• শিরোনাম

    শীতকালীন সব্জিতে বাজার সয়লাব, দাম কমেনি

    শহীদুল্লাহ্ কায়সার | ০৫ জানুয়ারি ২০২০ | ১:২১ পূর্বাহ্ণ

    শীতকালীন সব্জিতে বাজার সয়লাব, দাম কমেনি

    কক্সবাজারে এবার সব্জির বাম্পার ফলন হয়েছে। শীতকালীন সব্জিতে সয়লাব শহরের বাজারগুলো। প্রতিদিনই জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্ষেত থেকে এসব সব্জি সরাসরি এসে পৌঁছছে বাজারে। কিন্তু এর কোন প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। সব্জির সংকট না থাকলেও বাজারে কমেনি দাম।
    গতকাল ৪ জানুয়ারি (শনিবার) বড় বাজারে গিয়ে জানা গেছে, গত বছরের অর্থাৎ ২০১৮ সালের এই সময়ের তুলনায় বর্তমানে সব ধরনের তরকারির দাম বেড়েছে প্রতি কেজি ২০ থেকে ২০ টাকা। এমনিতেই সব্জির দাম চড়া। তার উপর পাইকারি এবং খুচরো বাজারে রয়েছে দামের তফাৎ। খুচরো বাজারে ১ কেজি কিংবা তার বেশি সবজি কিনলে দিতে হবে এক দাম। আবার এর নীচে সবজি কিনলেও গুণতে হবে আরো বেশি অর্থ।

    বড় বাজারের এক পাইকারি আড়তে গিয়ে জানা গেছে, গতকাল এই আড়ত থেকে কেজি প্রতি ফুলকপি ৩০, বাঁধাকপি ২০, শিম ৩৫, টমেটো ৪০, নতুন আলো ২৫, মিষ্টি কুমড়া ২০, চিচিঙ্গা ২৫, কাঁচা মরিচ ৪০, পেঁপেঁ ২৮, বেগুন ১৫, গাজর ৩৫ এবং করলা ৫৫ টাকা দরে খুচরো বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হয়।
    পরে খুচরো বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, বিক্রেতারা রীতিমতো গলাকাটা ব্যবসা শুরু করেছেন। পাইকারি বিক্রেতাদের কাছ থেকে কিনেই আড়তের পাশেই চালাচ্ছেন এই কারবার। সেখানে প্রতিকেজি ফুলকপি ৫০, বাঁধাকপি ৩০, শিম ৫০, টমেটো ৫০ থেকে ৬০, নতুন আলো ৩৫, চিচিঙ্গা ৫০, কাঁচা মরিচ ৫০ থেকে ৬০, পেঁপে ৩৫, বেগুন ৪০, গাজর ৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।

    কেন সবজির দাম কমছে না জানতে চাইলে বাজারের এক আড়তদার জানালেন, রোহিঙ্গাদের কারণেই এই পরিস্থিতি। পর্যটন শহর হওয়ায় কক্সবাজারে শীত মৌসুমে প্রতিদিন ৩০ টন সবজির প্রয়োজন। এরউপর রোহিঙ্গাদের বিশাল জনগোষ্ঠীও এই সবজির ভোক্তা। চলতি বছর জেলায় সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু ভোক্তাও রয়েছে অনেক বেশি। বাজার থেকে সব্জি সরাসরি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চলে যাচ্ছে। এই কারণে দাম কমছে না। এমন ভরা মৌসুমেও দাম না কমানোর জন্য ব্যবসায়ীরা দায়ী করছেন রোহিঙ্গাদের।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ