• শিরোনাম

    সাধারণ মানুষের ত্রাহি অবস্থা

    পেঁয়াজ ও সবজি বাজারের অস্থিরতা কাটছেনা

    এম.আর মাহবুব | ১৯ অক্টোবর ২০১৯ | ১:১৮ পূর্বাহ্ণ

    পেঁয়াজ ও সবজি বাজারের অস্থিরতা কাটছেনা

    নিত্য পণ্যের বাজারে সাধারন মানুষের ত্রাহি অবস্থা হয়েছে। পেঁয়াজের বাজার অস্থির হওয়ার পর সকল ধরনের সবজি বাজারেও এখন অস্থিরতার জট লেগেছে। অস্থির বাজারে শীতকালীন আগাম সবজির আগমন ঘটলেও দাম ক্রেতা-সাধারনের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। বাজারে তরে তরে সাজানো সবজির দাম জিঙ্গেস করেই এখন শান্তি খুঁজছে নি¤œ-মধ্যবিত্ত তথা নি¤œ আয়ের মানুষ।

    এদিকে পেঁয়াজের অস্থিরতার লাগাম টানতে মায়ানমারের নি¤œ মানের পেঁয়াজ আমদানি করছে ব্যবসায়ীরা। ভারতীয় পেঁয়াজের চাইতে গুণগত মানে পিছিয়ে থাকা এসব পেঁয়াজ খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকার উপরে। কক্সবাজার জেলা প্রশাসন বার বার ব্যবসায়ীদের বাজার মূল্য ঠিক করে দেয়ার পরও পেঁয়াজ কারসাজি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেনা। ফলে ভারত হঠাৎ করে পেঁয়াজ রপ্তানী বন্ধ করে দেয়ার পর থেকে বাজার টালমাতাল অবস্থায় রয়েছে। কবে পেঁয়াজের বাজারে স্বস্তি ফিরে আসবে তাও অজানা পাইকার-খুচরা ব্যবসায়ীদের।

    অন্যদিকে সবজির বাজারে টানা কয়েক মাস ধরে অস্থির ভাব বিরাজমান রয়েছে। বাজারে শীতকালীন সবজির আগাম সরবরাহ বাড়লেও দাম ঠিকই ক্রেতা-সাধারনের নিয়ন্ত্রনের বাইরে রয়েছে। বাজারে শাক-সবজির গন্ধ শুকেই যেন সময় পার করছে হতদরিদ্র মানুষ। গতকাল ১৮ অক্টোবর শহরের বড়বাজার, বাহারছড়া বাজার, সদর উপজেলা গেইট বাজার ও লিংকরোড় বাজার সরেজমিন ঘুরে দেখা যায় শাক-সবজি বাজারের সীমাহীন অস্থিরতা। ভর মৌসুমেও কচুর ছরা বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। মুলা, বেগুণ বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। ফুলকপি ৮০টাকা, বাধাকপি ৬০ টাকা এবং দেশি আলু ৫ টাকা দাম বেড়ে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    এদিকে কাঁচা মরিচ ৮০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া টমেটো ১২০ টাকা, গাঁজর কেজিতে ৮০ টাকা দাম উঠেছে। কাকরল, তিতকরল, ঝিঙ্গে, চিচিঙ্গা ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে শসার দাম ৩০ থেকে ৪০ টাকায় স্থির রয়েছে। তাছাড়া আদা, রসুনের দাম কেজিতে একটু কমে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দামের উর্ধ্বমূখী কলমী, লাল শাক, মুলা শাকসহ সকল প্রকার শাকের। লিংকরোড় বাজারে বাজার করতে বাংলাবাজারের জয়নাল আবেদীন জানান- সবজি কেনার ইচ্ছা ছিল। দাম বেশি-তাই কম দামের জেলে মাছ কিনেই বাড়ি ফিরছি। সদর উপজেলা গেইট বাজারে আসা ক্রেতা মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানা সেলিম উল্লাহ জানান- যতদিন রোহিঙ্গারা আমাদের দেশ ছাড়বেনা, ততদিন হয়তো আমাদের নিত্য-দিনের খাদ্য তালিকায় সবজির পরিমাণ কমতেই থাকবে। জীবনে এরকম সবজি-পেঁয়াজের দাম বাড়তে দেখিনি।####

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ