রবিবার ১লা নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

মহেশখালীতে করোনার প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পান চাষীদের ঘুরে দাড়ানোর চেষ্টা

মোহাম্মদ শাহাব উদ্দীন, মহেশখালী   |   বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

মহেশখালীতে করোনার প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পান চাষীদের ঘুরে দাড়ানোর চেষ্টা

মহেশখালীতে করোনার প্রভাবে উৎপাদিত পান দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রয় করতে না পারায় বড় ধরণের লোকসানে পড়েছিল পান চাষীরা।‘‘এক বিড়া বড় পান এ বছরের জানুয়ারী-ফেব্রæয়ারী- মার্চ মাসে বিক্রি হয়েছে ৩০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা দরে। সেই পান করোনাকালীন যোগাযোগ বন্ধ থাকায় বিক্রি হয়েছে বিড়া প্রতি ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকায়। আর ছোট যে ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে সেই পান এখন বিক্রি হচ্ছে বিড়া প্রতি ১০ টাকা দরে।’’
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে পানের দাম কমে যাওয়ায় মহেশখালীতে লোকসানে পড়েছেন পানচাষীরা। কয়েকগুণ লোকসান গুণে তাদেরকে পান বিক্রি করতে হচ্ছে। এতে মূলধন তুলতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। তবুও ঘুরে দাড়ানোর জন্য নতুন ভাবে পান চাষ শুরু করেছে পান চাষীরা।
চাষিরা বলছেন, আগে যে দামে পান বিক্রি হতো তার থেকে কয়েকগুণ কম দামে এখন বিক্রি করতে হচ্ছে। এ ছাড়া বরজ থেকে পান ভাঙতে যে শ্রমিক খরচ হয় পান বিক্রি করে সেই টাকা তোলাই কঠিন হয়ে পড়েছে। তারপারও আগামী বছর পানের দাম পাবেন এমন আশায় নতুন ভাবে চাষাবাদ শুরু করেছে।
পান ব্যবসায়ী বড় মহেশখালীর মোক্তার আহমদ জানান, করোনাভাইরাসের কারণে পান সরবরাহ না থাকায় মানুষ পান খাওয়া অনেক কমিয়ে দিয়েছে। এ ছাড়া বিদেশে পান রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। এছাড়াও উৎপাদিত এলাকায় পানের সরবরাহ বেশি থাকায় সামগ্রিক কারণে বাজারে পানের দাম কম।
এছাড়াও উৎপাদন ভালো হলেও বড় যে পান করোনার প্রকোপের আগে বিক্রি ৩০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা দরে। সেই পান করোনাকালীন যোগাযোগ বন্ধ থাকায় বিক্রি হয়েছে বিড়া প্রতি ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকায়। আর ছোট যে ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে সেই পান এখন বিক্রি হচ্ছে বিড়া প্রতি ১০ টাকা দরে।
মহেশখালীর শাপলাপুর ইউনিয়নের পানচাষী সরওয়ার আলম জানান, ভোর থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত পান ভাঙতে খাওয়া দাওয়াসহ একজন শ্রমিককে খরচ দিতে হয় ৫০০ টাকা। এখন অবস্থা এমন, পান ভেঙে বিক্রি করে তাতে শ্রমিকের পয়সা হয়না।
দাম কমার বিষয়ে কালারমারছড়াও আবদুর রহিম নামে এক কৃষক জানান, করোনার কারণে দূরদুরান্ত থেকে পাইকাররা আসতে পারছেন না। ফলে পান বিক্রয় কমে গেছে।
হোয়ানানকের নাছির উদ্দীন নামে আরেক কৃষক জানান, এক বিঘা জমিতে বছরে পান উৎপাদন, রক্ষণাবেক্ষণ ও শ্রমিকের খরচ পড়ে এক লাখ ৩০ হাজার টাকা। সেখানে সর্বনিম্ন তিন লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। এ বছর খরচের টাকা তোলাই কষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
মহেশখালী কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি সম্প্রাসারণ কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান আকন্দ জানায়, চলতি বছর মহেশখালীতে ১ হাজার ৬শহেক্টর জমিতে পান উৎপাদন হয়েছে ৪০ হাজার টন। প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানচাষে জড়িত। করোনার কারণে চাষীরা আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানান।

দেশবিদেশ/নেছার

Comments

comments

Posted ১১:২৩ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক : তাহা ইয়াহিয়া কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
০১৮১২-৫৮৬২৩৭
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com