বৃহস্পতিবার ২৮শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

অসময়ের বৃষ্টিতে খুশি পাহাড় খেকোরা

শহরের গরুর হালদায় ভয়াবহ পাহাড় কাটা

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বৃহস্পতিবার, ০৭ মার্চ ২০১৯

শহরের গরুর হালদায় ভয়াবহ পাহাড় কাটা

বর্ষা মৌসুমের জন্য অপেক্ষা করা পাহাড় খেকোরা আগাম বৃষ্টির দেখা পেয়ে মহাখুশি। অসময়ে বৃষ্টিপাতের সাথে সাথে পাহাড় কাটা শুরু হয়েছে। গতকাল শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে শুরু হয়েছে পাহাড় কাটা । বিশেষ করে সিটি কলেজস্থ গরুর হালদা এলাকায় দুইশ ফুট উচু পাহাড় কাটা হচ্ছে। এতে ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে অসংখ্য বসতবাড়ি। এমন পাহাড় কাটার ঘটনা পরিদর্শন করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তর।
গতকাল সরেজমিনে দেখা যায়, কক্সবাজার সিটি কলেজের পশ্চিম পাশে আলীর জাহালস্থ গরুর হালদা এলাকায় বিশাল একটি পাহাড় কাটা হচ্ছে । গতকাল বৃষ্টির সাথে সাথে পাহাড় কেটে এসব কাটা মাটি বৃষ্টির পানির সাথে নালায় ছেড়ে দেয়। নালা ভর্তি হয়ে এসব কাদা মাটি এলাকায় ছড়িয়ে গেলে দুর্ভোগের শিকার এলাকাবাসী। এছাড়া এই উচু পাহাড়ের নিচে বাস করা ৩০ টি পরিবার আতংকে রয়েছে। যে কোন মুহূর্তে পাহাড় ধসে স্থানীয়দের বসতবাড়ি চাপা পড়ে জানমালের ক্ষতির আশংকা করছেন এলাকাবাসী। স্থানীয়রা জানান, ফোরকান নামের এক ব্যক্তি পাহাড় কেটে ৫ কানি জায়গা দখল করেছে। এবার নতুন করে পাহাড় কেটে জায়গা দখলে নেমেছে। কোট বাজার এলাকার জুয়েল ও সোহেল নামের দুই ব্যক্তিকে পাহাড় কেটে প্লট তৈরী করার শর্তে বিশাল অংকের টাকা নিয়ে পাহাড় কাটায় নেমেছেন ফোরকান।
পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক কামরুল হাসান জানান, পাহাড় কাটার খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। অভিযানের টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার কারনে তখন হাতে নাতে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পাহাড় কাটায় জড়িত মহেশখালির শাপলাপুরের বারিয়াপাড়া নোনাছড়ি এলাকার মোহাম্মদ ইসহাকের পুত্র ফোরকান আহমদ। তার বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে পরিবেশে আইনে মামলা হয়েছিল। সেই সময় পাহাড় কেটে ট্রাকে ট্রাকে মাটি পাচারের অভিযোগ ছিল। তিনি আবার নতুন করে পাহাড় কাটা শুরু করেছেন। এবার তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের এনফোর্সমেন্ট এর মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়ার প্রতিবেদন পাঠানো হবে।
এদিকে শহরের কলাতলি আদর্শগ্রাম, বৈদ্যঘোনা, লাইট হাউজ পাড়া, দক্ষিণ আদর্শগ্রামসহ বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে পাহাড় কাটা শুরু হয়েছে। এখন পাহাড় কেটে মাটি জমা রাখছে, পরে বৃষ্টি হলে বৃষ্টির পানির সাথে এসব মাটি নিচু এলাকায় ছেড়ে হবে এমন আশায় মাটি কাটা হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানান।

Comments

comments

Posted ১:৩৩ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৭ মার্চ ২০১৯

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক : তাহা ইয়াহিয়া কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
০১৮১২-৫৮৬২৩৭
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com