• শিরোনাম

    গেলেন আরো ৩’শতাধিক

    সেন্টমার্টিনে আটকেপড়া পর্যটকরা ফিরলেন নিরাপদে

    নুরুল করিম রাসেল, টেকনাফ | ১২ নভেম্বর ২০১৯ | ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ

    সেন্টমার্টিনে আটকেপড়া পর্যটকরা ফিরলেন নিরাপদে

    ঘুর্ণিঝড় “বুলবুল” এর কারনে সেন্টমার্টিন আটকা পড়া পর্যটকরা অবশেষে নিরাপদে ফিরেছেন। গত শুক্রবার থেকে জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় প্রায় ১হাজার ২০০ পর্যটক সেন্টমার্টিনে আটকা ছিলেন। আটকা পড়া পর্যটকরা সোমবার বিকালে টেকনাফের দমদমিয়া জেটি ঘাটে পৌঁছলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এদিকে সোমবার সেন্টমার্টিন ভ্রমণে গেছেন প্রায় ৩শ পর্যটক।

    এর আগে আবহাওয়া স্বাভাবিক হয়ে আসায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হলে সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কেয়ারী ক্রুজ এন্ড ডাইন, আটলান্টিক ক্রুজ ও ফরহান ক্রুজ নামে জাহাজ তিনটি সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে রওয়ানা হয়। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জাহাজ ৩টি সেন্টমার্টিনে পৌঁছায়। পরে দুপুর ২টার দিকে সেন্টমার্টিন থেকে পর্যটকদের নিয়ে টেকনাফের উদ্দেশে রওনা করে। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে পর্যটকদের নিয়ে তিনটি জাহাজ টেকনাফে পৌঁছে।

    বিকালে সেন্টমার্টিন থেকে ফেরা পর্যটকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঘুর্ণিঝড়ের কারনে উদ্বেগের মধ্যে থাকলেও দ্বীপে অবস্থানে তেমন কোন সমস্যা হয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যটকদের সার্বিক সহযোগীতা করা হয়েছিল। হোটেল-রেষ্টুরেন্ট এ পঞ্চাশ ভাগ ছাড় এর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। অবশেষে নিরাপদে ফিরতে পারায় পর্যটকরা সন্তোষ প্রকাশ করেন।

    এসময় কথা হয় চট্টগ্রাম ষোল শহর এলাকার বাসিন্দা ফয়সাল ও রুবেলের সাথে। তারা জানান, ঘুর্ণিঝড়ে কি হয় না হয় তা নিয়ে উদ্বেগে থাকলেও দ্বীপবাসীর সহযোগীতায় সে উদ্বেগ কেটে যায়।
    সাতক্ষীরার ব্যবসায়ী রমিজ উদ্দিন বলেন নিরাপদে ফিরতে পারায় আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি।

    মানিকগঞ্জের পর্যটক সোহাগ স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সেন্টমার্টিন ভ্রমনে এসেছিলেন। তিনি বলেন, “উদ্বেগে থাকলেও যথেষ্ট আনন্দ উপভোগ করেছি।”
    সেন্টমার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন বলেন, জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা বাস্তবায়নে ইউনিয়ন পরিষদের সব সদস্য ও দ্বীপের আইন শৃংখলা বাহিনী সদস্যরা কাজ করছেন। আটকাপড়া পর্যটকেরা যাতে কোনো ধরনের সমস্যায় না পড়েন, আমরা সেই চেষ্টা করেছি। সোমবার আরো ৩শতাধিক পর্যটক দ্বীপ ভ্রমণে গেছেন বলে জানান তিনি।

    টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, দ্বীপের আটকাপড়া পর্যটকরা যাতে কোনোভাবে হয়রানির শিকার না হয়, সেজন্য সার্বক্ষণিক খোঁজ রাখা হয়েছিল। অবশেষে পর্যটকরা নিরাপদে ফিরতে পারায় উদ্বেগ কেটে গেছে।
    প্রসঙ্গত ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর প্রভাবে শুক্রবার হঠাৎ করে আবহাওয়া বৈরী এবং সাগরে ৪ নম্বর সর্তক সংকেত জারি করায় টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। ফলে প্রবালদ্বীপে আটকা পড়েন এসব পর্যটক।
    এদিকে সোমবার উদ্ধার করতে যাওয়া জাহাজের সাথে আরো ৩শতাধিক পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণে গেছেন বলে জানা গেছে। তাদের অনেকে দ্বীপে রাত্রি যাপনের জন্য অবস্থান করছেন।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে দৈনিক আজকের দেশ বিদেশ