সোমবার ৩০শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থ্যা কোস্ট ট্রাস্টের সহযোগিতা অব্যাহত

কুতুবদিয়ায় বেড়ীবাধ ভেঙ্গে ১৫ গ্রাম প্লাবিত : উদ্বিগ্ন দেড় লক্ষ মানুষ

বার্তা পরিবেশক   |   শনিবার, ১০ আগস্ট ২০১৯

কুতুবদিয়ায় বেড়ীবাধ ভেঙ্গে ১৫ গ্রাম প্লাবিত : উদ্বিগ্ন দেড় লক্ষ মানুষ

কুতুবদিয়ায় বেড়ীবাধ ভেঙ্গে ১৫ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে দ্বীপের দেড় লক্ষ মানুষ। আপাতত ভাঙ্গন ঠেকাতে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থাা কোস্ট ট্রাস্টের চেষ্টা এবং ক্ষতিগ্রস্থাদের সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। গত চার যুগে কুতুবদিয়া দ্বীপের একটি বড় অংশ বঙ্গোপ সাগরে ভেঙ্গে চলে গেছে। একের পর এক বড় বড় ঝড়ে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গেছে এবং ভাঙ্গঁছে। দ্বীপের অধিবাসীরা প্রিয় মাতৃভূমি কুতুবদিয়া ছেড়ে ধীরে ধীরে চলে যাচ্ছে। দ্বীপের এক তৃতীয়াংশ বেড়িবাঁধ অরক্ষিত। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নি¤œচাপের প্রভাবে বৈরী আবহাওয়া, বর্ষণ এবং সামুুদ্রিক জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক ফুট বৃদ্ধি পাওয়ায় দ্বীপের বেড়িবাঁধের কমপক্ষে পনেরটি স্থাান জোয়ার ভাটার পানিতে একাকার হয়ে গেছে। চলতি পূর্ণিমার জোয়ারে প্লাবিত হয়েছে পনেরটি গ্রাম। জোয়ারের লোনা পানিতে কয়েক হাজার একর ফসলি জমি ও বিপুল পরিমান বীজতলা পানিতে তলিয়ে গেছে।

টেকসই বেড়িবাঁধের অভাবে টিকে থাকা নিয়ে উদ্বিগ্ন দ্বীপের দেড় লক্ষ মানুষ। সকাল সন্ধ্যা জোয়ারের পানিতে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে জনবসতি। উপজেলার দেড় লক্ষ মানুষের স্বাভাবিক বসবাস ও জানমাল রক্ষার্থে টেকসই বেড়িবাঁধ পুণ:নির্মান করা খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে। অন্যথায় ইতিহাস থেকে এই দ্বীপটি হারিয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। এলাকার জনপ্রতিনিধি এবং স্থাানীয় ভুক্তভোগী মানুষজন ক্রমাগতভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ভাঙ্গন রোধে। অন্তত স্থাায়ীভাবে কাজ শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত কিছুটা হলেও যেন প্রাণের দ্বীপ রক্ষাপায় সেই চেষ্টায় স্থাানীয়রা চালিয়ে যাচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন মাসিক এনজিও সমন্বয় সভায় বিভিন্ন এনজিও এর কাছে আপদকালীন কিছু সহায়তা চেয়েছেন বেড়িবাঁধ নির্মানের জন্য।

উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট ফরিদুল আলম এবং বড়ঘোপ ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আ.ন.ম ছোটন সহ সংশ্লিষ্ট জনের বিশেষ অনুরোধে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থাা কোস্ট ট্রাস্ট আপাতত ভাঙ্গন ঠেকাতে পঞ্চাশ হাজার খালী বস্তা এবং চার মণ সুতলী দিয়ে সহায়তা করেছেন। উল্লিখ্য যে, গত ৪ আগষ্ট ক্ষতিগ্রস্থা ২০০টি পরিবারের মাঝে এসিল্যান্ড সুপ্রভাত চাকমার উপস্থিাতিতে ১০ কেজি করে চাল এবং ১ কেজি করে ডাল দিয়ে সহযোগিতা করা হয়েছিল। স্থাায়ী এবং টেকসই বাঁধ নির্মানের আগ পর্যন্ত এই ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে জানান কোস্ট ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম চৌধুরী।

Comments

comments

Posted ১:১৬ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, ১০ আগস্ট ২০১৯

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক : তাহা ইয়াহিয়া কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
০১৮১২-৫৮৬২৩৭
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com