রবিবার ১লা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

চলাচলে জীবন ঝুঁকি শহরে ভাঙ্গা রাস্তায় জলাবদ্ধতা

তারেকুর রহমান   |   শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১

চলাচলে জীবন ঝুঁকি শহরে ভাঙ্গা রাস্তায় জলাবদ্ধতা

বৃষ্টির পানিতে কক্সবাজার শহরের রাস্তাঘাট নদীতে পরিণত হয়। চলাচল প্রায়ই বন্ধ থাকে আর বাড়ে ভোগান্তি। সড়কগুলোর অব্যবস্থাপনা এখন মানুষের চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় কোমর সমান বৃষ্টির পানিতে ঘটে দুর্ঘটনা এবং গর্তে পড়ে যানবাহন। শহরের মানুষের এই দুঃখ-কষ্ট যেন দেখার কেউ নেই। বিশেষ করে শহরের প্রধান সড়কের অবস্থা খুবই নাজুক। অনেক জায়গায় পানি আর পানি। থৈ থৈ করা পানিতে চলার রাস্তা খুঁজে পাওয়া যায় না। এ অবস্থায় প্রতিদিন আহত হচ্ছে পথচারিরা। ভাঙ্গা রাস্তায় জলাবদ্ধতার কারণে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) শহরের কয়েকটি স্থানে বৃষ্টির পানিতে রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। এতে যানবাহন চলাচলে বিঘœ সৃষ্টির পাশাপাশি জরুরী কাজে বের হওয়া সাধারণ মানুষকে ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। এই ভোগান্তির যেন শেষ নেই। সকাল থেকে শহরের প্রাণকেন্দ্র বার্মিজ মার্কেট, বাজারঘাটা, টেকপাড়া ও বড় বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার দৃশ্য চোখে পড়ে। বর্ষা আসতে না আসতেই শহরের খারাপ রাস্তাঘাট ও বৃষ্টিতে তলিয়ে যাওয়ায় কর্তৃপক্ষের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সাধারণ মানুষ। সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির পানিতে সিএনজি, টমটম, রিকশার চাকা ডুবে যাচ্ছে এবং গর্তে ডুকে গিয়ে দুর্ঘটনার সৃষ্টি হচ্ছে। বাধ্য হয়ে সে অবস্থাতেই চলাচল করছে যানবাহনগুলো। সব মিলিয়ে ব্যাপক ভোগান্তিতে পোহাতে হচ্ছে অফিস ও নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে বের হওয়া সাধারণ মানুষদের। বামির্জ মার্কেট এলাকার বাসিন্দা আনসার হোসাইন বলেন, ‘বাংলাদেশে আমাদের মতো কষ্ট ও ভোগান্তিতে আর কোন শহরের মানুষে আছে বলে মনে হয় না। কবে রাস্তাঘাট নিয়ে সুখ পাবো জানিনা। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তাঘাট নদীতে পরিণত হয়। গাড়ি পাওয়া যায় না। গাড়ি পাবো কীভাবে, রাস্তাঘাট ভালো থাকলেই তো গাড়ি চলাচল করতে পারবে।’ স্বাস্থ্যকর্মী ঊর্মি রাণী দাশ বলেন, ‘সকালে অনেক কষ্ট করে হাসপাতালে এসেছি। দুপুরের বিরতিতে বাড়ি যেতে পারছি না। কোথাও রিকশা পাচ্ছি না। যে ক’টা পাই তারা বার্মিজ মাকের্ট যেতে চায় না ডুবে যাওয়ার ভয়ে। কোনো রকমে হেঁটে হেঁটেই ভাঙ্গা রাস্তা পার হয়ে বাড়ি যাচ্ছি। বর্ষার আসার আগেই এ দশা হলে তো শহরে বন্যা হয়ে যাবে।’ শহরের রিকশা চালক মহি উদ্দিন বলেন, ‘বৃষ্টি হলে টমটম সিএনজিগুলো তেমন চলে না। তখন আমরা কিছু ভাড়া পাই। কিন্তু অতিবৃষ্টির কারণে শহরের রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় আমাদের রিকশা আর চলানো সম্ভব হয়না। কারণ রাস্তাঘাটের বড় বড় গর্তে পড়ে রিকশা। তখন লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি হবে।’

Comments

comments

Posted ৩:৩৫ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক : তাহা ইয়াহিয়া কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
০১৮১২-৫৮৬২৩৭
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com