• শিরোনাম

    প্রদীপ লিয়াকত নন্দদুলালকে নিয়ে ঘটনাস্থলে রেকি তদন্ত

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ২২ আগস্ট ২০২০ | ১২:২১ পূর্বাহ্ণ

    প্রদীপ লিয়াকত নন্দদুলালকে নিয়ে ঘটনাস্থলে রেকি তদন্ত

    কক্সবাজারের টেকনাফ মেরিনড্রাইভের শামলাপুর চেকপোস্টে মেজর (অব.) সিনাহ মো. রাশেদ খান হত্যার ‘গোড়ার রহস্য’ জানতে এবার প্রধান আসামী বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, এসআই লিয়াকত আলী ও এএসআই নন্দদুল্লা রক্ষিতকে নিয়ে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টারসময় ঘটনাস্থলে যায় র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল তোফায়েল মোস্তাফা সরওয়ারের নেতৃতে মামলা তদন্তকারী র‌্যাবের একটি দল। এসময় হত্যার ঘটনার রেকি (লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ, আক্রমণপূর্ব পর্যবেক্ষণ, আক্রমণের কলাকৌশল) এবং ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করেন র‌্যাবের কর্মকর্তারা।
    পরে মেজর (অব.) সিনহা হত্যাকাÐের ঘটনাটি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে বলে জানান র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা সরোয়ার। তিনি বলেন, ‘মেজর সিনহাকে গুলিবর্ষণের পুরো ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে এক থেকে দুই মিনিটের মধ্যেই। এই দুই মিনিটের প্রতিটি সেকেন্ডের ঘটনাপ্রবাহ আমরা বিচার-বিশ্লেষণ করছি। প্রতিটি সেকেন্ডই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই ঘটনার অনেক তথ্য-উপাত্ত আমরা সংগ্রহ করেছি। শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুর ১টায় মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যাকাÐস্থল ঘুরে টেকনাফের শামলাপুর চেকপোস্টে গণমাধ্যমকর্মীদের এসব কথা বলেন র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।
    কী তথ্য পেয়েছেন জানতে চাইলে মোস্তফা সরোয়ার বলেন, ‘এটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ মামলা। তদন্ত কর্মকর্তা তার তদন্তকাজের অংশ হিসেবে আসামিদের নিয়ে ঘটনাস্থলে এসেছেন। এটি তদন্তকাজেরই অংশ। এই মুহূর্তে কিছু বলা সমীচীন হবে না। এতে তদন্তকাজ ব্যাহত হতে পারে। তদন্তকাজটি এমনভাবে সম্পন্ন করা হবে, যাতে এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কোনও দোষী ব্যক্তি রক্ষা না পায় এবং নিরীহ লোক কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হন। ঘটনাটি যে দুই মিনিটের মধ্যে ঘটেছে, এর প্রত্যেকটি সেকেন্ড আমরা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করছি।
    প্রসঙ্গত, গত ৩১ জুলাই খুন হওয়া মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান টেকনাফের বাহারছড়ায় পুলিশের গুলিতে নিহত হন। এরপর ৫ আগস্ট তার বড়বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, লিয়াকত আলী, নন্দলাল রক্ষিত, সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়া সহ ৯জনকে আসামী করে টেকনাফ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। পরে মামলা টেকনাফ থানায় নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু হয়। এই মামলায় এজাহারভুক্ত নয় আসামীর মধ্যে সাত জন গ্রেফতার হয়েছেন। এছাড়াও পরে আসামীভুক্ত বাহারছড়ার স্থানীয় তিনজন ও এপিবিএন এর তিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    মাতারবাড়ী ঘিরে মহাবন্দর

    ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ