বৃহস্পতিবার ২৬শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

শুল্ক বাড়লেও দাম কমেছে চালের

দেশবিদেশ অনলাইন ডেস্ক   |   শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯

শুল্ক বাড়লেও দাম কমেছে চালের

ধানের দরপতন নিয়ন্ত্রণে আনতে চাল আমদানিতে শুল্ক বাড়ানোর পরও রাজধানীর বাজারগুলোতে চালের দাম কমেছে; এছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার কমবেশি স্থিতিশীল রয়েছে।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, এক সপ্তাহে সব ধরনের চালের দাম কেজিতে অন্তত ৩ টাকা করে কমেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত বিপণন সংস্থা টিসিবির হিসাবেও একই চিত্র দেখা গেছে।

টিসিবির হিসাবে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ৩ টাকা থেকে ৪ টাকা করে কমেছে। সরু চাল বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৪৮ টাকা ৫৬ টাকার মধ্যে যা এক সপ্তাহ আগেও ৫২ টাকা থেকে ৬৪ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। এক বছর আগের তুলনায় সরু চালের দাম কমেছে ১৬ শতাংশ।

একইভাবে স্বর্ণা চাল কেজিতে দুই টাকা কমে ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকায়, পাইজাম কেজিতে অন্তত চার টাকা কমে ৪৮ টাকা থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ৫২ টাকা থেকে ৫৬ টাকা, কেজিতে কমেছে অন্তত চার টাকা।

মিরপুর ৬ নম্বর বাজারের জননী রাইস এজেন্সির স্বত্তাধিকারী মহিউদ্দিন হারুন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এই মওসুমে ধানের বাম্পার ফলন, নতুন মওসুমে ধানের দাম কমে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে এবার চালের বাজারও অনেক কমে গেছে। বিশেষ করে নতুন চালের দাম অনেক কম।

চালের বর্তমান বাজারদর তুলে ধরে তিনি বলেন, কুষ্টিয়া অঞ্চলের মিনিকেটের ৫০ কেজির বস্তা এখন দুই হাজার ১০০ টাকা। নওগাঁ অঞ্চলের মিনিকেটের দাম আরও একশ টাকা কম। একমাস আগেও এই চাল তারা দুই হাজার ৩৫০ টাকা করে বিক্রি করতেন। একইভাবে বিআর আটশ চালে বস্তা একহাজার ৮০০ টাকা থেকে কমে গিয়ে একহাজার ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাইজাম ও গুটি স্বর্ণা বিক্রি হচ্ছে সাড়ে একহাজার ৩০০ টাকা থেকে এক হাজার ৪০০ টাকার মধ্যে।

চলতি মওসুমে গত ২৫ এপ্রিল থেকে সরকার ৩৬ টাকা কেজি দরে চাল এবং ২৬ টাকা কেজি দরে ধান সংগ্রহের ঘোষণা দিয়েছে। অগাস্ট পর্যন্ত মোট ১০ লাখ টন-ধান চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

সরকার এক হাজার ৪০ টাকা ধানের দর নির্ধারণ করলেও কৃষকরা ধানের দামে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ায় সরকার চাল আমদানিতে মোট করভার দ্বিগুণ করে ৫৫ শতাংশে উন্নীত করেছে।

শুক্রবার রাজধানীর হাতিরপুল ও কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায়, পটল, ঝিঙা, ঢেঁড়শ, টমেটো প্রতিকেজি ৩০ টাকা, ছোট আকারের লাউ ৪০ টাকা, টমেটো ৪০ টাকা, গাজার ৫০ টাকা, বরবটি ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কেবল বেগুন বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৬০ টাকায়।

হাতিরপুলের মুদি দোকানি মাসুদ বলেন, রোজা শুরুর পর থেকে ডাল, মসলা, চিনি, রান্নার তেলসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। সেই হিসাবে বলতে গেলে এবারের রোজার মওসুম অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে ভালো।

হাতিপুল কাঁচাবাজারে ও কারওয়ান বাজারের ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ১৫০ টাকা, ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রতি ডজন ৯০ টাকা, গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে সিটি করপোরেশন নির্ধারিত মূল্যে, প্রতিকেজি ৫২৫ টাকা।

Comments

comments

Posted ৯:৪৯ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক : তাহা ইয়াহিয়া কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
০১৮১২-৫৮৬২৩৭
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com