মঙ্গলবার ২২শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

তারেকুর রহমান:

মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সমদ্রসৈকতে দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। ঈদের সময়ও সমুদ্রসৈকতে বেড়াতে পারেন নি কোনো দর্শনাথর্ী। কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণীসহ বিভিন্ন পয়েন্টে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও বীচকর্মীদের টহল এবং নিষেধাজ্ঞার মাইকিং জোরদার রয়েছে।

মঙ্গলবার(১৮ মে) বিকেলে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সমদ্রসৈকতে জনসাধারণ প্রবেশ বন্ধে ট্যুরিস্ট পুলিশ, বীচকর্মী ও লাইফগার্ড নিয়োজিত রয়েছে এবং জনসচেতনতায় মাইকিং করা হচ্ছে। হোটেল-মোটেলগুলোতে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত পর্যটক ঢুকতে না দেয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে- দেশি-বিদেশি পর্যটকের কারণে কক্সবাজার করোনাভাইরাসের ঝুঁকিতে রয়েছে। সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে কক্সবাজারে পর্যটকদের না আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সমদ্রসৈকতে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সৈকতের প্রত্যেক পয়েন্টে ব্যারিকেড দিয়ে বীচকর্মী ও ট্যুরিস্ট পুলিশ সৈকত থেকে পর্যটকদের সরিয়ে দিচ্ছেন।

এদিকে, মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় কয়েকজন ট্যুরিস্ট পুলিশ ও বীচকর্মীকে লাবণী পয়েন্টে দর্শনার্থীদের সমদ্রসৈকত এলাকায় প্রবেশে নিষেধ করতে দেখা যায়। মাইক হাতে বীচকর্মী মো. কামাল ও লাইফ গার্ডের মুফিজুর রহমান জনসচেতনতামূলক মাইকিং করছেন। নানা অজুহাত দেখিয়েও সৈকতে ঢুকতে পারছেন না পর্যটকরা।

বীচকর্মী কামাল জানান, কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী এই তিন পয়েন্টে ১২ থেকে ১৫ জন বীচকর্মী নিয়োজিত থাকেন সবসময়। পর্যটকরা যাতে সমদ্রসৈকতে প্রবেশ করতে না পারে সেদিকে নজরদারি তাদের।

লাইফগার্ডের মুফিজুর রহমান জানান, সৈকতের ৩ পয়েন্টে সকাল-বিকাল ২ শিফটে ৪ জন করে ৮ জনসহ মোট ২৪ জন লাইফগার্ড কর্মী দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন নিয়মিত। জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী সৈকতে দর্শনার্থী প্রবেশ নিষেধাজ্ঞায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন তারা।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর শাকের আহমদ সমদ্রসৈকতে দর্শানর্থী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘‘সমদ্রসৈকত খুলে দেয়ার ব্যাপারে এখনো পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা দেয় নি সরকার। যার কারণে পুরো সমদ্রসৈকতে দর্শনার্থী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা অব্যাহত রয়েছে। সেই সাথে নিষেধাজ্ঞাও জোরদার করছি আমরা। এরই মধ্যে কোনো স্থানীয় দর্শনার্থী সৈকত এলাকায় প্রবেশ করতে চাইলে তাদের আমরা বুঝিয়ে সৈকতে নামতে নিষেধ করছি, যারা নামছে তাদের তুলে দিচ্ছি।’

শাকের আহমদ আরও বলেন, ‘কেউ যেন সামাজিক দূরত্ব ভঙ্গ করে সমদ্রসৈকতে জড়ো হতে না পারে সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। যদি সৈকত খোলার ব্যাপারে সরকারিভাবে সিদ্ধান্ত আসে তাহলে পর্যটক নগরী কক্সবাজারে পর্যটক আগমন ও আকর্ষণের জন্য যা যা করণীয় সবকিছু করবো আমরা।’

আদেবি /তা

আর্কাইভ

সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক : তাহা ইয়াহিয়া কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
০১৮১২-৫৮৬২৩৭
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com