শনিবার ৮ই অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

খুটাখালী বাস ষ্টেশনে কোথাও পিচের চিহ্ন নেই!

সেলিম উদ্দীন, ঈদগাঁও,   |   শনিবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৮

খুটাখালী বাস ষ্টেশনে কোথাও পিচের চিহ্ন নেই!

কক্সবাজার চট্রগ্রাম মহাসড়কের খুটাখালী বাস ষ্টেশনে কোথাও পিচের চিহ্ন নেই। টানা বৃষ্টির কারণে ষ্টেশন-বাজার কাদা পানিতে একাকার হয়ে গেছে। সড়েকের গর্তে পানি জমে দূর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। ষ্টেশন দিয়ে খুব ধীর গতিতে যানবাহন চলাচল করছে। ইট ও খোয়া উঠে একাধিক স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ছোট-বড় এসব গর্তে বৃষ্টি হলেই জমে পানি। রোদ উঠলে সড়কে ধুলা উড়ে। ফলে সড়কটি দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ।
প্রায় বছর ধরে এ মহাসড়কের বেহালদশা চলছে। চট্রগ্রাম- কক্সবাজারের মধ্যে চলাচলকারী মহাসড়ক এটি। খুটাখালী বাস ষ্টেশন থেকে উত্তরে ডুলাহাজারা বাজার ও দক্ষিনে নতুন অফিস বাজার পর্যন্ত সড়কের এ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় সাড়ে ৩ কিলোমিটার। এটি চট্রগ্রাম- কক্সবাজার মহাসড়ক হিসেবে পরিচিত।
খুটাখালী বাজারের ব্যবসায়ী ফখরুল কায়ুম ছাদেক জানান, বৃষ্টি হলে বাস ষ্টেশন ও হাফেজখানা রাস্তা কাদা পানিতে একাকার হয়ে যায়। চলাচল করা যায় না। ছোট ছোট গর্তে যানবাহনের চাকা পড়ে উল্টে যায়। প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। রাস্তার ধুলায় ব্যবসা প্রতিষ্টানে বসা কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
মসজিদ মার্কেটের ফল ব্যবসায়ী ছৈয়দুর রহমান বলেন, রোদ হলেতো বাস ষ্টেশন এলাকায় ধুলায় একাকার হয়ে যায়। এ মহাসড়ক দিয়ে ঘন্টায় ১০০টির বেশি গাড়ি চলাচল করে। একটি গাড়ি যাওয়ার পরেই পেছনে ধুলায় আর কিছু দেখা যায় না। যত্রতত্র গর্তের ফলে প্রায়ই মুখোমুখি যানবাহনের সংঘর্ষ ঘটে।
কিশলয় স্কুলের ছাত্রী নাজমা খাতুন জানান, এই সড়কের পাশে দিয়ে যাওয়ার সময় আমাদের জামা কাপড় কাদা পানি ও ধুলায় নষ্ট হয়ে যায়। ডুলাহাজারা কলেজের ছাত্র আরমান উদ্দিন জানান, মহাসড়কের গর্তের কাদা পানির কারণে খুব কষ্টে আছি। কলেজ ড্রেস ও শরীর মুখমন্ডল কাদা পানিতে একাকার হয়ে যায়।
এ বিষয়ে খুটাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুর রহমান বলেন, সড়কটি সওজের অধীনে। অপরদিকে বাজারস্থ হাফেজখানা সড়কটি এলজিইডির। এটি সংস্কারে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে একাধিকবার এলজিইডিকে চিঠি দেয়া হয়েছে। মহাসড়কের খুটাখালী বাস ষ্টেশন এলাকা বেশ কয়েকবার সংস্কার করাও হয়েছে। তবে তা মানসম্মত না হওয়ায় স্থায়ী হয়নি।
কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) এর নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, এই সড়কটি একাধিকবার সংস্কার করা হয়েছে। অতিরিক্ত ওজন যানবাহন চলাচলের ফলে সড়কটি বারবার ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। খুটাখালীসহ বিভিন্ন ষ্টেশনের ব্যাপারে উর্দ্ধতন কর্তৃপকে অবহিত করেছি। এব্যাপারে শীঘ্রই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Comments

comments

Posted ১:৪৮ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৮

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

প্রকাশক
তাহা ইয়াহিয়া
সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
01870-646060
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com