শুক্রবার ২৭শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

টানা বর্ষন-জনভোগান্তি

শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে খানাখন্দকে ভরপুর

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯

শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে খানাখন্দকে ভরপুর

শহরের প্রধান সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ। খানাখন্দের জন্য নাগরিক জীবন দুবির্ষহ হয়ে পড়ছে। দিন দিন দীর্ঘতর হচ্ছে যানজট। সরকারি কার্যদিবস ছাড়াও শুক্র এবং শনিবারের মতো ছুটির দিনের চিত্রও একই।
প্রধান সড়কসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো কয়েকমাস আগে সংস্কার করা হয়েছিলো। সংস্কারকৃত এসব সড়ক আবারো আগের অবস্থায় ফিরে আসতে শুরু করছে। বিটুমেন, ইট, কংক্রিট উঠে যাওয়ায় এই অবস্থার সৃষ্টি।
সড়কে সৃষ্ট খানাখন্দের কারণে প্রতিদিন ছোটখাটো দুর্ঘটনা লেগেই থাকছে। আহত হচ্ছেন যানবাহনের থাকা যাত্রীরা। এসব দুর্ঘটনার কারণেও যানজট বেড়ে যায়। অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসের পরিবহনের মতো গুরুত্বপূর্ণ যানবাহনগুলোও এই যানজটের কবলে পড়ে।

কক্সবাজার শহরের অন্য সড়কগুলোর তুলনায় খারাপ অবস্থার দিকে যাচ্ছে প্রধান সড়ক এবং সার্কিট হাউজ (শহীদ স্মরণি থেকে ডিসির বাংলো) রোড এমনকি হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে থাকা সড়কও রয়েছে এই তালিকায়। বিপুল সংখ্যক মানুষ গুরুত্বপূর্ণ এই দুইটি সড়ক ব্যবহার করে থাকেন। দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা (ভিআইপি) ও সড়ক দুইটি ব্যবহার করে থাকেন।
এই সড়ক দুটির অবস্থা দিন দিন নাজুক হচ্ছে। শহরের প্রধান সড়কের লালদিঘির পাড় থেকে ফায়ার সার্ভিস, বাজারঘাটা, আলীর জাঁহাল, রুমালিয়ারছড়ার বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ। সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব গর্তে পানি প্রবেশ করে। ফলে দিন দিন এসব গর্ত বড় হচ্ছে। সার্কিট হাউজ রোডের অবস্থাও একই। সড়কটির অবস্থা এতোই খারাপের দিকে যাচ্ছে যে, টমটমের মতো সাধারণ যাত্রীবাহি পরিবহনের চালকরাও এই সড়ক ব্যবহার করতে চান না। বিকল্প হিসেবে বিজয় স্মরণি ব্যবহার করেন।

এমনিতেই শহরের প্রধান সড়কটি অত্যন্ত ছোট। ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি গাড়ি এই সড়কের উপর দিয়ে চলাচল করে। তার উপর সড়কটির বিভিন্ন স্থানে সৃষ্ট গর্তের কারণে বেড়ে গেছে যানজট। দিনের বেলা ছাড়াও সন্ধ্যা এমনকি রাতেও এই যানজটের কবল থেকে মুক্তি পাননা সড়ক ব্যবহারকারীরা। এটি সড়কটির নিত্যদিনের চিত্র।
প্রধান সড়কে যানজট এতোই ভয়াবহ আকার ধারণ করে যে, অনেক সময় শুধু বাজারঘাটা থেকে লালদিঘির পাড় পর্যন্ত পৌঁছতেই যানবাহনের যাত্রিদের লেগে যায় এক ঘন্টার বেশি সময়। লালদিঘির পাড় থেকে থানা রাস্তার মাথা পর্যন্ত সড়কের অবস্থাও একই। এই অংশের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্ট ছোট ছোট গর্ত দিন দিন বড় হয়ে যাচ্ছে।
ভোলাবাবুর পেট্রোল পাম্প এবং বাজারঘাটায় ট্রাফিক পুলিশের দুইজন সদস্যকে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। তবে, তাঁদের পক্ষেও এই যানজটের সুরাহা করা সম্ভব হচ্ছে না। মাঝে মাঝে হুইসেল বাজিয়েই যানজটের সুরাহা করার চেষ্টা করেন। অনেক সময় অসহায়ের মতো যানজটের চিত্র দেখা ছাড়া তাঁদের করার কিছুই থাকে না।

Comments

comments

Posted ১২:১২ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক : তাহা ইয়াহিয়া কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
০১৮১২-৫৮৬২৩৭
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com