• শিরোনাম

    সতর্ক সচেতন থাকতে মাইকিং

    ডেঙ্গু আসছে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে

    দীপক শর্মা দীপু | ২৫ জুলাই ২০১৯ | ১১:৫৯ অপরাহ্ণ

    ডেঙ্গু আসছে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে

    কক্সবাজারে এখনো ডেঙ্গু রোগ নিয়ে আতংকিত হওয়ার মতো প্রভাব বিস্তার হয়নি। কক্সবাজারে উল্লেখযোগ্য তেমন কোন রোগি পাওয়া যায়নি।স্বাভাবিক অবস্থা রয়েছে। গুটি কয়েকজন রোগি পাওয়া গেছে যা ঢাকা ডেঙ্গু জীবানু বহন করে কক্সবাজারে এসেছে। তবে সতর্ক এবং সচেতন না থাকলে এখানেও বেড়ে যেতে পারে ডেঙ্গু রোগির সংখ্যা। সতর্ক এবং সচেতন থাকতে জেলাব্যাপী করা হচ্ছে মাইকিং।
    জানা যায়, সম্প্রতি রাজধানী ঢাকায় ডেঙ্গু রোগির সংখ্যা বেড়ে গেছে। আতংকগ্রস্থ হয়ে পড়েছে ঢাকায় বসবাসকারিরা। শুধু ঢাকা নয় বিভিন্ন জেলায় এ রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী প্রতি ২৪ ঘন্টায় সারাদেশে ৪শ থেকে ৫শ জন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এমন কি হবিগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এরপর থেকে সবাই ডেঙ্গু নিয়ে শংকিত। একইভাবে কক্সবাজারবাসী ডেঙ্গু নিয়ে আলোচনায় মেতে উঠেছে। এখানে ডেঙ্গুর কি পরিস্থিতি সবাই জানার চেষ্টা করছেন।
    কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা: আবদুল মতিন জানান, এখনো পর্যন্ত কক্সবাজারের বসবাসকারিদের মধ্যে একজন ডেঙ্গু রোগি ও পাওয়া যায়নি। দু‘য়েকজন পাওয়া গেছে, যারা কক্সবাজরের সন্তান কিন্তু ঢাকায় বসবাস করেন। ডেঙ্গু হওয়ার পর কক্সবাজারে চলে আসেন। কক্সবাজারে যাতে ডেঙ্গু ছড়াতে না পারে সেই জন্য প্রত্যেক ইউনিয়ন, পৌরসভা, উপজেলায় মাইকিং করে সচেতনতা মুলক বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হচ্ছে। সিভিল সার্জন আরো জানান, ডেঙ্গু নিয়ে আতংক হওয়ার কিছু নেই। তবে সবাইকে সচেতন হবে, থাকতে হবে সতর্ক। দিনে হোক বা রাতে হোক সব সময় মশারি টাঙ্গিয়ে ঘুমাতে হবে।
    কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানান, কক্সবাজারে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগি নেই বললেই চলে। গুটি কয়েকজন রোগি পাওয়া গেছে , তাও আবার ঢাকা থেকে যারা কক্সবাজারে এসেছে এমন ব্যক্তিদের মধ্যে ধরা পড়ছে ডেঙ্গু জীবানু। তবে সতর্ক না থাকলে কক্সবাজারেও এই ডেঙ্গু প্রভাব বিস্তার করতে পারে। । জ¦র হলে দ্রুত রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসকের শরনাপন্ন হতে হবে। হাতুড়ি ডাক্তারের কাছে যাওয়া যাবেনা। প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য ঔষুধ দিলে রোগির ভয়াবহতা বেড়ে যাবে। এমন কি মল ত্যাগের সময় রক্ত যেতে পারে। তাই সতর্ক থাকতে সবাইকে।
    কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার নোবেল কুমার বড়ুয়া জানান, সদর হাসপাতালে দু‘য়েক জন ডেঙ্গু রোগি পাওয়া গেছে। যা ঢাকা থেকে বহন করে এই জীবানু কক্সবাজারে এনেছেন। ডেঙ্গু রোগির কারনে সবার মাঝে ডেঙ্গু রোগ ছড়িয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। কারণ ডেঙ্গু রোগিকে কোন মশা কামড়ালে সেই মশা অন্যদের কামড়ালে তাদের অবশ্যই ডেঙ্গু রোগ হবে। সেই জন্য আক্রান্ত রোগিদের অবশ্যই মশারির ভেতর থাককে হবে। যাতে তাদের কোন মশা কামড় দিতে না পারে। তাদের যে মশা কামড় দেবে সেই মশা তখন ডেঙ্গু জীবানুবাহী মশাই পরিণত হবে। শুধু ডেঙ্গু রোগি মশারির ভিতর থাকলে হবেনা, সব মানুষকে রাতে হোক বা দিনে হোক মশারি টাঙ্গিয়ে ঘুমাতে হবে। তিনি বলেন, টবে, বালতিসহ কোন পাত্রে পানি জমা রাখা যাবেনা। জমে থাকা পানিতে এসব মশার উৎপত্তি হয়। বাড়ির আশে পাশে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। নালা নর্দমায় ময়লা আবর্জনার স্তুপ রাখা যাবেনা। কারো জ¦র হলে আতংকিত না হয়ে দ্রুত চিকিৎসকের শরনাপন্ন হতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষুধ সেবন করা যাবেনা।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ