• শিরোনাম

    দেশবিদেশ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে তোলপাড়!

    শিক্ষকতার আড়ালে হুন্ডি ব্যাবসা!

    সেলিম উদ্দীন, ঈদগাঁহ | ০২ অক্টোবর ২০১৯ | ১১:২৫ অপরাহ্ণ

    শিক্ষকতার আড়ালে হুন্ডি ব্যাবসা!

    গতকাল বুধবার জনপ্রিয় দৈনিক আজকের দেশবিদেশ পত্রিকায় ’ঈদগাঁহতে শিক্ষকতার আড়ালে হুন্ডি ব্যাবসা’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এমন সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর বুধবার ২ অক্টোবর ঈদগাঁহ বাসস্ট্যান্ড থেকে দৈনিক পত্রিকাটিও গায়েব করেছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন পত্রিকার হকার জানান, সকাল ৮ টার দিকে কক্সবাজার থেকে স্থানীয় পত্রিকার বান্ডিল ঈদগাঁহ বাসস্ট্যান্ডস্থ সৌদিয়া কাউন্টারের সামনে পৌঁছলে ভদ্র বেশী কয়েকজন লোক এসে বেশকটি পেপারের বান্ডিল নিয়ে যায়। তাছাড়া সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে স্থানীয় কজন সাংবাদিককে ম্যানেজের চেষ্টা চালায় মিজানুর রহমান নামের ঐ ব্যক্তি।

    উল্লেখ্য, উক্ত শিক্ষক বৃহত্তর ঈদগাঁহতে বিশাল হুন্ডি সিন্ডিকেট গড়ে তুলে ১১/১২ বছর ধরে রাতদিন চব্বিশ ঘন্টা হুন্ডির টাকা লেনদেন করে আসলেও সংশ্লিষ্টদের নজরে আসেনি। ইসলামপুর ইউনিয়নের ধর্মের ছড়া এলাকার মিজানুর রহমান স্থানীয় একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে কর্মরত রয়েছে।

    এই শিক্ষকতাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সৌদি আরবে অবস্থানরত তার দুলা ভাই একই ইউনিয়নের হাজী পাড়া এলাকার নুরুল আমিনের মাধ্যমে দৈনিক কোটি টাকা লেনদেন করে থাকেন। তার হোয়াটসপ,ইমু আইডি চেক করলেই হিসাব মিলবে দৈনিক কত টাকার লেনদেন হয়।

    সূত্রে জানা যায়, উক্ত মিজানুর রহমান বৃহত্তর ঈদগাঁহর ছয় ইউনিয়ন, বাজারসমূহে হুন্ডি ব্যবসা জমজমাট করে রেখেছে । তার দৌরাত্ম্য দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও এ যাবত মিজান ও তার সিন্ডিকেটের কোন হুন্ডি ব্যবসায়ীকেও আটক করতে পারেনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। যার কারণে তার ব্যবসা আরো জমজমাট হয়ে উঠছে। ।

    অনুসন্ধানে জানা যায়, বৃহত্তর ঈদগাঁহর অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ অবস্থান করছে সৌদি আরব, মালেশিয়া, কাতার,লিবিয়া, দুবাই, ওমানসহ বিশ্বের প্রত্যন্ত দেশে । তাদের আত্মীয়-স্বজনরা দেশে অবস্থান করার ফলে প্রতিনিয়ত উল্লেখিত দেশ থেকে প্রবাসীদের পাঠানো বৈধ বিধিবিধান থাকলেও এর যথাযথ প্রয়োগ হচ্ছে না।

    স্থানীয় সচেতন লোকজন জানান, মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে হুন্ডি ব্যবসার সাথে ঈদগাঁহ, জালালাবাদ, ইসলামাবাদ, চৌফলদন্ডী, পোকখালী, ইসলামপুর এলাকার অর্ধ শতাধিক হুন্ডি ব্যবসায়ী প্রকাশ্যে হুন্ডির টাকা বিতরণ করে আসছে। এমনকি তার সিন্ডিকেটের কয়েকজন চিহ্নিত হুন্ডি ব্যবসায়ী বাজার ও বাসস্ট্যান্ডস্থ ঈদগড় সড়কের কয়েকজন তার নিজস্ব লোক নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে হুন্ডি ব্যবসা পরিচালনা এবং বৈদেশিক মুদ্রা হুন্ডির মাধ্যমে লেনদেন, মানি লন্ডারিং আইন অমান্য করে মিজানুর রহমানের কোটি কোটি টাকা হুন্ডির মাধ্যমে লেনদেন করলেও সংশ্লিষ্টদের কোন নজর নেই।

    এখানে হুন্ডি ব্যবসায় প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছে সরকারী ও বেসরকারী ব্যাংকের অসাধু কর্মকর্তারা। ফলে সরকার হারাচ্ছে প্রচুর পরিমান রাজস্ব। হুন্ডি ব্যবসার বিষয়ে জানতে মিজানুর রহমানের ব্যবহৃত ০১৮১৮৯৬৭৬৮০,০১৮৬০২৯১২৪০ নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও সংযোগ না পাওয়া বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

    এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঈদগাঁহ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র ইনচার্জ মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, অভিযুক্ত মিজানুর রহমান হুন্ডি ব্যবসায়ী তা জানা ছিল না। তার বিষয়ে খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ