• শিরোনাম

    কোহেলীয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে শিগগিরই দরপত্র আহ্বান

    দেশবিদেশ অনলাইন ডেস্ক | ৩০ আগস্ট ২০১৯ | ৯:৪০ অপরাহ্ণ

    কোহেলীয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে শিগগিরই দরপত্র আহ্বান

    মাতারবাড়ির কোহেলীয়া ৭০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ছয় প্রতিষ্ঠান সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা পেয়েছে। যৌথ উদ্যোগে মাতারবাড়িতে কেন্দ্রটি নির্মাণে রাষ্ট্রীয় কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি (সিপিজিসিবিএল)-এর সঙ্গী হয়েছে সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রীয় কোম্পানি সেম্বকর্প। সংক্ষিপ্ত তালিকায় থাকা কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে এখন দরপত্র (আর্থিক প্রস্তাব) আহ্বান করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

    সিপিজিসিবিএল সূত্র বলছে, কেন্দ্র নির্মাণে মাতারবাড়ি কোহেলীয়া নদীর পাশে জমি উন্নয়ন কাজ চলছে। একইসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের কাজও চলছে। কোহেলীয়া নদীর নাম অনুসারে কেন্দ্রটির নাম দেওয়া হয়েছে কোহেলীয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র।

    কারিগরি যোগ্য বিবেচিত হওয়া কোম্পানিগুলো হচ্ছে, যৌথভাবে কোরিয়ার হুন্দাই ও জাপানি কোম্পানি ইতোচু, যৌথভাবে কোরিয়ার পোসকো ও ভারতের এলএনটি, যৌথভাবে জাপানের মিটসুবিসি করপোরেশন ও হেভি ইন্ড্রাস্ট্রিজ, চিনের সেপকো থ্রি, কোরিয়ান কোম্পানি দোসান এবং দাইয়ু পৃথকভাবে কারিগরি প্রস্তাব জমা দেয়।

    বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির ফিজিবিলিটি স্টাডির কাজ শেষ। এখন পরিবেশগত প্রভাব সমীক্ষা (ইআইএ) অনুযায়ি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্র স্থাপনে পরিবেশ ও সামাজিক প্রভাব সমীক্ষার কাজ চলছে।

    কেন্দ্রের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে জার্মানির কোম্পানি মেসার্স ফিশনার দায়িত্বে রয়েছে। কোম্পানিটি এখন আর্থিক প্রস্তাব তৈরির কাজ করছে। চলতি বছরের মধ্যে এসব কোম্পানির কাছে আর্থিক প্রস্তাব আহ্বান করা হবে।

    সিপিজিসিবিএল সূত্র জানায়, প্রকল্পের ১ হাজার ২৯২ দশমিক ৬৩ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। ভূমির দখলস্বত্ব বুঝে পাওয়া গেছে। কেন্দ্রটির জমি অধিগ্রহণের ভৌত অগ্রগতি ৭৩ ভাগ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৬৬ দশমিক ৭৬ ভাগ। জেলা প্রশাসক অফিসের মাধ্যমে জমির মালিকদের চেক দেওয়ার কাজ চলছে এখন।

    প্রকল্পের টেকনিক্যাল ফিজিবিলিটি স্টাডির চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়া গিয়েছে। সীমানা পিলার ও ফেন্সিং নির্মাণ কাজ শেষ। পুনর্বাসন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কাজে সহায়তা দেওয়ার জন্য ২০১৭ সালের ডিসেম্বর থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের এককালীন অনুদান দেওয়ার কাজও শুরু হয়েছে।

    এই প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে আছেন সিপিজিসিবিলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মনিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘সিঙ্গাপুর সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে এই কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। আমাদের জমি কেনা হয়ে গেছে। জমির পাশে বাঁধ-নির্মাণের কাজ চলতেছে। বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বিদ্যুতের লাইন তৈরির কাজ চলছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য আলাদা রাস্তা করা হচ্ছে। এছাড়া আনুষঙ্গিক কাজগুলো শুরু করা হয়েছে।’

    সিপিজিসিবিএলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আরও বলেন, ‘পুনর্বাসনের জন্য একটি এনজিওকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালে কেন্দ্রটি উৎপাদনে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এরইমধ্যে আমরা জার্মানির পরামর্শক নিয়োগ দিয়েছি। ইপিসি (ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন) নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন আছে।’ শিগগিরই কেন্দ্র স্থাপনে আর্থিক প্রস্তাব দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

    দেশবিদেশ /নেছার

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    মাতারবাড়ী ঘিরে মহাবন্দর

    ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ