রবিবার ১৪ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

ধর্মীয় সম্প্রীতি দেখতে বিশেষজ্ঞদের বাংলাদেশে যেতে বললেন মোদি

দেশবিদেশ অনলাইন ডেস্ক   |   বৃহস্পতিবার, ০৮ আগস্ট ২০১৯

ধর্মীয় সম্প্রীতি দেখতে বিশেষজ্ঞদের বাংলাদেশে যেতে বললেন মোদি

সন্ত্রাসবাদ ও ধর্মীয় উগ্রবাদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ভূয়সী প্রশংসা করে বাংলাদেশকে ধর্মীয় সম্প্রীতির রোল মডেল হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ভারত। বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে নয়াদিল্লিতে তার সরকারি বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘বাংলাদেশি মানুষ কীভাবে শান্তিপূর্ণভাবে মিলেমিশে ধর্মীয় সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করছে তা প্রত্যক্ষ করতে বিশেষজ্ঞদের বাংলাদেশ সফর করা উচিত।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বুধবার আয়োজিত বাংলাদেশ ও ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সপ্তম বৈঠকে অংশ নিতে মঙ্গলবার দিল্লি পৌঁছেন। বৈঠকের শুরুতে ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মোদি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উদযাপনে বাংলাদেশ সরকার গৃহীত কর্মসূচির অংশীদার হতে আগ্রহ প্রকাশ করেন

এ সময় তিনি টানা তিন মেয়াদের জন্য প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে সন্ত্রাসী, জঙ্গি ও বিচ্ছিন্নতাবাদীরা যেন ভারতসহ অন্যান্য দেশের ক্ষতি করতে না পারে সে লক্ষ্যে বাংলাদেশের গৃহীত নীতির ভূয়সী প্রশংসা করেন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারতের সহায়তা চাওয়া হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মোদি বলেন, ভারত সরকার রোহিঙ্গা সমস্যাটি ইতোমধ্যে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করেছে। ভারত মনে করে সমস্যাটি অবশ্যই সমাধান করতে হবে।

মোদি বাংলাদেশে ঠাঁই নেয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য আবারও মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।

বৈঠকে আসাদুজ্জামান উভয় দেশের সীমান্তে মাদকসহ সব চোরাচালান বন্ধে ভারত সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী সীমান্তে মাদক চোরাচালান, সন্ত্রাসবাদ ও অন্যান্য অপরাধ রোধে একটি নিরাপদ ও কার্যকর সীমান্ত প্রতিষ্ঠায় দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিমসটেক এ অঞ্চলের শান্তি ও উন্নয়নে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে বলে মোদি আশা প্রকাশ করেন। এ সময় ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন, সুরক্ষা সেবা বিভাগের মো. শহিদুজ্জামান, আইজিপি ড. মো. জাভেদ পাটোয়ারী উপস্থিত ছিলেন। বাসস।

Comments

comments

Posted ৮:৩২ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৮ আগস্ট ২০১৯

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

প্রকাশক
তাহা ইয়াহিয়া
সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
01870-646060
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com