• শিরোনাম

    টেকনাফ বাহারছড়ায় ঝাউ বাগান উজাড় হচ্ছে!

    জসিম উদ্দিন টিপু,টেকনাফ | ১৫ জুন ২০১৯ | ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ

    টেকনাফ বাহারছড়ায় ঝাউ বাগান উজাড় হচ্ছে!

    টেকনাফের উপকূলীয় শীলখালীর মেরিন ড্রাইভ সড়কের পার্শ্ববর্তী ঝাউ বাগান উজাড় করে নিয়ে যাচ্ছে কাঠ চোর ও মাদকসেবী দূবৃর্ত্তরা। তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, উপজেলার উপকূলীয় বাহারছড়া ইউনিয়নের শীলখালী মেরিন ড্রাইভের পার্শ্বে ২একর জমিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ঝাউ গাছের চারা রোপণ করেন। এই চারা গাছ দৃষ্টিনন্দন হয়ে একটু একটু বাড়তে থাকায় লোভ পড়ে মাদক সেবী ও কাঠচোর চক্রের সদস্যরা বেপরোয়া হয়ে উঠে। পর্যায়ক্রমে এই বাগানের ঝাউ গাছ চুরির ফলে এখন বিরান ভূমিতে পরিণত হয়েছে।
    উল্লেখ্য, এই বাগানের পূর্বেও উপকূলীয় বনবিভাগ ৩ হাজার ঝাউ বাগানের চারা রোপন করে সবুজ সমারোহের বাগান সৃষ্টি করেছিল। মাদক সেবী ও সংঘবদ্ধ কাঠ চোরদের কালো থাবায় রাতের অন্ধকারে হারিয়ে গিয়ে এখনো ৮টি গাছের অস্থিত্ব রয়েছে। এসব গাছ কাটার ফলে এলাকার পরিবেশের বির্পযয়ের পাশাপাশি সমুদ্রের প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে বালি ক্ষয় হচ্ছে। যার ফলে প্রাকৃতিক দূর্যোগ জলোচ্ছ্বাস কিংবা ঘূর্ণিঝড়,বন্যা হলে প্রধান সড়কসহ স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশংকা রয়েছে।
    স্থানীয় সচেতন মহল ও পরিবেশ বাদীরা মনে করেন,মেরিন ড্রাইভকে সাগরের গ্রাস থেকে রক্ষা, সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও পরিবেশ রক্ষায় মুলত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এসব ঝাউগাছের রোপণ করেছে। এসব বন উজাড় করায় দিন দিন পরিবেশ বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠছে।
    এই ব্যাপারে বাহারছড়া ইউপি চেয়ারম্যান মৌলভী আজিজ উদ্দিন জানান,যারা সরকারী বন ধ্বংস করে যাচ্ছে তারা দুর্বৃত্ত। তাদের খোঁজ পেলে বন আইনে মামলা করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    উপকূলীয় শিলখালী ক্যাম্পের রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহফুজ আলম জানান,সেনাবাহিনী কর্তৃপক্ষ এই বাগানটি আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝিয়ে না দিলেও আমরাই এই বাগানটি দেখাশুনা করছি। সমুদ্র তীরের ঝাউগাছ হোক কিংবা পাহাড়ের গাছ হোক ; যারাই এসব গাছ কাটুক তাদের বিরুদ্ধে পরিবেশ ও বন আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ