• শিরোনাম

    কালিগঞ্জ মৌজার ভূমির মূল্য বাড়াতে জেলা প্রশাসককে ভূমি মন্ত্রণালয়ের চিঠি

     নিজস্ব প্রতিবেদক, মহেশখালী | ২২ আগস্ট ২০২০ | ১০:৩৬ অপরাহ্ণ

    কালিগঞ্জ মৌজার ভূমির মূল্য বাড়াতে জেলা প্রশাসককে ভূমি মন্ত্রণালয়ের চিঠি

    সাগর দ্বীপ    মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের ইউনুচখালী, কালারমারছড়া ও ঝাপুয়া মৌজার মূল্যের সাথে মিল রেখে কালিগঞ্জ মৌজার মূল্য নির্ধারনের জন্য গত ১৮অাগষ্ট কক্সবাজার জেলা প্রশাসককে চিঠি দিয়েছেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধিগ্রহন অধিশাখা-২এর উপসচিব আজিজ হায়দার ভুঁইয়া। যার স্মারক নং- ৩১.০০.০০০০.০৪৮.৬৮.০৪৯.১৮.১২২।কালিগঞ্জ মৌজার  মালিকদের পক্ষে গত ২২ জুলাই   রিয়াজ মোর্শেদ, নুরে হাবিব তসলিম, মোহাম্মদ ইসহাক ও ইয়াসিন আরফাত ভূমি সচিবের বরবারে এক আবেদনের প্রেক্ষিতে  ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জেলা প্রশাসকের কাছে উক্ত চিঠি প্রেরণ করেন।
    জানা যায়,কালারমারছড়া ইউনিয়নের ৪টি মৌজা থেকে কোলপাওয়ার জেনারেসন কোম্পানীর জন্য ১৩৯২একর ভূমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব করা হয়েছে। অধিগ্রহণের প্রস্তাবকৃত সব জমির শ্রেণী নাল।   পাশা-পাশি উক্ত জমিতে লবণও  চিংড়ী উৎপাদন এবং বর্গাচাষের ধরণও একই।এ অবস্হায় কক্সবাজার এল এ শাখা থেকে  কালিগঞ্জ, কালারমারছড়া, ঝাপুয়া ও ইউনুচ খালী মৌজার জমি অধিগ্রহনের জন্য ২০১৯ সালের ২জানুয়ারী জমির মালিকদের কাছে ৪ ধারা নোটিশ জারী করেন। যার এল এ মামলা নং০৩/২০১৮-২০১৯।
    সকল মৌজার জমির মালিক পক্ষ ৪ধারা নোটিশ পেয়ে ৪টি মৌজার জমির মূল্য একই রকম নির্ধারণ করার জন্য ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত ভাবে আবেদন করেন। জেলা প্রশাসক উক্ত আবেদন আমলে নিয়ে শুনানী করার জন্য অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)কে দায়িত্ব দেন। কিন্ত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তা শুনানী না করে ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেন্বর ৭ ধারা নোটিশ জারী করেন। কালিগঞ্জ মৌজার জমির মালিকরা ৭ ধারা নোটিশ জারীর পর জানতে পারে কালারমার ছড়া, ঝাপুয়া, ইউনুচ খালী মৌজার জমির মূল্যের সাথে কালিগঞ্জ মৌজার জমির মূল্য মিল না রেখে আকাশ-পাতাল ব্যবধান করে কালিগঞ্জ মৌজার মূল্য নির্ধারন করেন। যার মূল্য প্রতি একরে ৩ গুন হারে ঝাপুয়া মৌজার ৯৭ লাখ টাকা, কালারমারছড়া মৌজার ৭৩ লাখ টাকা, ইউনুচখালী ১ কোটি ৯ লাখ টাকা। কিন্তু কালিগঞ্জ মৌজার জমির মূল্য ৩গুন হারে ২২লাখ টাকা। এতে কালিগঞ্জ মৌজার জমির মালিকরা চরম বৈষমের শিকার হয়েছেন।পাশা-পাশি চরম হতাশায় ভোগছেন  ।
    ফলে কালিগঞ্জ মৌজার  জমিনের মূল্য অন্য তিন মৌজার ন্যায় নির্ধারণ করার দাবীতে গেল  ১১ ফেব্রুয়ারী কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে  প্রধানমন্ত্রীর বরাবর একটি আবেদন করেন। এছাড়া সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিক, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা সহ কালিগঞ্জ মৌজার জমির মালিকরা জমির মূল্য ঐ তিন মৌজার সমান করার জন্য ২৩ ফেব্রুয়ারী কক্সবাজারে ভূমি মন্ত্রীকে বিষয়টির উপর আবেদন আকারে অবহিত করেন। একই দিন বিকালে জেলা প্রশাসকের সন্মেলন কক্ষে অনুষ্টিত সভায় কালিগঞ্জ মৌজার জমির মূল্য অন্য তিন মৌজার জমির মূল্যের সাথে একই রকম নির্ধারন করার জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন। মন্ত্রীর নির্দেশ পেয়ে ও জেলা প্রশাসক কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করায় কালিগঞ্জ মৌজার জমির মালিকরা এলাকায় মানব বন্ধন  ও করেন।
    এমন কি কোন উপায় না দেখে কালিগন্জ  মৌজার জমিনের মালিকরা তাদের সপক্ষে বিভিন্ন কাগজ পত্র সংযুক্ত করে গত ২২জুলাই ভূমি মন্রনালয়ে লিখিত অাবেদন করেন।তাদের অাবেদন যাচাই-বাচাই করার পর কালারমারছড়ার অন্য তিন মৌজার মূল্যের ন্যায় কালিগন্জ মৌজার  মূল্য নির্ধারনের জন্য ভূমি মন্ত্রনালয়ের উপসচিব অাজিজ হায়দার ভূঁইয়া ১৮ অাগষ্ট কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কাছে একটি চিঠি প্রেরণ করেন।এতে স্বস্তি ফিরে অাসে জমিনের মালিকদের মাঝে।
    উল্লেখ্য মহেশখালী উপজেলা থেকে বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের জন্য ১৮টি মৌজা থেকে অধিগ্রহনকৃত জমির মালিকদের ন্যায় কালিগঞ্জ মৌজার জমির মালিকরা তাদের একমাত্র আয়ের উৎস ছেড়ে দিয়ে সরকারের মেগা উন্নয়ন প্রকল্পে অংশীদার হতে তাদের কোন দ্বিমত নেই। কিন্ত অধিগ্রহন কৃত জমির এল এ মামলা একটি।এ ছাড়া শ্রেণীও একই বিদায়  অন্য তিন মৌজার ন্যায় কালিগন্জ মৌজার   মূল্য নির্ধারণের জোর দাবী জানান।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ