সোমবার ৩০শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্দেশে ইন্দোনেশিয়া ছেড়েছে কয়লাবাহী প্রথম জাহাজ

দেশবিদেশ অনলাইন ডেস্ক   |   সোমবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্দেশে ইন্দোনেশিয়া ছেড়েছে কয়লাবাহী প্রথম জাহাজ

কয়লাবাহী জাহাজ

পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রর জন্য ২০ হাজার টন কয়লা নিয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশে ইন্দোনেশিয়া থেকে যাত্রা শুরু করেছে একটি জাহাজ। এরমধ্য দিয়ে দেশের কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য জ্বালানি আমদানি শুরু হলো। সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে, জাহাজটি ইন্দোনেশিয়া থেকে বাংলাদেশে এসে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর পৌঁছাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে।বিদ্যুৎকেন্দ্রটির টেস্টিং শুরু হবে শিগগিরই।

রাষ্ট্রীয় নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি (এনডব্লিউপিজিসিএল) ও চীনের সিএমসি এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের বিদ্যুকেন্দ্রটি নির্মাণ করছে।কেন্দ্র নির্মাণ একেবারে শেষের পথে রয়েছে।বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট আগামী ডিসেম্বরে এবং দ্বিতীয় ইউনিট আগামী বছরের মাঝামাঝি উৎপাদন শুরু করবে।

গত ১৬ জুন কেন্দ্রে কয়লা সরবরাহের জন্য চুক্তি করে বাংলাদেশ চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিসিপিসিএল)। দশ বছর মেয়াদি চুক্তিতে ইন্দোনেশিয়ার কোম্পানি পিটি বায়ার্ন রিসোর্স টিবিকে কেন্দ্রটির জ্বালানি সরবরাহ করবে।

পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ বলছে, ইন্দোনেশিয়ার কোম্পানি পিটি বায়ার্ন রিসোর্স টিবিকে এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় কয়লা সরবরাহকারী কোম্পানির একটি।কয়লা উৎপাদনের সঙ্গে পিটি বায়ানের রয়েছে বন্দর অবকাঠামো।

কয়লা পরিবহনের জন্য জার্মানির কোম্পানি ওলডেনডরফের সঙ্গে আলাদা চুক্তি করছে বিসিপিসিএল। ওই চুক্তিটির মেয়াদ পাঁচ বছর।ওলডেনডরফ বিশ্বের সমুদ্র পরিবহনে প্রথম শ্রেণির একটি কোম্পানি।

প্রতি টন কয়লার বর্তমান মূল্য ধরা হয়েছে ৫৫ ডলার।এরসঙ্গে পরিবহন খরচ ২৫ ডলার যোগ হয়ে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছাতে ব্যয় দাঁড়াবে ৮০ ডলার।

জানতে চাইলে তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রর প্রকল্প পরিচালক শাহ আব্দুল মাওলা বলেন, ‘জাহাজটিতে কয়লা বোঝাই শেষ হয়েছে বিকেল ৫টায়। রাতেই জাহাজটি বাংলাদেশের উদ্দেশে ছেড়ে আসবে।প্রথমে কেন্দ্রটির জন্য ২০ হাজার টন কয়লা আনা হচ্ছে।এখন থেকে নিয়মিতই ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা আনা হবে।’

প্রসঙ্গত, পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রথম জ্বালানি আমদানি শুরু করলেও আগামী কয়েক বছরে দেশে ব্যাপকভাবে কয়লার ব্যবহার শুরু হবে। রামপাল ও মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্র দু’টি পরপর উৎপাদন শুরু করবে।এতে করে দেশে ব্যাপক কয়লার চাহিদা তৈরি হবে।কিন্তু আশঙ্কার বিষয় হচ্ছে, দেশে এখনও পূর্ণাঙ্গ বন্দর অবকাঠামো গড়ে ওঠেনি। এর ফলে কয়লা পরিহনে মারাত্মক সংকট তৈরি হবে। যদিও সরকার বলছে, মাতারবাড়িতে একটি বন্দর নির্মাণ করা হবে।ওই বন্দর দিয়ে কয়লা পরিবহন করা হবে।

কয়লার জাহাজ আসতে ১২ মিটার ড্রাফট প্রয়োজন হলেও দেশের মোংলা ও পায়রা বন্দর এলাকায় এই ড্রাফট নেই।মাতারবাড়িতে বন্দর নির্মাণ করা হলে সেখান থেকে লাইটার জাহাজে করে কয়লা অন্য বন্দরগুলোয় নেওয়া যেতে পারে।

পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্র বলছে, এখন সরাসরি ৫০ হাজার টনের জাহাজের অর্ধেক অর্থাৎ ২৫ বা ২৬ হাজার টন ভরে কেন্দ্রের জেটিতে সরাসরি জাহাজ আনা হবে।এক বছর পর আন্দামানে তিন লাখ টনের জাহাজ আনা হবে।আর সেখান থেকে পরে লাইটার জাহাজে করে কেন্দ্র এলাকায় কয়লা আনা হবে।এতেও পরিবহন খরচ কিছুটা কমবে।

Comments

comments

Posted ৯:০৩ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক : তাহা ইয়াহিয়া কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
০১৮১২-৫৮৬২৩৭
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com