শনিবার ২৯শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

পেকুয়ায় কর্মসৃজন শ্রমিক দিয়ে দালান ঘরে মাটি ভরাটের অভিযোগ

পেকুয়া প্রতিনিধি   |   সোমবার, ১০ জানুয়ারি ২০২২

পেকুয়ায় কর্মসৃজন শ্রমিক দিয়ে দালান ঘরে মাটি ভরাটের অভিযোগ

অতি দরিদ্র, ভূমিহীন ও বেকার মানুষদের খাদ্য নিশ্চিতকরণের জন্য বাংলাদেশে কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা), কাজের বিনিময়ে টাকাসহ (কাবিটা) নানা ধরনের কর্মসূচি চালু রয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় সারা দেশের ন্যায় পেকুয়া উপজেলায় কর্ম সৃজন প্রকল্পে আওতায় গ্রামীন সড়কের অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে প্রায় ১৫ দিন আগে। ৭ ইউনিয়নে চলছে কর্মযজ্ঞ। শুরু থেকে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে স্থানীয়রা। সকাল ৮ টার থেকে কাজ শুরু করার কথা। শেষ হবে বিকেল ৩টায়। কিন্তু শ্রমিকরা দুপুর ১টার মধ্যে তড়িগড়ি করে কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরেন।

যথারীতি তদারকি না থাকায় শ্রমিকরা কাজের ফাঁকি দিয়ে দায়সারা কাজ করছেন। প্রতিদিন ট্যাগ অফিসার কাজের তদারকি করার নিয়ম থাকলেও তারা থাকেন অনুপস্থিত। মাঝে মধ্যে লোক দেখানো দেখভাল করে দায়িত্ব সারেন দায়িত্বরত ট্যাগ অফিসার। প্রতিদিনের শ্রমিকের উপস্থিতি হাজিরা খাতায় লিপিবদ্ধ থাকার কথা। কিন্তু ট্যাগ অফিসার না থাকায় ইচ্ছেমত হাজিরা টানছেন শ্রমিকদের। কাজে অনুপস্থিত থাকলেও ঠিকই হাজিরা খাতায় উপস্থিত দেখান শ্রমিকদের। এভাবে সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন জড়িত সংশ্লিষ্টরা।

কর্মসৃজন কর্মসুচীর প্রকল্পের শ্রমিকদের ব্যবহার করছেন নিজের ব্যক্তিগত কাজে। উজানটিয়া ইউনিয়নের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য আবু আহমদ প্রকাশ সোনামিয়া মাঝি এবার নিজের বসতভিটায় মাটি ভরাট করালেন সরকারি শ্রমিক দিয়ে। ইউপি সদস্যের এমন কান্ডে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

স্থানীয়রা জানায়, সোনামিয়া মাঝি মেম্বার পূর্ব উজানটিয়া পানপাড়ায় নিজের বসতভিটায় কাজ করছেন ১৫জন শ্রমিক। তারা নির্মাণাধীন পাকা বাড়ির তলায় মাটি ভরাট করেছেন। এসব শ্রমিক সরকারের অতি দরিদ্র কর্মসূচি, কর্ম সৃজন প্রকল্পের।

এদিন শ্রমিকদের রাস্তার সাইট ভরাট কাজে নিয়োজিত থাকার কথা। ইউপি সদস্য সোনা মিয়া মাঝি তা না করে সরকারি শ্রমিক দিয়ে নিজের ঘরে মাটি ভরাট কাজে ব্যস্ত রয়েছেন।

শ্রমিকরা জানিয়েছেন,”সকাল ৮টার দিকে তারা রাস্তার সাইট ভরাট করতে গেলে আবু আহমদ মেম্বার আমাদেরকে ডেকে নিয়ে ঘর ভিটা ভরাট করতে বলেন। কাজ না করলে তাদের সাটাই করা হবে বলে হুমকি দেয়। আমরা বাধ্য হয়ে তার বাড়িতে কাজ করেছি।

ইউপি সদস্য আবু আহমদ (সোনামিয়া) বলেন, ‘৩/৪ জন শ্রমিক গিয়েছিল। সাংবাদিক আসার পর চলে গেছে।

পেকুয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি, অনিয়ম হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

Comments

comments

Posted ৬:৫৭ অপরাহ্ণ | সোমবার, ১০ জানুয়ারি ২০২২

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

প্রকাশক
তাহা ইয়াহিয়া
সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
01870-646060
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com