• শিরোনাম

    স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ

    মহেশখালীতে প্রতিষ্ঠিত গঙ্গা গয়া বিষ্ণু মন্দির রক্ষা করা হোক

    বার্তা পরিবেশক | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ১০:৩০ অপরাহ্ণ

    মহেশখালীতে প্রতিষ্ঠিত  গঙ্গা গয়া বিষ্ণু মন্দির রক্ষা করা হোক

    সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এশিয়া বিখ্যাত মহেশখালীর ঐতিহাসিক আদিনাথ মন্দির। এ মন্দিরটি মৈনাক পর্বতে অবস্থিত। মন্দিরের পূর্ব পাশে এক সময়কার ন্যাড়া চরাঞ্চলে প্রায় ২২ হাজার গাছ রোপন করে সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি সাগরের ভাঙ্গন থেকে মন্দির রক্ষায় অনন্য ভূমিকা রেখেছেন একজন সামান্য সরকারি কর্মচারী রাম হরি দাশ। এরকম একটি অসাধারণ কাজ করেও কোন সময় সরকারি ভাবে মুল্যায়ন সম্পর্কিত কোন স্বীকৃতি পায়নি রাম হরি দাশ। পাশাপাশি তিনি আদিনাথ মন্দির পাদদেশে আদিনাথ জেটির প্রবেশ দ্বারে প্রতিষ্ঠা করেন গয়া গঙ্গা বিষ্ণু মন্দির। তিনি একজন সামান্য বেতনের সরকারি কর্মচারী হয়েও মনের ইচ্ছার জোরে তার বেতনের টাকা, জিপি ফান্ডের টাকা , স্ত্রীর স্বর্ণালংকার বিক্রি করে প্রায় ৭/৮ লক্ষ টাকা খরচ করে গয়া গঙ্গা বিষ্ণু মন্দির প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি তীর্থ যাত্রী ও পর্যটকদের ব্যবহারের জন্য ব্যাস কুন্ড পুকুর খনন করে এবং সিঁড়ি নির্মাণ করে দেন। এছাড়াও এ পুকুরের দক্ষিণ পাশে তিনি ১৯৯২ সালে সার্বজনীন ভাবে আদিনাথ গঙ্গা মহাশ্মশান নির্মাণ করেন। এটি হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টানের মহাশ্মশান নামে প্রচার করা হয়। বিগত ২০১২ সালে এটি বাংলাদেশ সরকার বধ্যভূমি হিসেবে একুয়ার করে। এটি কার্যকারীতা পায় ২০১৭ সালে এবং বধ্যভূমি হিসেবে অধিগ্রহণ করে। স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক এটি পুষ্পস্তবক অর্পনের মধ্যে দিয়ে উদ্বোধন করেন। এখানে প্রতি বছর পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপরও সরকারিভাবে কোন স্বীকৃতি পায়নি রাম হরি দাশ। জানা যায় যে, আজ ১৩ সেপ্টেম্বর মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির পরিদর্শন করতে আসছেন মাননীয় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য। গয়া গঙ্গা বিষ্ণু মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা রাম হরি দাশ মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, এ গয়া গঙ্গা বিষ্ণু মন্দিরের সামনে একটি মহল জোর পূর্বক দোকান ঘর নির্মানের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। তিনি জোর দাবী জানান যে, এখানে যেন কোন অবস্থাতে দোকান ঘর নির্মাণ করা না হয়। এব্যাপারে তিনি মহেশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও মহেশখালী থানায় অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ দোকান ঘর উচ্ছেদ করেন। পরপর দুই বার দোকান ঘর উচ্ছেদ করা হয়। এরপরও থেমে নেই ঐ মহলটি যারা গয়া গঙ্গা বিষ্ণু মন্দিরের সামনে দোকান ঘর নির্মাণ করতে চায়। এব্যাপারে রাম হরি দাশ মাননীয় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য, মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব এড. সিরাজুল মোস্তফা, মহেশখালী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ শরীফ বাদশা ও মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জামিরুল ইসলাম এর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। রাম হরি দাশ আরো বলেন, গয়া গঙ্গা বিষ্ণু মন্দিরের সামনে দোকান ঘর নির্মান করা হলে ক্ষতি হবে মন্দিরের। এখানে শীব চতুর্দশী মেলায় আগত হাজার হাজার তীর্থ যাত্রী, দর্শনার্থী ও পর্যটকগণ অবস্থান নেন। ঐ সময় এখানে তাদের জন্য রাত্রী যাপনের ব্যবস্থাও করা হয়।

    দেশবিদেশ/নেছার

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ