• শিরোনাম

    সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল আবছার

    নির্বাচনে অংশ গ্রহণের দ্বার উন্মুক্ত রেখেছেন শেখ হাসিনা

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ২১ মার্চ ২০১৯ | ১২:৪৬ পূর্বাহ্ণ

    নির্বাচনে অংশ গ্রহণের দ্বার উন্মুক্ত রেখেছেন শেখ হাসিনা

    উপজেলা নির্বাচনে দলের কেউ নির্বাচন করতে চাইলে করতে পারবেন। দল থেকে বিধি বিধানের কারনে একজনকে মনোনিত করা হবে এবং তাকেই নৌকা প্রতীক দেয়া হবে। তবে দলের অন্য কেউ নির্বাচন করতে চাইলে দলের পক্ষ থেকে কোন নিষেধ নেই। জনগণের ভোটে দলের যে কেউ নির্বাচিত হওয়াও আওয়ামী লীগের সফলতা। তাই এই নির্বাচনে কাউকে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বলা যাবেনা। নিজেকে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী দাবি করে এসব কথা বলেন কক্সবাজার পৌরসভা চার চার বার নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল আবছার। তিনি বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহনের দ্বার উন্মুক্ত রেখেছেন শেখ হাসিনা। দল বিধি বিধানের কারনে দলের পক্ষে কাউকে মনোনয়ন দিলেও নির্বাচনে মনোনিত প্রার্থীর জন্য বিশেষ সুবিধা বা পক্ষ পাতিত্বমুলক কোন অবস্থান নেয়নি সরকার। তার কারণ হচ্ছে অবধা সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দলের যে কোন প্রার্থী জয়ী হোক এমনটি প্রত্যাশা করছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। বুধবার দুপুরে কক্সবাজার প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমি টাকার খেলায় নির্বাচন করছিনা। আমার টাকাও নেই। ভোটাররা আমার নির্বাচনের কর্মী। কারণ তাদের উপর আমার বিশ^াস আছে। ভোটাররা কর্মী হয়ে আমাকে জিতিয়ে তারা নিজেরা জয়ী হবেন।
    তিনি বলেন, উপজেলা পরিষদ কে শক্তিশালী ও কার্যকর করাই আমার মূল লক্ষ্য । কক্সবাজার সদর উপজেলা বাসীর সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট থাকব ও উপজেলা পরিষদ পদ্ধতি সংস্কারের জন্য জাতীয় পর্যায়ে লড়াই করব। সাধারন মানুষের অগাধ ভালবাসার ঋনে আগামী ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ঘোড়া প্রতীকে প্রার্থী হয়েছেন বলে তিনি জানান । উপজেলা পরিষদ প্রশাসনকে রাষ্ট্র দূর্বল করে রেখেছে এখানে দুটো প্রশাসন একটি উপজেলা প্রশাসন আরেকটি উপজেলা পরিষদ প্রশাসন । এই দুই প্রশাসনের সমন্বয় দরকার বলে মত দেন ।৯০ সালে যখন এই দেশের মানুষ প্রথম উপজেলা কাঠামোতে প্রবেশ করে তখন এর চেয়ে অনেক বেশী কাজ ছিল কালক্রমে এসব বিলুপ্ত তাই উপজেলা প্রশাসন পরিষদ সংস্কার জরুরী ।
    তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য বরাদ্ধকৃত অনুদানের ৪০ শতাংশ স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বরাদ্ধ থাকলেও কার্যকারীতা খুবই ক্ষীন । ক্ষতিগ্রস্থ বলতে শুধু উখিয়া টেকনাফের বাসিন্দারা নই সমগ্র জেলার আট উপজেলার মানুষও ক্ষতিগ্রস্থ । তাই বিদেশী অনুদানের ৪০ শতাংশ অর্থ প্রতিটি উপজেলার মানুষের কল্যানে ব্যবহার নিশ্চিতে লড়াই করে যাবেন ।
    কক্সবাজার জেলায় প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টিতে আজ অনেক বড় বড় প্রকল্প হচ্ছে । কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র,গভীর সমুদ্র বন্দর এসব প্রকল্প হতে উপার্জিত অর্থ সদর উপজেলা ও জেলাবাসীর কল্যানে লভ্যাংশের ৫০ ভাগ খরচ করতে হবে । কক্সবাজার ডেভেলাপমেন্ট ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে জেলাবাসীর উন্নয়নে লভ্যাংশের টাকা দিয়ে জীবন মান পরিবর্তনেরও আশাবাদ ব্যাক্ত করেন ।
    আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী কক্সবাজার পৌরসভা সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আবছার বলেন, ক্লান্তহীন শতাধিক পথসভার মাধ্যমে ভোটারদের জাগিয়ে তুলবেন তিনি। লড়ে যাবেন বেঁচে থাকা পর্যন্ত। তাঁর কাছে লড়াই যতো বড়ো, বিজয়ও ততো বড়ো।
    ” বারবার ভুল ব্যক্তিকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করার কারণেই উপজেলার সেবা সাধারণ জনগনের কাছে এখনো সঠিকভাবে পোঁছাতে পারেনি। তাই যোগ্য ব্যক্তিকে নির্বাচিত করা এখন সময়ের দাবী।” চকরিয়াসহ বিভিন্ন উপজেলা নির্বাচনে প্রশাসনের ভূমিকা প্রশংসনীয়। কক্সবাজারেও প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকবেন বলে আশা করছেন।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ