• শিরোনাম

    লিটন-মিরাজ জুটির সেঞ্চুরি

    দেশবিদেশ অনলাইন ডেস্ক | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৬:৪৪ অপরাহ্ণ

    লিটন-মিরাজ জুটির সেঞ্চুরি

    ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে ফিফটি পেয়েছেন লিটন দাস। ১৮তম ইনিংসে পেলেন প্রথম ফিফটি। আগের সর্বোচ্চ ছিল ৪১, এই এশিয়া কাপেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে। রবীন্দ্র জাদেজাকে স্কয়ার ড্রাইভে চার হাঁকিয়ে ৩৩ বলে পঞ্চাশ পূর্ণ করেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। এই সময়ে তিনি চার মারেন ৬টি, ছক্কা ২টি।

    লিটন-মিরাজ জুটির পঞ্চাশ
    ১, ১৫, ১৫, ১৬, ৫- এগুলো এশিয়া কাপে বাংলাদেশের প্রথম পাঁচ ম্যাচে ওপেনিং জুটির রান! প্রথম ম্যাচেই চোট নিয়ে ছিটকে যান তামিম ইকবাল। পরের তিন ম্যাচে লিটন দাসের সঙ্গী হিসেবে ওপেন করতে পাঠানো হয় নাজমুল ইসলাম শান্তকে, আর সর্বশেষ ম্যাচে সৌম্য সরকারকে। কিন্তু ওপেনিং জুটির ভাগ্যে বদল আসেনি।

    আজ ফাইনালে সবাইকে অবাক করে দিয়ে লিটনের সঙ্গী হিসেবে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজকে। তাতেই বাংলাদেশ পেয়েছে টুর্নামেন্টে নিজেদের সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটি, প্রথম পঞ্চাশ ছোঁয়া জুটি। ৪৬ বলে ছুঁয়েছে জুটির পঞ্চাশ। ৮ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর বিনা উইকেটে ৫৮। লিটন ৪১ ও মিরাজ ১৫ রানে অপরাজিত আছেন।

    ১১ ম্যাচ পর পঞ্চাশোর্ধ উদ্বোধনী জুটি পেল বাংলাদেশ। সর্বশেষটি ছিল এ বছরের জানুয়ারিতে ঢাকায় ত্রিদেশীয় সিরিজে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তামিম ইকবাল ও এনামুল হক বিজয় জুটির ৭১ রান।

    ওপেনিংয়ে মিরাজ
    ফাইনালের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেছিলেন, ওপেনিংয়ে চমক দেখা যেতে পারে। অধিনায়কের কথাই সত্যি হলো। আগের সব ম্যাচে ওপেনিং জুটি ব্যর্থ হয়েছে। আজ সবাইকে অবাক করে দিয়ে লিটন দাসের সঙ্গী হিসেবে ওপেন করতে নেমেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ক্যারিয়ারের আগের ওয়ানডে ১০ ইনিংসে মিরাজ ব্যাটিং করেছেন ছয়, আট ও নয় নম্বরে। এই প্রথম নামলেন ওপেনিংয়ে।

    ভারত দলে পাঁচ পরিবর্তন
    আফগানিস্তানের বিপক্ষে নিয়ম রক্ষার ম্যাচে দুই ওপেনার অধিনায়ক রোহিত শর্মা ও শিখর ধাওয়ানের সঙ্গে তিন বোলার ভুবনেশ্বর কুমার, জাসপ্রিত বুমরাহ ও যুজবেন্দ্র চাহালকে বিশ্রাম দিয়েছিল ভারত। আজ তারা সবাই দলে ফিরেছেন। বাদ পড়েছেন লোকেশ রাহুল, মনিশ পান্ডে, দীপক চাহার, সিদ্ধার্থ কৌল ও খলিল আহমেদ।

    ভারত একাদশ
    রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শিখর ধাওয়ান, আম্বাতি রাইডু, দিনেশ কার্তিক, মহেন্দ্র সিং ধোনি, কেদার যাদব, রবীন্দ্র জাদেজা, ভুবনেশ্বর কুমার, কুলদীপ যাদব, জাসপ্রিত বুমরাহ ও যুজবেন্দ্র চাহাল।

    বাংলাদেশ দলে একটি পরিবর্তন
    আগের ম্যাচ থেকে বাংলাদেশ দলে একটি পরিবর্তন এসেছে। পাঁচ বিশেষজ্ঞ বোলার নিয়ে খেলতে মুমিনুল হককে বাদ দিয়ে দলে নেওয়া হয়েছে বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপুকে। আগের ম্যাচে চার বিশেষজ্ঞ বোলার নিয়ে খেলেছিল বাংলাদেশ।

    বাংলাদেশ একাদশ
    লিটন দাস, ইমরুল কায়েস, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, মোহাম্মদ মিথুন, সৌম্য সরকার, মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), মেহেদী হাসান মিরাজ, নাজমুল ইসলাম অপু, রুবেল হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান।

    টস: ফাইনালে টস ভাগ্য পাশে পেলেন না বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছেন ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা। অর্থাৎ আগে ব্যাটিং করবে বাংলাদেশ। দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরু বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৫টায়।

    আরেকবার শিরোপা জয়ের হাতছানি
    আরেকটি ফাইনাল, আরেকবার শিরোপা জয়ের হাতছানি। এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশের সামনে ভারত। গত আসরে এই ভারতের কাছে হেরেই স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল বাংলাদেশের। যদিও সেটা ছিল টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। এবার খেলাটা ৫০ ওভারের। এই নিয়ে এশিয়া কাপের শেষ চার আসরে এটি বাংলাদেশের তৃতীয় ফাইনাল। গত আসরের আগে ২০১২ সালের ফাইনালে হেরেছিল পাকিস্তানের কাছে। ২ রানের সেই হারের পর সাকিব-মুশফিকদের কান্না ছুঁয়ে গিয়েছিল গোটা দেশকে। এবার অঘোষিত সেমিফাইনালে সেই পাকিস্তানকে হারিয়েই শিরোপা লড়াইয়ের মঞ্চে এসেছে বাংলাদেশ। ফাইনালের পথটা যদিও সহজ ছিল না।

    শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই কবজির চোট নিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ হয়ে যায় তামিম ইকবালের। আঙুলের চোট নিয়ে খেলতে যাওয়া সাকিব আল হাসানকে হারাতে হয় পাকিস্তান ম্যাচের আগে। দেশের ফিরে এরই মধ্যে অস্ত্রোপচারও করাতে হয়েছে তাকে। আর কয়েক ঘণ্টা দেরি হলে বড় বিপদই হতে পারত এই অলরাউন্ডারের! মুশফিকুর রহিম পাঁজরের চোট নিয়েই খেলছেন, ব্যাটিংয়ে সবচেয়ে বেশি অবদানও রাখছেন তিনিই। আগের ম্যাচে অবিশ্বাস্য এক ক্যাচ নিয়ে আঙুলে চোট পেয়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তজাও। গরমের সঙ্গে লড়াই তো আছেই। সব বাধা পেরিয়ে ফাইনালে উঠেছে দল। এবার শিরোপাটা ধরা দিলে সেটি হবে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তিই। বাংলাদেশ যে কখনো ত্রিদেশীয় সিরিজ, বৈশ্বিক কিংবা মহাদেশীয় কোনো টুর্নামেন্টের শিরোপা জেতেনি।

    এগিয়ে ভারত
    দুই দল এর আগে ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছে ৩৪ বার। যেখানে ভারতের জয় ২৮ ম্যাচে, বাংলাদেশ জিতেছে ৫টি, একটির ফল হয়নি। এশিয়া কাপে দুই দলের ১১ বারের দেখায় ১০ বারই জিতেছে ভারত। বাংলাদেশের একমাত্র জয়টা ২০১২ সালের টুর্নামেন্টে।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    লিটনের প্রথম সেঞ্চুরি

    ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ