• শিরোনাম

    কালারমারছড়ায় জমি অধিগ্রহণকৃত জমির মূল্য প্রতি একরে আড়াই কোটি টাকা করার দাবিতে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    বার্তা পরিবেশক | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ | ১:০৭ পূর্বাহ্ণ

    কালারমারছড়ায় জমি অধিগ্রহণকৃত জমির মূল্য প্রতি একরে আড়াই কোটি টাকা করার দাবিতে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    কালারমারছড়ায় জমি অধিগ্রহণকৃত জমির মুল্য প্রতি একরে আড়াই কোটি টাকা করার দাবিতে মত বিনিময় সভার একাংশ

    মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া চারটি জমির মৌজায় সরকারী মেগা প্রকল্প স্থাপন করতে চিংড়ি প্রজেক্ট, লবণের মাঠ,ধান চাষের জমির অধিকগ্রহনের নোটিশ দেয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ উৎকন্ঠা। ইতিমধ্যে জমির মালিকদের ৪ ধারা নোটিশ ইস্যু করেছে কোল পাওয়ার কর্তৃপক্ষ। জমির মালিকদের দাবি জমি দিবে কিন্তু নায্যমূল্য আড়াই কোটি টাকা নির্ধারণ করতে হবে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে। মহেশখালী উপজেলা ন্যায্য মূল্য উদ্ধৃতি পরিষদ এর আয়োজনে অধিকগ্রহনের জমির ক্ষতিপূরণের টাকা ন্যায্য মূল্যের দাবিতে উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ঝাপুয়া মাদ্রাসার মাঠে (১৩ ডিসেম্বর) শুক্রবার বিকাল ৪ ঘটিকার সময় এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অধিকগ্রহণকৃত জমির মালিক ও সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি রিয়াজ মুরর্শেদের পরিচালনায় আবু তাহের চৌধুরীর সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, কালারমারছড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মীর কাসেম চৌধুরী ও আলহাজ্ব জাবের আহমদ চৌধুরী, রাজনৈতিক নেতা আলহাজ্ব এখলাছুর রহমান চৌধুরী, মৌলভী সোলাইমান, আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ ইসহাক, নূরী হাসান আজাদ, আওয়ামী লীগ নেতা জাকের হোসাইন ও মোরশেদুল আলম, মৌলভী বদিউল আলম, মোঃ মহিম, আমান উল্লাহ, মেম্বার ইয়াছিন, বদরুল আলম ছাদেক, মোস্তাফিজুর রহমান, আলী হোছাইন, নাজেম উদ্দিন প্রমূখ। উক্ত আলোচনা সভায় অধিকগ্রহনকৃত জমির বিপুল সংখ্যাক মালিক উপস্থিত ছিলেন।

    এতে বক্তরা বলেন, এদেশে উন্নয়ন দরকার আছে, তবে আমরা জমি দিতে রাজি আছি,কিন্তু জমির মূল্যে একরে আড়াই কোটি টাকা নির্ধারণ করতে হবে। দাবী না মানলে নায্যমূল্যের দাবিতে সড়কে নেমে মানববন্ধনসহ আন্দোলনের হুমকি দেন বক্তারা।জানাগেছে, কালারমারছড়া ইউনিয়নের কালি গঞ্জ মৌজা ৬ লাখ টাকা একর প্রতি,ঝাপুয়া মৌজা ১২ লাখ টাকা, ইউনুছখালী মৌজা ১২ লাখ ও কালারমারছড়া মৌজার একাংশ ১২ লাখ টাকা। চার মৌজার ১৩শ ৯২ একর জমি অধিকগ্রহন করা হয়েছে ইতিমধ্যে। এসব জমি খতিয়ান ভুক্ত নাল জমি, লবণ, চিংড়ি ঘের ও ধান চাষের জমি। যেখান থেকে বছরের কোটি কোটি টাকা আয় করে আসছেন অত্র এলাকার বাসিন্দারা।জমির মালিকদের দাবি সোনাদিয়া-ঘটি ভাঙ্গা খাসজমি বন্দোবস্তকৃত জমি ২ কোটি ৭০ লাখ একর প্রতি নির্ধারন করা হয়েছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে সমুদ্র বিলাস। তবে আমাদের বাপ-দাদার খতিয়ানভুক্ত জমি কেন এত কম মূল্যে। তা একরে আড়াই কোটি টাকা করার দাবি জানিয়েছেন জমির মালিকরা।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ