মঙ্গলবার ২২শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

জেলায় জমি বেচা-কেনায় নতুন দুর্ভোগের শঙ্কা

  |   সোমবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২১

জেলায় জমি বেচা-কেনায় নতুন দুর্ভোগের শঙ্কা

বিশেষ প্রতিবেদক:
কক্সবাজার জেলায় জমি বেচা-কেনায় নতুন করে দুর্ভোগের শংকা দেখা দিয়েছে। জমি বেচা-কেনায় একের পর এক আইনি মারপ্যাচের গ্যাড়াকলে পড়ে এসব দুর্ভোগের মুখোমুখি হচ্ছে জমির মালিকরা। সম্প্রতি জেলা প্রশাসন নতুন করে আরও একটি যাচাই-বাছাইয়ে মৌখিক নির্দেশের ফলে এই দুর্ভোগ আরও দুর্ভোগ বাড়াবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, কক্সবাজারকে পর্যটন বিকাশের স্বার্থে মাষ্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের জন্য ২০১৩ সালে ৩৩টি মৌজার জমি বেচা-কেনায় জেলা প্রশাসনের (কালেক্টর) অনুমতির বিধান চালু করে। জেলার ৫টি উপজেলা যথাক্রমে উখিয়া, টেকনাফ, রামু, মহেশখালী ও কক্সবাজার সদর উপজেলার এসব মৌজায় জমি বেচা-কেনায় এই অনুমতির আওতায় ছিল। দীর্ঘ দিন ধরে এসব অনুমতিপত্র নিতে অতিরিক্ত টাকা খরচের পাশাপাশি নানা জটিলতায় সীমাহীন দুর্ভোগে পোহাচ্ছিলেন দাতা-গ্রহীতারা। কিন্তু, সম্প্রতি জেলা প্রশাসক আগের নিয়মে বেচা-কেনার অনুমতি পাশাপাশি নতুন করে আরও একটি মৌখিক আদেশ প্রদান করে। এই আদেশে বলা হয়েছে এখন থেকে জমি বেচা-কেনার আবেদনপত্র সংশ্লিষ্ট উপজেলার সহকারি ভুমি কমিশনারের অফিসে পাঠানো হবে। ওই অফিসেই জমির বিষয়াদি তদন্ত পূর্বক জেলা প্রশাসনে প্রতিবেদন পাঠানো হবে। এই প্রতিবেদনের পরই জেলা প্রশাসন থেকে অনুমতিপত্র পাওয়া যাবে। দাখিলের জন্য নতুন জেলা প্রশাসকের মৌখিক আদেশে দুর্ভোগের উপর নতুন করে দুর্ভোগে পড়েছে তারা।

কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়নের ভ‚ক্তভোগী আব্দুর রহিম জানান, ‘আমার মেয়ের বিয়ের জন্য কিছু জমি বিক্রি করতে গিয়ে নতুন জটিলতায় পড়তে হয়েছে। প্রথমে জেলা প্রশাসকের অনুমতি নিয়ে জমি বিক্রি করার বিধান থাকলেও এখন জেলা প্রশাসকের নতুন আদেশ জারি হওয়ায় বিলম্ব হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। একারণে আমার মেয়ের বিয়ের অনিশ্চিয়তা পড়ছে। একদিকে মেয়ের হবু বরের বিদেশ যাত্রায় তাড়াহুড়া, অন্যদিকে জেলা প্রশাসনের আইনী জটিলতা। নানা চিন্তায় দিন যাচ্ছে আমার।’

শুধু আব্দুর রহিম নয়, নিজের জমি বিক্রি করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন অনেকেই। নানা প্রয়োজনে জমি বিক্রি করতে জেলা প্রশাসনের একের পর এক আদেশে জমি দাতা-গ্রহীতারা বিড়ম্বনায় পড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে জমি বেচা-কেনার অনুমতিপত্র চেয়েও পাচ্ছেন না।

জানতে চাইলে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো: আমিন আল পারভেজ বলেন, ‘জনস্বার্থে অধিকতর তদন্তের জন্য জেলা প্রশাসন মৌখিকভাবে একটি নতুন আদেশ জারি করেছে। এই আদেশের ফলে জমি দাতা-গ্রহীতাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতা নিশ্চিত হবে এবং জমি রেজি: করার পরবর্তীতে কোন ধরনের ঝামেলায় পড়তে হবে না। এতে করে সবার জন্য উপকার বয়ে আনবে’।

এডিবি/জেইউ।

 

Comments

comments

Posted ১২:০৩ অপরাহ্ণ | সোমবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২১

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

(191 বার পঠিত)

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক : তাহা ইয়াহিয়া কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
০১৮১২-৫৮৬২৩৭
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com