• শিরোনাম

    ডাকবাংলোর অস্থায়ী কার্যালয়ে বিচারপ্রার্থী,আইনজীবিদের দূর্ভোগ

    মহেশখালীতে নতুন আদালত ভবণের টেন্ডার ৪ বছরেও হয়নি

    মোহাম্মদ শাহাব উদ্দীন,মহেশখালী | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১১:১২ অপরাহ্ণ

    মহেশখালীতে নতুন আদালত ভবণের টেন্ডার ৪ বছরেও হয়নি

    মহেশখালীতে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যজিষ্ট্রেট আদালতের পরিতাক্ত ঝুকিপূর্ণ ভবণ, ডাকবাংলোস্থ বর্তমান আদালত কক্ষ ও কার্যালয় গত ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর তৎকালীন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মীর শফিকুল আলম পরিদর্শন করেছিলেন। ওই সময় তিনি দ্রæত সময়ের মধ্যে পরিত্যক্ত আদালত ভবন অপসারণ করে নতুন ভবণ হওয়ার আশার আলো স্বপ্ন দেখালে আইনজীবি ও আদালত সংশ্লিষ্টরা খুশিতে আত্মহারা হয়ে পড়েন। কিন্তু অদ্যাবদি ৪ বছরেও ওই স্বপ্ন বাস্তবায়ন না হওয়ায় হতাশা ও দূর্ভোগের মধ্যে দৈনন্দিন কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

    এ সময় এছাড়াও ২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ  সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন আদালতের কার্যক্রম পরির্দশন করেন। এসময় পরিতাক্ত আদলত ভবণ ও অস্থায়ী কার্যালয়ে আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট , উপজেলা প্রশাসন ও আইনজীবিদের বৈঠকে বিচারককেও অবহিত করেন আইনজীবিরা। তখন তিনিও আশার বানী শুনিয়েছিলেন। কিন্তু কাজের কাজ হয়নি।
    মহেশখালী উপজেলার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের ভবনের
    গণপূর্ত বিভাগের কক্সবাজার কার্যালয় সুত্র জানাযায়, ১৯৮৪ সালে আদালত ভবনটি নির্মাণ করা হয়। ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ঘূর্ণিঝড়ে ভবনের বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দেয়। ১৯৯৯ সালের ২২ জুলাই ভূমিকম্পে ভবনের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফাটলের সৃষ্টি হয়। এরপর কয়েকবার ভবনটি সংস্কার করা হয়েছিল। কিন্তু সামান্য বৃষ্টি হলে ওই ভবনের ছাদ চুয়ে আদালতের এজলাস কক্ষসহ বিভিন্ন কক্ষে পানি ঢুকে বিভিন্ন কাগজপত্র নষ্ট হয়েছে তৎকালিন গণপূর্ত বিভাগের কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী ২০১৩ সালের এপ্রিলে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজকে চিঠি দেন। পরে বিষয়টি আইন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লি­ষ্ট শাখায় ঘোষনা করে। ২০১৪ সালের ৪ জুন আইন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মিয়াজী শহিদুল আলম চৌধুরী ঝুঁকিপূর্ণ ভবন থেকে আদালতের কার্যক্রম পাশের ডাকবাংলোয় স্থানান্তরের জন্য কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজকে চিঠি দেন। এর প্রেক্ষিতে প্রায় ১ বছর ঝুকিপূর্ণ ভবণে কার্যক্রম চালালেও আদালতের কার্যক্রম ডাকবাংলোতে অস্থায়ী ভাবে গত ২০১৬ সালের ১০ নভেম্বর স্থানান্তর করা হয়। ফলে ওই সময় থেকে ডাকবাংলোর নিচে অস্থায়ীভাবে আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমারে অস্থায়ী ভাবে সরকারী ডাকবাংলোর নিচের ছোট কক্ষ গুলোতে আদালতের কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।

    মহেশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সিনিয়র আইনজীবি এড. আবু তালেব বর্তমান অস্থায়ী আদালতে কার্যক্রম চালাতে খুবই কষ্ট হচ্ছে উল্লেখ করে বলেন, মাননীয় সুপ্রীম কোর্টের নির্দেশনাক্রমে পুরাতন ভবণ অপসারণ করে নতুন আদালত ভবণ নির্মান না করায় বিচার কার্যক্রম, হাজতী আসামী, বিচারপ্রার্থী থেকে শুরু করে সবাই দূর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। বর্ষায় বিচারপ্রার্থীরা বৃষ্টি ভিজে বাইরে অপেক্ষা করতে হয়। দ্রুত ভবণের টেন্ডার করে নতুন ভকণ নির্মাণ করে আদালত সংশ্লিষ্টদের দূর্ভোগ থেকে রক্ষার আহবান জানান সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কাছে। একই সুরে কথা বলেন এড.নরুল আলম, এড. হামিদুল হক, প্রমুখ।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ