• শিরোনাম

    রোহঙ্গিা প্রত্যাবাসন প্রস্তুত ট্রানজটি ক্যাম্প

    শফকি আজাদ,উখয়িা | ১৫ নভেম্বর ২০১৮ | ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ

    রোহঙ্গিা প্রত্যাবাসন প্রস্তুত ট্রানজটি ক্যাম্প

    ময়িানমার থকেে পালয়িে এসে বাংলাদশেে আশ্রয় নওেয়া রোহঙ্গিাদরে স্বদশেে ফরেত পাঠানোর সব ধরনরে প্রস্তুতি সম্পন্ন। বাংলাদশেরে পক্ষে প্রস্তুত করা হয়ছেে ট্রানজটি ক্যাম্প। একই ভাবে ময়িানমাররে পক্ষ থকেওে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করছেে বলে গণমাধ্যমকে জানয়িছেনে তারা। ইতমিধ্যে প্রত্যাবাসনরে র্অন্তভূক্ত ২ হাজার ২৬০ জন রোহঙ্গিার তালকিা জাতসিংঘরে শরর্ণাথী বষিয়ক সংস্থা ইউএনএইচসআিরকে হস্তান্তর করা হয়ছে।ে তবে পুরো বশি^বাসরি দৃষ্টি এখন প্রত্যাবাসনরে দকি।ে আজ কি হচ্ছে রোহঙ্গিা প্রত্যাবাসন ! গত ৩০ অক্টোবর জয়ন্টে ওর্য়াকংি গ্রুপরে সভায় রোহঙ্গিাদরে পরবিারভত্তিকি তালকিা ময়িানমার সরকাররে হাতে তুলে দনে শরর্নাথী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমশিনার। এতে প্রায় ২২ হাজার রোহঙ্গিার নামরে তালকিা রয়ছে।ে এসব তালকিা যাচাই-বাচাই করে ময়িানমার প্রথম দফায় ৫ হাজার রোহঙ্গিাকে ফরেত নওেয়ার কথা দনে ময়িানমার। যাদরে মধ্য থকেে প্রথম দফায় ২ হাজার ২৬০জনকে ফরেত নওিয়ার আশ^াস দয়ে ময়িানমার। প্রতদিনি ১৫০জন করে ১৫দনি এ র্কাযক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানয়িছেনে প্রত্যাবাসন সংশ্লষ্ঠিরা।
    সরজমনি উখয়িার টভিি রলিে কন্দ্রে সংলগ্ন ঘুমধুম রাবার বাগান ঘুরে দখো যায়, প্রত্যাবাসনরে তালকিাভূক্ত রোহঙ্গিাদরে রাখার জন্য নতুন ভাবে সজ্জতি করা হয়ছেে নবনর্মিতি ট্রানজটি ক্যাম্প। ১২ ফুট দর্ঘ্যৈ-প্রস্থরে ৫৭টি ঘর ইতমিধ্যে প্রত্যাবাসনরে জন্য প্রস্তুত। ৪০টরি মত টয়লটে সহ গভীর নলকূপ কাজও শষে হয়ছেে বুধবার। রোহঙ্গিাদরে পরবিহণরে জন্য ইউএনএইচসআিররে পক্ষ থকেে মজুদ রাখা হয়ছেে কার্ভাট ভ্যান।
    রোহঙ্গিা প্রত্যাবাসন সর্ম্পকে ঘুমধুম ট্রানজটি ক্যাম্পে কথা হয় র্দুযোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়রে যুগ্ন সচবি রজেওয়ান আহমদরে সাথ।ে এসময় তনিি বলনে, আমরা মাট র্পযায়ে সদ্ধিান্ত বাস্তবায়ন র্কমর্কতা। সুতারাং উপর থকেে যে ধরনরে নর্দিশেনা আসব,ে তা বাস্তবায়ন করার জন্য আমরা সর্ম্পূণ প্রস্তুত নয়িে রখেছে।ি স্বইচ্ছায় রোহঙ্গিারা ফরেত যতেে রাজী কি না? এমন প্রশ্নরে জবাবে রজেওয়ান আহমদে বলনে, আমরা ইচ্ছরে বরিুদ্ধে কাউকে ফরেত পাঠানো হবে না। কন্তিু বষিয় হচ্ছে র্দীঘদনি একটি স্থানে থাকার পর আরকে স্থানে চলে যাওয়ার সময় একটু স্বাভাবকি সবার আবগোপ্লুত পরস্থিতিরি সৃষ্টি হয়। এগুলোতো আর ইচ্ছরে বরিুদ্ধে বাবার সুযোগ নইে।
    রোহঙ্গিা প্রত্যাবাসন সর্ম্পকে (অতরিক্তি) শরর্নাথী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমশিনার শামসুদ্দোজা জানান, বৃহস্পতবিার প্রত্যাবাসনরে র্দীঘক্ষণ ঠকি রাখা হয়ছে।ে তবে উপররে সদ্ধিান্তরে উপর সব কছিু নর্ভির করছ।ে আমাদরে পক্ষ থকেে যাবতীয় প্রস্তুতি নওেয়া হয়ছে।ে
    নাইক্ষ্যংছড়রি ঘুমধুম সীমান্তরে নোম্যান্স ল্যান্ডরে ওপারে ঢকেবিুনয়িা বজিপিি (ময়িানমার র্বডার র্গাড অব পুলশি) ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় সদেশেরে বাহনিী ও রাখাইন লোকজনরে বশে উপস্থতিি দখো যায়। ঢকেবিুনয়িা বজিপিি ক্যাম্পরে পাশর্^ে তরৈী করা হয়ছেে টনিরে ছাউনী দয়িে ট্রানজটি ক্যাম্প। এসময় দুবাসি আব্দুল করমি জানান, ফরেত নওেয়া রোহঙ্গিাদরে প্রথমে ওই ক্যাম্পে রাখা হব।ে পরর্বতীতে সখোন থকেে নওেয়া হবে মংডু নাবরিবলি ট্রানজটি ক্যাম্প।ে তারপর যাছাই-বাছাই করে স্ব স্ব গ্রামরে ফরেত পাঠানো হতে পারে সে মন্তব্য করনে।
    প্রত্যাবাসনরে তালকিাভূক্ত উখয়িার থাইংখালী জামতলী জ-ি১৩নং ক্যাম্প আশ্রতি রোহঙ্গিা ও মংডু কোয়াংচবিন এলাকার বাসন্দিা হোছন আহাম্মদ (৪২) ও স্ত্রী মনিারা বগেম(৩৭) জানায়, তারা ময়িানমারে ফরেত যাওয়ার জন্য মানষকি ভাবে প্রস্ততি নয়িছে।ে তবে তাদরে একটি মাত্র দাবী ময়িানমারে বশেরি দনি ট্রানজটি ক্যাম্পে রাখা যাবনো। স্ব স্ব বসত ভটিায় ফরেত পাঠাতে হবে এবং সখোনে নরিাপদ বসবাসরে ব্যবস্থা করতে হব।ে অন্যথায় ফরেত যতেে নারাজ তারা।
    একই কথা (প্রত্যাবাসনরে তালকিাভুক্ত) রোহঙ্গিা নারী সাদকো বগেম (২৩) এর। সে বলনে, স্বামী মোঃ জুহার ছাড়াও তাদরে সংসারে আরো ২ ছলে/েময়েে রয়ছে।ে তাদরেকে ফরেত নতিে হলে র্সাবকি নরিাপত্তার ব্যবস্থা করত।ে তালকিাভূক্ত আরকে নারী ছয়ৈদা খাতুন (৪০) বলনে, তারা ময়িানমারে ফরেত যাব,ে কন্তিু এনভসি(িন্যাশনাল ভরেফিকিশেন র্কাড) নবেে না। মোঃ খালচে (৪৫) জানালনে, ‘আমাদরেকে কোন কছিু স্পষ্ট করে বলা হচ্ছে না। আমরা অবশ্যই ময়িানমারে ফরেত যাব, কারণ এটি আমাদরে দশে নয়, তবে আমাদরে কছিু দাবী-দাওয়া রয়ছেে তা এখনো বাস্তবায়ন করনেি ময়িানমার। এতে কভিাবে ফরেত যাব ভবেে উঠতে পারছনিা।
    গত বছররে ২৫ আগস্ট থকেে ময়িানমাররে রাখাইনে সহংিসতা শুরুর পর প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পরেয়িে বাংলাদশেে পালয়িে আসে সাড়ে ৭ লাখরেও বশেি রোহঙ্গিা। এর আগরে বছর র্অথাৎ ২০১৬ সালরে ৯ অক্টোবরসহ বভিন্নি সময়ে পালয়িে আসা রোহঙ্গিাসহ এখন উখয়িা ও টকেনাফ আশ্রয় শবিরিে অবস্থান নয়িছেে প্রায় ১১ লাখ ১৮ হাজার রোহঙ্গিা।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ