• শিরোনাম

    নিষেধাজ্ঞার সময় শেষ হচ্ছে

    জেলার অর্ধ লক্ষাধিক জেলে সাগরে যাওয়ার প্রস্তুতি

    দীপক শর্মা দীপু | ২২ জুলাই ২০১৯ | ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ

    জেলার অর্ধ লক্ষাধিক জেলে সাগরে যাওয়ার প্রস্তুতি

    বঙ্গোপসাগর থেকে মৎস্যসহ মূল্যবান প্রাণিজ সম্পদ আহরনে নিষেধাজ্ঞার সময় সীমা আগামীকাল শেষ হচ্ছে। পরদিনই সাগরে মাছ আহরনে যাবে কক্সবাজার জেলার ৫০ হাজারের বেশি জেলে। দুই মাস পর মাছ আহরনের কারনে সাগর থেকে বেশি মাছ পাওয়া যাবে এমন বড় আশায় বুক বেধেছেন জেলারা।
    বঙ্গোপসাগরে মৎস্যসহ মূল্যবান প্রাণিজ সম্পদের ভান্ডারের সুরক্ষায় ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করে সরকার। ইলিশের জাটকা নিধনে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সফলতাকে অনুসরণ করে বঙ্গোপসাগরে মৎস্যসহ মূল্যবান প্রাণিজ সম্পদের ভান্ডারের সুরক্ষায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সামুদ্রিক মাছের পাশাপাশি চিংড়ি, কাঁকড়ার মতো ক্রাস্টেশান আহরণও রয়েছে এই নিষেধাজ্ঞার আওতায়। সমুদ্রে মৎস্য আহরণ নিষেধাজ্ঞার ফলে মাঝি-মাল্লারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুইমাস পর্যন্ত মৎস্য খাতের উপর নির্ভরশীল মানুষকে নিদারুন কষ্টভোগ করতে হয়। অবশেষে সেই দুইমাসের সময় সীমা শেষ হয়েছে। এখন জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা প্রস্তুতি নিচ্ছে সাগরে যাওয়ার। ২৪ জুলাই থেকে সাগরে মাছ আহরনে যাবে সব জেলে মাঝি। মাছ ধরার ট্রলারগুলো আগে থেকে রয়েছে প্রস্তুত। এসব কথাগুলো বলেন, জেলা ফিসিং বোট মালিক সমিতির সাংগঠনিক মোস্তাক আহমদ। তিনি বলেন, অর্ধ লক্ষাধিক জেলে হলেও জেলায় মৎস্য সেক্টরে জড়িত রয়েছে ৫ লক্ষাধিক মানুষ। এই ৫ লাখ মানুষ দীর্ঘ দুইমাস অপেক্ষা করেছে, ধৈর্য্য ধরেছে। এখন সবাই আশা করছেন আগের চেয়ে মাছ আহরণ বেশি হবে। তা না হলে দুইমাসে কষ্ট লাগব হবেনা। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট পরিচালিত গবেষণামতে মে মাসের শেষের দিক থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে বিচরণরত মাছসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণির প্রজননকাল। একারণেই সাগরের মৎস্যসহ বিভিন্ন মূল্যবান প্রাণিজ সম্পদ রক্ষার পাশাপাশি ভা-ার বৃদ্ধিতে দীর্ঘসময় মাছ আহরণের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে সরকার। এরই আলোকে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়।
    জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস.এম. খালেকুজ্জামান জানান, আগে সমুদ্রে বিভিন্ন প্রকার বড়বড় মাছ পাওয়া যেত। যা এখন পাওয়া যায়না। এসব মাছের প্রজনন সময় ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয় বলে জানান জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস.এম. খালেকুজ্জামান। দীর্ঘ দুইমাস মাছ আহরণ বন্ধ থাকায় এখন সাগর মৎস্য ভান্ডারে পরিণত হয়েছে। বড় আকারের মাছসহ প্রচুর মাছ জেলেদের জালে ধরা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
    তিনি বলেন, জেলায় ৪৮ হাজার ৩৯৩ জন নিবন্ধিত জেলে রয়েছে। এছাড়াও অনিবন্ধিত জেলে রয়েছে অনেক। দুই মাস মাছ আহরণ বন্ধ থাকার কারনে এসব জেলেসহ সংশ্লিষ্ট সবাই ্উপকৃত হবেন।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ