শুক্রবার ২৭শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম
উখিয়ায় পাহাড় কাটা থামছেনা, বনবিভাগ নিরব

ঘুমধুমে পাহাড় কর্তন করতে গিয়ে রোহিঙ্গা শ্রমিকের মৃত্যু

শফিক আজাদ, উখিয়া   |   রবিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০১৮

ঘুমধুমে পাহাড় কর্তন করতে গিয়ে রোহিঙ্গা শ্রমিকের মৃত্যু

উখিয়ার উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নির্বিচারে পাহাড় কাটা চলছে। এক শ্রেণীর অসাধু ব্যক্তি প্রভাব বিস্তার করে এসব পাহাড় কর্তন অব্যাহত রাখলেও দেখার কেউ নেই। সংশ্লিষ্ঠ বন বিভাগ রয়েছে নিরব। যারই ধারাবাহিকতায় রবিবার রাত আড়াইটার দিকে উখিয়ার পার্শ্ববতী নাইক্ষ্যংছড়িতে অবৈধভাবে পাহাড় মাটি কাটতে গিয়ে এক রোহিঙ্গা শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তার নাম নুরুল কাশেম (২৫)। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো একজন রোহিঙ্গা। উত্তর ঘুমধুমের কচুবনিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ওসি (তদন্ত) ইমন চৌধুরী।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে, এ উপজেলার কুতুপালং সংলগ্ন উত্তর ঘুমধুম কচুবনিয়া এলাকার জনৈক আপন বড়ুয়ার নেতৃত্বে একটি পাহাড় খেকো সিন্ডিকেট অবৈধভাবে পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি করে আসছিল দীর্ঘদিন থেকে। একইভাবে রবিবার ভোর রাতে শ্রমিক দিয়ে পাহাড় কেটে ৫/৬ টি ডাম্পার গাড়িতে মাটি ভর্তি করছিল। এমন সময় পাহাড়ের মাটি চাপা পড়ে রোহিঙ্গা শ্রমিক নুরুল কাশেম মারা যান। সে কুতুপালংয়ের লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্লক-সি-১৬ এর বাসিন্দা জাহেদ হোছনের ছেলে। একই ঘটনায় আহত আরো একজন শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সরজমিন দেখা গেছে, উপজেলার তুতুরবিল, রাজাপালং হরিণমারা, দুছড়ি, টিএন্ডটি, মধুরছড়া, লম্বাশিয়া, ভালুকিয়া, বালুখালী, থাইংখালী, পালংখালী ও ঘুমধুম ইউনিয়নের কচুবনিয়া, আমতলি, কোনারপাড়া সহ প্রায় ২০/২৫টি এলাকায় একত্রে অবৈধ ভাবে পাহাড় কর্তন অব্যাহত রয়েছে। যার ফলে মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয়ের আশংখা করছেন সচেতন মহল।
কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সাইফুল আশরাফ বলেন, পাহাড় কর্তন করে মাটি বিক্রি করার কারনে পরিবেশের মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। তাই এ ধরনের কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলেও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইনানীর বনরেঞ্জ কর্মকর্তা ইব্রাহিম হোসেন বলেন, মাটি এবং অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে গত ৩দিন আগে তুতুরবিল এলাকা থেকে ৩টি ডাম্পার জব্ধ করে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। এ ধরনের পাহাড় কর্তনের অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উখিয়ার সহকারি বন সংরক্ষক কাজী তারিকুর রহমান জানান, কেউ মাটি কেটে পাহাড় ধ্বংস করে থাকলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে এতে কোন সন্দেহ নেই।

Comments

comments

Posted ১০:৩২ অপরাহ্ণ | রবিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০১৮

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

প্রকাশক
তাহা ইয়াহিয়া
সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
01870-646060
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com