বৃহস্পতিবার ১১ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

‘নোনা জলের কাব্য’ বিজ্ঞান ও বিশ্বাসের মাঝে দ্বন্দের উত্তম দৃষ্টান্ত

তারেকুর রহমান   |   বুধবার, ২৯ জুন ২০২২

‘নোনা জলের কাব্য’ বিজ্ঞান ও বিশ্বাসের মাঝে দ্বন্দের উত্তম দৃষ্টান্ত

শহর থেকে কোনো চিত্রশিল্পী সাগরপাড়ের জেলে পাড়ায় এসে চিত্রাংকন করলে কিংবা ভাস্কর্য তৈরি করলে সাগরে মাছ মিলবে না সেটা বিশ্বাস। অপরদিকে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ইলিশের মৌসুমে সাগরে ইলিশ না পাওয়ার কারণ উদঘাটন করাই হলো বিজ্ঞান।

এই বিজ্ঞান আর বিশ্বাসের মাঝে যে দ্বন্দ তা ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের তরুণ চলচ্চিত্রকার রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিতের পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘নোনা জলের কাব্য’ সিনেমায়।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএও ২০২২ সালকে আর্টিসানাল ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকুয়া কালচারের আন্তর্জাতিক বছর (আইওয়াইএএফএ ২০২২) হিসেবে ঘোষণা করেছে।

আইওয়াইএএফএ ২০২২ উদযাপনের অংশ হিসেবে সোমবার (২৮ জুন) রাতে কক্সবাজারের একটি হোটেলে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রাপ্ত চলচ্চিত্র নোনা জলের কাব্য- এর একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

প্রদর্শনীতে নোনা জলের কাব্য’ চলচ্চিত্র নির্মাতা রেজয়ান শাহরিয়ার সুমিতের উপস্থিতিতে, আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথিদের সাথে ৪০ জন মৎস্যজীবী চলচ্চিত্রটি উপভোগ করেন।

চলচ্চিত্রে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের জেলেদের দৈনন্দিন জীবন সংগ্রাম, প্রতিকূল আবহাওয়ায় টিকে থাকার লড়াই, জেলে সমাজের রীতি নীতি ও সাংস্কৃতিক প্রভাব চিত্রণ করা হয়েছে।

চলচ্চিত্রে দেখা যায়, শহর থেকে আসা তরুণ চিত্রশিল্পী রুদ্রকে জেলেপাড়ায় প্রথমে সাদরে করে। রুদ্র বেশ সময় ধরে সাগরপাড়ের এক বাড়িতে উঠে এবং তার চিত্রকর্ম চলমান রাখে। পাড়ার ছোট ছোট শিশু-কিশোরদেরও চিত্রকর্মে আগ্রহী করে রুদ্র। কিন্তু এসবে পুরো গ্রামবাসী অতিষ্ঠ হয়ে উঠে। সাগরে মাছ ধরা না পাড়ার মুল কারণ হিসেবে ভাস্কর্য ও চিত্রাংকনকে দায়ী করছে এলাকাবাসী।

এলাকার বয়োজ্যেষ্ঠরা মন্তব্য করেন- চিত্রশিল্পী রুদ্র শহর থেকে কোনো কুপ্রভাব নিয়ে জেলেপাড়ায় এসেছে তাই ইলিশ মৌসুমেও মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু পরে সেই তরুণ তাদের বুঝিয়ে দেন জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইলিশ আসতে দেরি হচ্ছে। সেজন্য ধৈর্য্য রাখতে হবে।

এ ব্যাপারে নির্মাতা রেজয়ান শাহরিয়ার সুমিত বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের জেরে সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা কীভাবে বিপর্যস্ত সে ঘটনায় আড়াই বছর আগে নির্মিত সিনেমাটি গ্ল্যাসগোর জলবায়ু সম্মেলনের ভেন্যুতেও প্রদর্শিত হয়েছে। যে জেলেপাড়া নিয়ে সিনেমাটি নির্মিত হয় সেই পাড়াও বর্তমানে সাগর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এ চলচ্চিত্রের জেরে ওই গ্রামের এলাকাবাসীকে পুনর্বাসনের জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার।’

সিমেনার প্রধান চরিত্রে ছিলেন ফজলুর রহমান বাবু, তিতাস জয়, তাসনোভা তামান্না, শতাব্দি ওয়াদুদ এবং অশোক বেপারী প্রমুখ।

Comments

comments

Posted ৪:৪৬ অপরাহ্ণ | বুধবার, ২৯ জুন ২০২২

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এবার নিশ্চিত
এবার নিশ্চিত

(1278 বার পঠিত)

রিচি আসছেন কাল
রিচি আসছেন কাল

(1169 বার পঠিত)

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

প্রকাশক
তাহা ইয়াহিয়া
সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
01870-646060
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com