• শিরোনাম

    ট্রলারে আসছে মিয়ানমার নাগরিকরা

    শাহপরীর দ্বীপ করিডরে বন্ধ হয়নি পশু আমদানি

    জাকারিয়া আলফাজ, টেকনাফ | ২৩ মার্চ ২০২০ | ১১:০৫ অপরাহ্ণ

    শাহপরীর দ্বীপ করিডরে বন্ধ হয়নি পশু আমদানি

    কক্সবাজারের টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ করিডর এখনো বন্ধ হয়নি। দেশব্যাপী করোনাভাইরাস সংক্রমনের মাঝেও মিয়ানমার থেকে করিডরে গবাদি পশু আমদানি অব্যাহত রয়েছে। গবাদিপশু বোঝাই ট্রলারে আসা মাঝিমাল্লারা মিয়ানমারের নাগরিক হওয়া স্বত্বেও স্থানীয় শ্রমিকরা তাদের সংস্পর্শে গিয়ে ট্রলার থেকে পশু নামিয়ে আনার কাজে ব্যস্থ রয়েছে। এছাড়া গবাদি পশু আমদানির কারণে করিডরে প্রতিদিন জনসমাগমও লেগে থাকছে।
    গতকাল সোমবার সকালে সরেজমিনে শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, মিয়ানমার থেকে গবাদিপশু বোঝাই কয়েকটি ট্রলার পশু খালাসের অপেক্ষায় জেটিতে নোঙর করেছে। প্রতিটি ট্রলারে আট থেকে দশজন করে বিদেশী (মিয়ানমার) নাগরিক শ্রমিক রয়েছে। স্থানীয় দেশী শ্রমিকরা ট্রলারে ওঠে ওইসব বিদেশী (মিয়ানমার) শ্রমিকদের সংস্পর্শে গিয়ে নামিয়ে আনছে একটি একটি করে পশু। এভাবে পশুগুলো খালাস শেষে করিডরে নির্ধারিত স্থানে রাখা হয়েছে। সেখানে এসে ভীড় করছে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ব্যাপারিরা। ক্রেতা, বিক্রেতা, শ্রমিকসহ শতশত মানুষের সমাগম লেগে থাকতে দেখা গেছে করিডরে।

    শাহপরীর দ্বীপের স্থানীয় বাসিন্দা ও আওয়ামী লীগ নেতা মনির উল্লাহ বলেন, এ করিডর দিয়ে প্রতিদিন মিয়ানমার থেকে ট্রলারে গবাদি পশু আমদানি হচ্ছে। এ কারণে বিভিন্ন অঞ্চলের পশু ব্যবসায়ী ও স্থানীয় ক্রেতা বিক্রেতাদের ভীড় এখানে লেগে থাকছে। এ কারণে সেখানে অসর্তকতা বশত করোনাভাইরাস সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা চাই দেশ করোনা ভাইরাসের ঝুঁিকমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত করিডর বন্ধ করে দেয়া হোক।

    সূত্রে জানা যায়, গত তিনদিনে মিয়ানমার থেকে ২৪ টি ট্রলার এ করিডরের উদ্দেশ্যে শাহপরীর দ্বীপ জেটিতে ভিড়েছে। সর্বশেষ গতকাল সোমবার সাতটি ট্রলারে ৩০১ টি গবাদি পশু আমদানি হয়েছে। এসব গবাদি পশু সাবরাং নয়াপড়া এলাকার মোহাম্মদ শরীফ মেম্বার, টেকনাফ পৌরসভার মো. ইসলাম, শাহপরীর দ্বীপের আব্দু শুক্কুর, আবুল আকতার ও শফিকের কাছে আমদানি হয়েছে। পরবর্তীতের আমদানিকৃত পশুগুলো শুল্ক আদায় শেষে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত পশু ব্যাপারীরা কিনে নিয়ে যাবেন বলে আমদানিকারকরা জানিয়েছেন।

    গবাদি পশু আমাদানিকারক মো. ইসলাম বলেন, মিয়ানমার থেকে পশু ব্যবসায়ীরা আমাদের কাছে গবাদি পশু পাঠাচ্ছে। করিডর বন্ধে সরকারি কোন সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত আমরা ব্যবসায় চালিয়ে যাচ্ছি। তবে আমরাও চাই করোনাভাইরাস সতর্কতায় করিডর আপাতত বন্ধ হোক।
    পশু আমদানিকারক আব্দু শুক্কুর বলেন, সরকারি সিদ্ধান্তে পশু আমদানি বন্ধ না হলে স্বাভাবিকভাবে করিডরে জনসমাগম লেগে থাকবে। যেহেতু আমদানিকৃত পশু বেচাকেনা করতে হয় সেখানে করিডরে ক্রেতা, বিক্রেতা, শ্রমিকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের ভীড় হয়। সরকার করোনাভাইরাসের সর্তকতামূলক করিডর বন্ধের সিদ্ধান্ত নিলে সেটি আমরা মেনে নেব।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ