বুধবার ৮ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

রক্তস্নাত অমর একুশে আজ: স্মরণ করবে সারা বিশ্ব

  |   রবিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১

রক্তস্নাত অমর একুশে আজ: স্মরণ করবে সারা বিশ্ব

দেশবিদেশ নিউজ ডেস্ক:
রক্তস্নাত সেই অমর একুশে আজ। আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসও। মায়ের ভাষার অধিকার রক্ষায় ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রæয়ারি (৮ ফাল্গুন ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ) প্রথমবার মানুষ বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিল রাজপথে। সেই মানুষের পরিচয়, তারা বাঙালি। বাঙালি জাতির শোকের ও গৌরবের দিন।

দিবসটি এখন আর শুধু বাঙালির নয়, পৃথিবীর সব ভাষাভাষী মানুষের। কয়েক হাজার ভাষায় কথা বলা কোটি কোটি মানুষ দিনটি শ্রদ্ধাভরে পালন করেন। অবশ্য যে বাঙালি জাতির রক্তে এ দিবস এসেছে তাদের কাছে দিনটির আবেদন অন্যরকমই। সেদিন রক্তে কেবল ভাষার অধিকার অর্জন হয়নি-স্বাধীনতার বীজও রোপিত হয়েছিল। যার ফল আসে উনিশশো একাত্তরে।

আজ থেকে ৬৯ বছর আগের কথা। একুশে ফেব্রæয়ারি উত্তাল হলো ঢাকার রাজপথ। পাকিস্তানি শাসকদের হুমকি-ধমকি, রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ১৪৪ ধারা ভেঙে মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার দাবিতে পথে নেমে এলো ছাত্র, শিক্ষক, শিশু-কিশোরসহ নানা বয়সী অসংখ্য মানুষ। বসন্তের আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত করে তারা বজ্রনির্ঘোষ কণ্ঠে আওয়াজ তুললো, ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’। পলাশে-শিমুলে রক্তিম হলো বাংলার দিগন্ত। গুলি চালানো হলো মিছিলে। সালাম, বরকত, রফিক, শফিক, জব্বারসহ বাংলা মায়ের অকুতোভয় সন্তানদের তাজা রক্তে রঞ্জিত হলো দেশের মাটি। এক অভূতপূর্ব অধ্যায় সংযোজিত হলো মানব ইতিহাসে।

অমর একুশের পথ ধরেই উন্মেষ ঘটেছিল বাঙালির স্বাধিকার চেতনার। সেই আন্দোলনের সফল পরিণতি- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন। ভাষার জন্য বাঙালির এই আত্মদানের দিনটিকে ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্কো) ঘোষণা দিয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে। যার জন্য বাঙালির সঙ্গে সারা বিশ্ববাসী দিনটি পালন করবে মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা ও গৌরব বুকে নিয়ে।

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ পৃথক বাণী প্রদান করেছেন।

এ বছর দিবসটি পালনে বিগত বছরগুলোর ধারাবাহিকতার খানিকটা ব্যত্যয় ঘটছে। প্রতি বছর একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলেও বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ সংক্রমণের কারণে এবার তাঁরা সশরীরে শহীদ মিনারে যেতে পারছেন না। তবে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসহ দেশের সব শহীদ মিনারই সীমিত পরিসরে উন্মুক্ত থাকছে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শ্রদ্ধা জানাতে সরকারের তরফ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এডিবি/জেইউ।

Comments

comments

Posted ২:৫৪ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক : তাহা ইয়াহিয়া কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
০১৮১২-৫৮৬২৩৭
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com