয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জামিল ইকবাল ও তমা কন্সট্রাকশন।
পরের প্যাকেজ উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন থেকে টেকনাফের উংচিপ্রাং ২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে সালেহ আহমদ ও তাহের বাদ্রাসকে। উখিয়া উন্নয় কমিটির সাধারন সম্পাদক ও প্রেস ক্লাব সভাপতি সরোয়ার আলম শাহীন, সুশাসনের জন্য নাগরিক উখিয়া শাখার সভাপতি নুর মোহাম্মদ সিকদার যৌথ বিবৃতিতে জানান, ঠিকাদারী সংস্থাগুলো প্রভাব খাটিয়ে সড়ক সম্প্রসারন কাজে গাফিলতি করার কারনে সড়কে তীব্র যানজটের পাশাপাশি সড়ক দূঘটনায় মারা পড়ছে বিভিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষ তারা বলেন, রাতের বেলায় সড়ক সম্প্রসারনের কাজ করা হলে সামগ্রিক পরিবেশের দৃশ্যমান উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তবে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাতের বেলায় পর্যাপ্ত আলোর অভাবে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। সড়কে স্থায়ী উন্নয় সমাধানের জন্য সময় কাল ক্ষেপনের বিপরীতে সড়ক ও জনপদ বিভাগকে দায়ী করেছেন বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও যানবাহন সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীরা। এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমার সাথে আলাপ করা হলে তিনি একটু ব্যস্থতার ভাব দিখিয়ে বলেন, আগামী বছরের জুন মাসে সড়ক সম্প্রসারনের কাজ শেষ করা কথা রয়েছে। যেহেতু লিংকরোড থেকে উৎচিপ্রাং ১২ ফুট সড়ককে ২৪ ফুটে উন্নীত করতে হলে টেকসই কাজের জন্য অনেক কিছুর প্রয়োজন রয়েছে যা এ মুহুর্তে বলা সম্ভব নয়।      

Comments

comments

Posted ১:০১ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ০৭ অক্টোবর ২০১৯

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক : তাহা ইয়াহিয়া কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
০১৮১২-৫৮৬২৩৭
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com