রবিবার ১৭ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

৩ নং সতর্কতা সংকেত

ভারী বর্ষণে জেলার জনজীবন বিপর্যস্ত কুতুবদিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   রবিবার, ০৭ জুলাই ২০১৯

ভারী বর্ষণে জেলার জনজীবন বিপর্যস্ত কুতুবদিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত

গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে প্লাবিত হয়েছে জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে কক্সবাজার পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায়। গত তিন দিন থেকে কক্সবাজার শহরে বৃষ্টির মাত্রা বেড়ে গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জারি করা হয়েছে ৩ নং সতর্কতা সংকেত। এমন পরিস্থিতিতে জেলার জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা।
ভারী বৃষ্টিপাতে জেলার পাহাড়ি এলাকায় পাহাড় ধ্বসের আশংকা করছে প্রশাসন। পাহাড় ধ্বসের কারণে অনাকাঙ্খিত মৃত্যু ঠেকাতে গতকাল রাত থেকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহরের বিভিন্ন স্থানে মাইকিং করা হচ্ছে। যাতে পাহাড়ে বসবাসরতরা নিরাপদ স্থানে সরে আসার আহবান জানানো হয়।
এদিকে, জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী এবং কুতুবদিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা। অনেক স্থানে ভেঙ্গে গেছে বেড়িবাঁধ। উপজেলা দু’টির বসতবাড়ী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি ঝড়ো হাওয়ায় সাগরের জোয়ারের পানি প্রবেশের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফসলি জমি। তলিয়ে গেছে জমির বীজ তলা।
বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় কুতবদিয়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে। যাতে বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারীরা নিরাপদ দূরত্বে সরে যেতে পারেন।
কুতুবদিয়া উপজেলার উত্তর ধুরং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহরিয়ার চৌধুরী জানিয়েছেন, গত কয়েকদিনে ভারী বর্ষণের কারণে তাঁর ইউনিয়নের অন্তত ১২’শ ঘরবাড়ী প্লাবিত হয়েছে। সাগরের জোয়ারের পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে জনজীবন বিপর্যস্ত করে তুলছে। উত্তর ধুরং ছাড়াও উপজেলাটির বিশাল এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে বলেও জানান তিনি।
‘জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়ে পড়ায় কুতুবদিয়া দ্বীপের লোকজন দুর্ভোগের শিকার মানুষের জন্য শুকনো খাবার বরাদ্দ দিয়েছে জেলাপ্রশাসন। দ্বীপের দেড় হাজার পরিবারের লোকজন পাবেন এই শুকনা খাবার। ১৫ দিন পর্যন্ত একটি পরিবার বরাদ্দ দেয়া খাবার খেতে পারবেন বলে জেলাপ্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
মহেশখালী উপজেলার ধলঘাটা ইউনিয়নের বাসিন্দা কলিম উল্লাহ্ গতকাল ৭ জুলাই রাতে এই প্রতিবেদককে মুঠোফোনে জানিয়েছেন, গতকালের ঝড়ো হাওয়ায় ধলঘাটা ইউনিয়নের বনজামিরা ঘোনা, উত্তর সুতরিয়া এবংসরইতলী এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এলাকাগুলোর বসতঘরে প্রবেশ করেছে জোয়ারের পানি। এভাবে নিরবচ্ছিন্ন ঝড় হতে থাকলে ইউনিয়নের চিংড়ী ঘেরগুলো বিরাট ক্ষতির সম্মুখীন হবে বলেও জানান তিনি।

Comments

comments

Posted ১১:৪৮ অপরাহ্ণ | রবিবার, ০৭ জুলাই ২০১৯

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক : তাহা ইয়াহিয়া কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
০১৮১২-৫৮৬২৩৭
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com