• শিরোনাম

    শহরে পচা পেঁয়াজের দাম ১৮০ টাকা

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৮ নভেম্বর ২০১৯ | ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ

    পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। ফলে ভোক্তারা এই পণ্যের ব্যবহার কমিয়েছেন। তবে, ব্যবসায়ীরা এর ব্যতিক্রম। বেশি লাভের আশায় মজুত করেছেন বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ। যার মাশুল এখন গুনতে হচ্ছে। অধিকাংশ পেঁয়াজই পচতে শুরু করেছে। গতকাল শহরের বড় বাজারে গিয়ে এই চিত্র দেখা গেলো।
    বাজারের অধিকাংশ দোকানের খাঁচিতে সাজিয়ে রাখা হয় পেঁয়াজ। তবে, এসব পেঁয়াজের প্রায় সবগুলোতেই ধরেছে পচন। বিক্রেতারা কর্মচারী দিয়ে পেঁয়াজের খোসা ছাড়িয়ে নেয়ার পরও পচন ঠেকানো যায়নি। পচা এসব পেঁয়াজ দেখার পর কেউই কিনতে চাইছেন না। অধিকাংশ ক্রেতা বেশি দামে পেঁয়াজ কিনতে গিয়েও ফিরে আসছেন।
    পেঁয়াজ পচলেও দামে কোন হেরফের হচ্ছে না। গতকাল শহরের বড় বাজারে এসব পচা পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ১৮০ টাকায়। পাশাপাশি মিশরের লাল পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১৫০ টাকায়। আর তুরস্কের হলুদ পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৩০ টাকায়। বাজারে ১৮০ টাকা মূল্যে যে পেঁয়াজ বিক্রি করা হয়েছে একই পেঁয়াজ শহরের অন্য স্থানে বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকার উপরে। বিশেষ করে শহরের অলি-গলিতে থাকা দোকানগুলোতে গিয়ে এই মূল্য দেখা যায়।
    মায়ানমার থেকে যতো বেশি পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। ততোই বাড়ছে দাম। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা নিয়ন্ত্রণ করছেন এই মূল্য। অতিরিক্ত মুনাফার লোভেই আমদানিকারকদের সিন্ডিকেট বাড়াচ্ছে এই স্কন্দের দাম। ফলে আপাততঃ পেঁয়াজের দাম কমার কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
    টেকনাফ বন্দর সূত্রে জানা গেছে, গতকাল ২৭ নভেম্বর বন্দরে পৌঁছেছে প্রায় ১৪’শ মেট্রিক টন মায়ানমারের পেঁয়াজ। বাংলাদেশের ১৫ ব্যবসায়ীর নামেই এই পেঁয়াজ আনা হয়েছে। চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজারের আড়তদাররা ইতোমধ্যেই বন্দরে ভীড় করেছেন। যাতে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে আমদানিকারকদের কাছ থেকে পেঁয়াজ কিনতে পারেন।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ