শনিবার ২৮শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম
বাড়তে পারে তাপদাহ

জেলায় মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা

দীপক শর্মা দীপু   |   বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯

জেলায় মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা

কক্সবাজারে গতকাল ২৩ এপ্রিল ৩৭.১৬ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। যা কক্সবাজারে চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। এই তাপমাত্রা আরো ৪ দিন পর্যন্ত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া আগামি মে মাসের প্রথমদিকে রয়েছে ঘুর্ণিঝড়ের প্রভাব।
সারাদেশে তাপমাত্রা গত কয়েকদিন ধরে একটু একটু বেড়ে ব্যারোমিটারের পারদে ৩৬ ডিগ্রি সেলিসিয়াসের ওপরে উঠে গেল। এই মাত্রা বেড়েই চলেছে। গতকাল ২৩ এপ্রিল ছিল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কক্সবাজারে । কক্সবাজারে ৩৭.১৬ ডিগ্রি সে. তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
কক্সবাজার আবাহাওয়া অফিসের সিনিয়র অভজারভার আরিফুর রহমান জানান, চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ মাত্রা ৩৭.১৬ ডিগ্রি সেলিসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে ২৩ এপ্রিল। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭.০২ রেকর্ড করা হয়েছে ২২ এপ্রিল। ক্রমান্বয়ে তাপমাত্রা বাড়তে পারে অন্তত আরো ৪ দিন। ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলিসিয়াস তাপমাত্রা বলা হয় মৃদু বা মাঝারি তাপপ্রবাহ। ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলিসিয়াস তাপমাত্রাকে তীব্র তাপপ্রবাহ বলা হয়। কক্সবাজারে বর্তমানে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে চলছে। যা ক্রমান্বয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরো জানান, আগামি মে মাসের প্রথম দিকে ঘুর্ণিঝড়ের প্রভাব রয়েছে। ঘুর্ণিঝড়টি শক্তিশালী হয়ে আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে।
তাপপ্রবাহের কারনে জনজীবন দূর্বিষহ হয়ে ওঠেছে। শ্রমজীবী মানুষদের প্রতিদিন হিমশীম খেতে হচ্ছে তাদের কর্মক্ষেত্রে। একদিন কাজে গেলে পরের দিন আর কাজে যেতে পারেনা। শহরের রিক্সাচালক সাইফুল জানান, দিনে শুধুমাত্র ৪ থেকে ৬ ঘন্টা রিক্সা চালাতে গিয়ে হিমশীম খেতে হচ্ছে। আর এই ৬ ঘন্টা রিক্সা চালিয়ে সংসারের খরচ চালানো সম্ভব হচ্ছেনা।
একইভাবে প্রত্যেক পেশাজীবীর মানুষরা গরমের কষ্টভোগ করে তাদের কর্মক্ষেত্রে সময় পার করছেন। কর্মক্ষেত্রে সবাই দুর্বল হয়ে পড়ছেন। শিক্ষার্থীদের অনেকে স্কুলে কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। তবে বিভিন্ন কিন্ডার গার্টেন ও সরকারি প্রাইমারি স্কুলে প্রথম সাময়িক পরীক্ষা থাকার কারনে কচি শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামুলক স্কুলে যেতে হচ্ছে।
এদিকে তীব্র গরমের কারনে আবাল বৃদ্ধ শিশু সবাই অসুস্থ্য হয়ে পড়ছেন। বিশেষ করে ডায়রিয়াসহ নান পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে সবাই। জেলায় প্রত্যেক সরকারি হাসপাতালে রোগিদের ভীড় বাড়ছে। এমন কি জেলা সদর হাসপাতালে রোগিদের ঠাঁই দেয়া যাচ্ছেনা। একইভাবে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকেও এই অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। তাপমাত্রা আরো বাড়লে বা এভাবে অব্যাহত থাকলে জীবনযাত্রা থেমে যাওয়াসহ ভয়াবহ পরিস্থিতির আশংকা করা হচ্ছে।

Comments

comments

Posted ১:২১ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

প্রকাশক
তাহা ইয়াহিয়া
সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
01870-646060
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com