• শিরোনাম

    রোহিংগাদের আশ্রয় দিয়ে মানবতা দেখিয়েছে বাংলাদেশ-হেলাল উদ্দিন

    রোহিংগা ক্যাম্পে সৌর বিদ্যুৎ চালিত পানি সরবরাহ প্রকল্পের উদ্বোধন

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ০১ আগস্ট ২০১৯ | ১:৪৯ পূর্বাহ্ণ

    রোহিংগা ক্যাম্পে সৌর বিদ্যুৎ চালিত পানি সরবরাহ প্রকল্পের উদ্বোধন

    উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উদ্বোধনের মাধ্যমে শুরু হয়েছে বিশে^র বৃহত্তম মানবিক বড় সৌরবিদ্যুৎ চালিত বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ কার্যত্রম। ৩১ জুলাই বুধবার দুপুর ১টার দিকে উখিয়ার ১২নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান সরকারের অর্থায়নে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় ‘আইওএম’ এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।
    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলাল উদ্দিন আহমদ। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো: আবুল কালাম, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপান দূতাবাসের মিনিষ্টার তাকেসী-ইতো, জাইকার বাংলাদেশের প্রধান প্রতিনিধি হিতোশী হিরাতা, আইওএম’র বাংলাদেশের প্রধান জর্জ গিগৌরী। পরে উক্ত প্রকল্পের বিভিন্ন দিক ঘুরে দেখেন সংশ্লিষ্টরা।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব হেলাল উদ্দিন বলেন, নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ে দিয়ে বিশে^ বড় মানবতা দেখিয়েছে বাংলাদেশ, বিশে^ বড় মানবতাবাদী মানুষ বাংলাদেশের মানুষ। আর কক্সবাজারের স্থানীয়রা তাদের মানবতার প্রমাণ দেখিয়েছে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়িয়ে। বিশে^ সবচেয়ে বড় শরনার্থী ক্যাম্প হচ্ছে কুতুপালং ক্যাম্প । আর তাদের পানি সংকট নিরসনে বিশে^র বৃহত্তম মানবিক বড় সৌরবিদ্যুৎ চালিত বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ কার্যত্রম শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গাদের বিশুদ্ধ পানির চাহিদা মিটবে।

    জাপান দূতাবাসের মিনিষ্টার তাকেসী-ইতো বলেনঃ “বাংলাদেশ সাত লাখেরও বেশি শরণার্থীদের গ্রহণ করেছে এবং আমরা এখন লাখ লাখ লোকের পানির চাহিদা মিটাব। এর মাধ্যমে আমরা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ছয় নম্বর শর্ত ‘সবার জন্য বিশুদ্ধ পানি এবং স্বাস্থ্যকর পরিবেশ’ এট নিশ্চিত হবে।“
    শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো: আবুল কালাম বলেনঃ “রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের এই নেটওয়ার্ক সবচেয়ে বড় এবং খুবই সাশ্রয়ী। যৌথ প্রচেষ্টার একটা বড় সাফল্য এটি।“

    বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের এই নেটওয়ার্ক-এর মাধ্যমে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ১২ এবং ১৯ নম্বর ক্যাম্পের ৮৭ পানি সরবরাহ পয়েন্টে ৩৫৮টি পানির ট্যাপের ২৪-ঘন্টাব্যাপী পানি সরবরাহ করা হবে। পাশাপাশি এই পানির নেটওয়ার্কের বিশুদ্ধতা রক্ষার জন্য রয়েছে একটি পরিশোধক প্ল্যান।

    আইওএম বাংলাদেশ মিশনের প্রধান জর্জ গিগৌরী বলেন, সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে ভূস্তরের ৪শ মিটার গভীর থেকে ২৪ ঘন্টায় ৫লাখ ৮০ হাজার লিটার পানি উত্তোলন করা হবে। এতে কমপক্ষে ৩০ হাজার রোহিঙ্গা জনগোষ্টি বিশুদ্ধ পানির সুবিধা পাবেন। এই পানি সরবরাহ নেটওয়ার্কটির সাথে পরিচিতি করানোর জন্য রোহিঙ্গা ভলান্টিয়ারদের মাধ্যমে শরণার্থীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করার জন্যো কাজ করছে আইওএম। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে এখানকার অধিবাসীরা এই প্রযুক্তির সাথে নিজের খাপ খাওয়াতে পারে সেজন্যো কাজ করবে আইওএম।“

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ