• শিরোনাম

    লোপেজ মাদকের ‘গডমাদার’!

    দেশবিদেশ অনলাইন ডেস্ক | ২৭ জুলাই ২০১৯ | ৯:৪১ অপরাহ্ণ

    লোপেজ মাদকের ‘গডমাদার’!

    গ্লিসেন্ডা ব্ল্যাঙ্কো। তাঁকে অপরাধজগৎ একনামে চেনে ‘লা মাদরিনা’ নামে। যার ইংরেজি অর্থ গডমাদার। হ্যাঁ, তিনি গডমাদার, মাদকের গডমাদার। আরও স্পষ্ট করে যদি বলা হয়, তিনি কোকেনের গডমাদার। দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় তিনি কলাম্বিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি, নিউইয়র্ক আর ক্যালিফোর্নিয়ার মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন। গত শতকের সত্তর-আশির দশকে যুক্তরাষ্ট্রে মাদক বাণিজ্যে বিপ্লব ঘটান তিনি। কারাগারে আটকে রেখেও তাঁর মাদক ব্যবসা বন্ধ করা যায়নি। সেখানে বসে তিনি নিরাপদে ব্যবসা পরিচালনা করেছেন।

    বলা হয়, সকাল বলে দেয় দিন কেমন যাবে। ব্ল্যাঙ্কোর সকাল অর্থাৎ ছোটবেলা ছিল সবার থেকে আলাদা। তিনি জানতেন না তাঁর বাবা কে বা বাবা কী। সেখান থেকেই ভয়ংকর অপরাধের বীজ বোনা হয়েছে তাঁর শরীরে, মনে, মস্তিষ্কে। ১২ বছরের আগেই তিনি অপহরণের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। তাঁকে যে ছেলে পছন্দ করত, তাকেই অপহরণ করে অর্থ দাবি করেন, একদম পেশাদার ছেলেধরার মতোই। পকেটমারিতেও দক্ষ ছিলেন।

    মায়ের প্রেমিক তাঁকে যৌন নিপীড়ন করতেন। তাই ১৬ বছরের আগেই একদিন তিনি ঘর ছেড়ে পালান আর ২০ বছরের আগেই গড়েন নিজের সাম্রাজ্য। নিজের তিন স্বামীকে তিনি খুন করেছেন। আরও অন্তত ২০০ জনকে হত্যা করা হয়েছে তাঁর নির্দেশে। তাঁর সম্পদের পরিমাণ আনুমানিক ২০০ কোটি ডলার।

    ২০১২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর। কলাম্বিয়ার কার্দিসোতে ২৯ নম্বর রাস্তায় একটা কসাইখানা থেকে তিনি ১৫০ ডলারের মাংস কেনেন। তখন দোকানের ওপাশ থেকে মুখঢাকা এক আততায়ী তাঁর মাথা লক্ষ্য করে দুটো গুলি ছোড়ে। সেখানেই মৃত্যু হয় কোকেন গডমাদারের। আর হত্যাকারী শান্তভাবে মোটরবাইকে চড়ে যেন হাওয়ায় মিলিয়ে যায়!

    বিশ্বের সবচেয়ে বড় ড্রাগলর্ডের একজন গ্লিসেন্ডা ব্ল্যাঙ্কো আবারও ফিরবেন। ফিরবেন বড় পর্দায়। তাঁর জীবন ফিরবে চলচ্চিত্র হয়ে। সেখানে ব্ল্যাঙ্কোর চরিত্রে দেখা যাবে মার্কিন অভিনয়শিল্পী, গায়িকা, নৃত্যশিল্পী ও প্রযোজক জেনিফার লোপেজকে। ছবির নাম ‘দ্য গডমাদার’। এই ছবির শুধু গডমাদার নন, প্রযোজকও তিনি। শোনা যাচ্ছে, এই ছবি দিয়েই নাকি পরিচালকদের খাতায় নাম তুলতে যাচ্ছেন জেনিফার লোপেজ। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

    ডেডলাইন হলিউডকে জেনিফার লোপেজ বলেছেন, ‘সব সময়ই গ্লিসেন্ডা ব্ল্যাঙ্কোর জীবনের গল্প আমাকে সমসময় টানত, কৌতূহলী করত। বড় পর্দায় এই রহস্যময়, অন্ধকারাচ্ছন্ন জীবনকে তুলে ধরার জন্য আমি মুখিয়ে আছি। এ ধরনের নেতিবাচক আর জটিল চরিত্র অভিনয়শিল্পীরা খুব কমই পায়।’

    Comments

    comments

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ