বৃহস্পতিবার ২২শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

জোয়ারের পানিতে বিলীন হচ্ছে সৈকতের ঝাউগাছ

আব্দুল আলীম নোবেল   |   বৃহস্পতিবার, ৩০ আগস্ট ২০১৮

জোয়ারের পানিতে বিলীন হচ্ছে সৈকতের ঝাউগাছ

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতের পরিধি ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। জোয়ারের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিবছর সাগর গর্ভে বিলীন হচ্ছে শহরের ভূখন্ড ও সাগর পাড়ের ঝাউবন। এতে চলতি বর্ষায় তার দ্বিগুন অংশ সাগরে তলিয়ে যাওয়ার শংকায় স্থানীয়রা। বেশ কয়েক বছর ধরে এমন ভাংগনের কবলে বালুকাময় সৈকত তালিয়ে গেলেও সেটি রক্ষার কোন দৃশ্যমান উদ্যোগ চোখে পড়েনি। তৎকালিন সময়ে বঙ্গবন্ধুর হাতেই কক্সবাজারের ঝাউবন রোপন করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত ঝাউবাগান বিলীন হচ্ছে প্রতিনিয়ত। ঝাউবন রক্ষায় গতকাল পরিকল্পিত কক্সবাজার আন্দোলনের উদ্যোগে কক্সবাজার জেলা প্রশাসককে বরাবরে স্বারকলিপিও প্রদান করা হয়। কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন জানান, কক্সবাজারের বালুকাময় সমুদ্র সৈকত পর্যটক আকর্ষণের একটি অনন্য মাধ্যম, সৈকতের ঝাউবন রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাগর কন্যা কক্সবাজারে দিনদিন কমে যাচ্ছে ঝাউবনের সংখ্যা। ১৯৭৩-৭৪ সালে কক্সবাজার বিমান বন্দরের পশ্চিম পাশ থেকে সৈকতের ইনানী বিচ পর্যন্ত ৪৮৫ হেক্টর এলাকা জুড়ে ঝাউবাগান সৃজন করে বনবিভাগ। বর্তমানে রয়েছে মাত্র ২১১ হেক্টর। কিন্তু বিগত কয়েকবছরে জলবায়ুর পরিবর্তনে সাগরে বিলীন হচ্ছে এ ঝাউবন। এতে আগামীতে কক্সবাজার শহর বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।
প্রতি অমাবস্যা ও পুর্ণিমার সময় জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায়, গেল পাঁচবছরে সাগরে বিলীন হয়েছে সৈকত তীরের অংশও। কক্সবাজার শহরের এ ক্ষতি কিছুটা কাটিয়ে উঠতে বেশি করে গাছ লাগানোর পরামর্শ দেন দক্ষিণ বন বিভাগের কর্মকর্তা আলী কবির ।
এই বিষয়ে কক্সবাজার পনি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সবিবুর রহমান জানান, এই ঝাউবাগান ও সৈকত ভাংগনের কবল থেকে রক্ষা করতে শহর রক্ষা বাঁধ প্রকল্পের আওতায় একাধিক পরিকল্পনা হলেও নানা জটিলতার কারণে সেইটি বাস্তাবয়ণ হচ্ছে না। সৈকত রক্ষায় একটি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। সেটি বাস্তবায়ন করতে বৈজ্ঞানিক উপায়ে রক্ষা বাঁধ তৈরি করতে হবে। কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা দীপু জানান, বালুকাময় কক্সবাজার সৈকত পর্যটনের প্রাণ। সেটি ভাংগনের কবল দ্রুত রক্ষায় জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের এগিয়ে আসতে হবে। এদিকে ঝাউবাগান জোয়ারের পনিতে বিলীন হলেও বন বিভাগের তরফ নতুন করে ঝাউগাছ লাগানোর উদ্যোগ চোখে পড়ছে না।

দেশবিদেশ /৩১ আগস্ট ২০১৮/নেছার

Comments

comments

Posted ২:০৬ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ৩০ আগস্ট ২০১৮

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক : তাহা ইয়াহিয়া কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
০১৮১২-৫৮৬২৩৭
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com